২২ আগস্ট ২০২৬
বিজ্ঞাপন
Amader Rajshahi

শিক্ষা কার্যক্রমের বাইরে ৮৩ ভাগ রোহিঙ্গা তরুণ

প্রকাশিত: ২৫ জানুয়ারি ২০২১, ৯:২১ পূর্বাহ্ণ | বিভাগ: জাতীয়
শিক্ষা কার্যক্রমের বাইরে ৮৩ ভাগ রোহিঙ্গা তরুণ
বিজ্ঞাপন

এফএনএস : মিয়ানমার সেনাবাহিনীর নির্যাতনের মুখে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা ১৫-২৪ বছর বয়সী রোহিঙ্গাদের মধ্যে ৮৩ শতাংশই শিক্ষামূলক কর্মসূচির সঙ্গে সম্পৃক্ত নেই। কক্সবাজার সিএসও-এনজিও ফোরামের (সিসিএনএফ) এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এমন তথ্য। প্রায় তিন বছরের অধিক সময়ে ধরে শিক্ষা কার্যক্রমের বাইরে থাকা এই বিশাল জনগোষ্ঠীর মাঝে হতাশা বিরাজ করছে জানিয়ে, রোহিঙ্গা তরুণদের জন্য শিক্ষা কর্মসূচি প্রণয়নের সুপারিশ করেছে কক্সবাজারে উন্নয়ন ও মানবাধিকার বিকাশে সক্রিয় ৫০টি স্থানীয় এনজিও ও সুশীল সমাজ সংগঠনের এই নেটওয়ার্ক।

গতকাল রোববার আন্তর্জাতিক শিক্ষা দিবস উপলক্ষে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ প্রতিবেদন উপস্থাপন করে সিসিএনএফ। এতে বলা হয়, বাংলাদেশ সরকার এবং বিভিন্ন সংস্থার উদ্যোগে ৬-১৪ বছর বয়সী রোহিঙ্গা শিশুদেরকে অনানুষ্ঠানিক শিক্ষা কর্মসূচির আওতায় নিয়ে আসা হলেও, ১৫-২৪ বছর বয়সী কিশোর-কিশোরী এবং যুবক-যুবতীদের ৮৩ শতাংশই শিক্ষামূলক কর্মসূচির বাইরে। সিসিএনএফ জানায় হয়, পর্যাপ্ত শিক্ষকের অভাব ও স্কুলগুলোতে অস্থায়ী অবকাঠামো নির্মাণসহ বিভিন্ন কারণে রোহিঙ্গাদের আগমনে ভেঙে পড়েছে কক্সবাজারের শিক্ষা কার্যক্রম।

প্রতিবেদনে জানানো হয়, ২০১৭ সালে নতুন করে রোহিঙ্গাদের আগমন শুরু হলে প্রাথমিকভাবে কয়েকটি স্কুলকে সেনা সদস্যদের অস্থায়ী ব্যারাক হিসেবে ব্যবহার করা হয়। অন্যদিকে অনেক রোহিঙ্গাও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ভবনে আশ্রয় নেয়। এতে করে অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কয়েকমাস শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ রাখে। আরও জানা গেছে, মানুষের আনাগোনা বেড়ে যাওয়ায় এবং ত্রাণ কর্মসূচিতে ব্যবহৃত যানবাহনের ব্যাপক ভিড়ের কারণে অনেক শিক্ষার্থী স্কুলে যাওয়া বন্ধ করে দেয়।

এ ছাড়া অনেক কলেজছাত্র এবং শিক্ষক অধিকতর আয়ের সুযোগ পেয়ে ত্রাণ কর্মসূচিতে সম্পৃক্ত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাকরিতে যোগদান করেন। একটি বিদ্যালয়ের ১০ জন শিক্ষকের মধ্যে সাতজনই শিক্ষকতা ছেড়ে অন্য চাকরিতে যোগ দেন। এতে করে ওই এলাকার পুরো শিক্ষা ব্যবস্থা হুমকির মুখে।

পাঠকদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন