২৬ অক্টোবর ২০২৬
বিজ্ঞাপন
Amader Rajshahi
শিরোনাম
ফুটপাত দখলমুক্তর পাশাপাশি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও হকারদের পুর্নবাসনের উদ্যোগ রাসিকেরভূমিমন্ত্রী মিনুকে দেখতে হাসপাতালে রাষ্ট্রপতি২৬ অক্টোবর ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কা, বরেন্দ্র অঞ্চলে কৃষকদের পাকাধান কাটার জরুরি আহ্বানচাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে ভুক্তভোগীদের অভিযোগ ছাড়াই মামলা নেওয়ার ব্যবস্থা হচ্ছে : আইজিপিবাংলার জাতীয় খেলা হা-ডুডুকে আরও জনপ্রিয় করে তোলা হবে : এমপি মিলনপ্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে স্বাক্ষরিত হতে পারে কয়েকটি সমঝোতা স্মারকপ্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে স্বাক্ষরিত হতে পারে কয়েকটি সমঝোতা স্মারকলোকসান-সঙ্কটের অজুহাতে বেসরকারি ব্যবস্থায় দেয়া হচ্ছে আরো অর্ধডজন ট্রেন

হরিণ-ময়ূর বিক্রি করে চিড়িয়াখানার আয় ১ কোটি ৩৪ লাখ টাকা

প্রকাশিত: ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ২:৩৬ পূর্বাহ্ণ | বিভাগ: অর্থনীতি
হরিণ-ময়ূর বিক্রি করে চিড়িয়াখানার আয় ১ কোটি ৩৪ লাখ টাকা
বিজ্ঞাপন

এফএনএস : করোনাভাইরাসের কারণে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার কারণে জাতীয় চিড়িয়াখানায় হরিণ, বক, ময়ূরসহ অন্যান্য প্রাণীর প্রজনন বেড়েছে। প্রাণীদের স্থান সংকুলান না হওয়ায় কর্তৃপক্ষ গত বছরের জানুয়ারি থেকে হরিণ ও ময়ূর বিক্রি শুরু করে। ২০২২ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত ১৩ মাসে এক কোটি ১০ লাখ টাকা হরিণ ও ২৪ লাখ টাকার ময়ূর বিক্রি করেছে চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ। প্রকৃতিতে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে একাধিক প্রজাতির বক। আবদুল লতিফ বলেন, হরিণ ও ময়ূর কেনার প্রচুর আবেদন পাচ্ছি।

তবে ময়ূর বিক্রি বন্ধ করে দিয়েছি। স্টকের ওপর নির্ভর করে আগামীতে হয়তো আবার বিক্রি করার চিন্তা-ভাবনা করবো। এখন যা ময়ূর আছে, সেগুলো চিড়িয়াখানায় লাগবে। প্রজনন বাড়লে তখন হয়তো বিক্রি করবো। হরিণ বিক্রি করছি, প্রচুর সাড়াও পাচ্ছি। বিক্রির পর মালিকরা প্রাণীগুলোর চিকিৎসা বা রক্ষণাবেক্ষণ সংক্রান্ত সেবা সংশ্লিষ্ট এলাকার থানা অফিসারদের কাছ থেকে পাবেন জানিয়ে তিনি বলেন, ‘যখন কোনো খামারি বা রিসোর্টের মালিকের কাছে হরিণ বিক্রি করি, সঙ্গে সঙ্গে সংশ্লিষ্ট থানা অফিসার, জেলা অফিসারকে জানানো হয়।

যারা নিয়ে যান তাদেরও বলে দেওয়া হয় যে, সংশ্লিষ্ট উপজেলা অথবা জেলা অফিসারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখবেন। যাতে তত্ত্বাবধানটা তারা সঠিকভাবে করতে পারেন। অসুখ হলে সঠিক চিকিৎসা দেওয়া, পরামর্শ দেওয়া এগুলো তারা পেতে পারেন। পশু চিকিৎসকের পরামর্শ তারা উপজেলা থেকে নিতে পারেন। এদিকে ২০২১ সালের পাঁচ মাস এবং ২০২০ সালের আট মাস বন্ধ ছিল মিরপুরের জাতীয় চিড়িয়াখানা। অনুকূল পরিবেশ, যত্ন আর ভালো ব্যবস্থাপনায় রেকর্ড প্রজনন হয়েছে বিভিন্ন প্রাণীর।

অতিরিক্ত প্রাণী বিভিন্ন চিড়িয়াখানার সঙ্গে বিনিময়ের চিন্তা করছে কর্তৃপক্ষ। জাতীয় চিড়িয়াখানার পরিচালক আবদুল লতিফ বলেন, অন্তত পাঁচ-সাতটি প্রাণীর খাঁচা ভরে গেছে। ধারণক্ষমতার চেয়ে বেশি রয়েছে। এগুলো বিনিময়ের চেষ্টা করছি। তার তথ্যমতে, জাতীয় চিড়িয়াখানায় ১৩৫ প্রজাতির সর্বমোট তিন হাজার ১৫০টি প্রাণী রয়েছে। এর মধ্যে ধারণক্ষমতার বেশি রয়েছে অনেক প্রাণী। জানা গেছে, ধারণক্ষমতা ৭টির থাকলেও চিড়িয়াখানায় জলহস্তীর সংখ্যা ১৪টি।

ইমু পাখির ধারণক্ষমতা ২০-২২টি হলেও বর্তমানে রয়েছে ৫০টির বেশি। একইভাবে জেব্রা, জিরাফ, ইম্পালা ঘোড়া আছে ধারণক্ষমতার বেশি। অতিরিক্ত প্রাণী দেশে বা বিদেশের অন্যান্য চিড়িয়াখানা, সাফারি পার্কে স্থানান্তর বা বিনিময় করার কথা ভাবছে কর্তৃপক্ষ। এ প্রসঙ্গে জাতীয় চিড়িয়াখানার পরিচালক বলেন, সরকারের অনুমোদন নিয়ে দেশের বিভিন্ন চিড়িয়াখানার সঙ্গে আলোচনা করে নিজেদের মধ্যে বন্যপ্রাণী বিনিময় করা হবে। এ ছাড়া সম্ভব হলে প্রতিবেশী দেশের সঙ্গেও বিনিময় নিয়ে আলোচনার চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে।

পাঠকদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন