২৬ অক্টোবর ২০২৬
বিজ্ঞাপন
Amader Rajshahi
শিরোনাম
ফুটপাত দখলমুক্তর পাশাপাশি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও হকারদের পুর্নবাসনের উদ্যোগ রাসিকেরভূমিমন্ত্রী মিনুকে দেখতে হাসপাতালে রাষ্ট্রপতি২৬ অক্টোবর ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কা, বরেন্দ্র অঞ্চলে কৃষকদের পাকাধান কাটার জরুরি আহ্বানচাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে ভুক্তভোগীদের অভিযোগ ছাড়াই মামলা নেওয়ার ব্যবস্থা হচ্ছে : আইজিপিবাংলার জাতীয় খেলা হা-ডুডুকে আরও জনপ্রিয় করে তোলা হবে : এমপি মিলনপ্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে স্বাক্ষরিত হতে পারে কয়েকটি সমঝোতা স্মারকপ্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে স্বাক্ষরিত হতে পারে কয়েকটি সমঝোতা স্মারকলোকসান-সঙ্কটের অজুহাতে বেসরকারি ব্যবস্থায় দেয়া হচ্ছে আরো অর্ধডজন ট্রেন

স্কুলে ভর্তি হয়েছে মাতৃগর্ভে গুলিবিদ্ধ মাগুরার সেই সুরাইয়া

প্রকাশিত: ৪ জানুয়ারি ২০২২, ৮:৫২ পূর্বাহ্ণ | বিভাগ: শিক্ষানগর
স্কুলে ভর্তি হয়েছে মাতৃগর্ভে গুলিবিদ্ধ মাগুরার সেই সুরাইয়া
বিজ্ঞাপন

এফএনএস : মাতৃগর্ভে গুলিবিদ্ধ শিশু সুরাইয়া স্কুলে ভর্তি হয়েছে। তার মা নাজমা বেগম মাগুরা পুলিশ লাইনস প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিশু শ্রেণিতে তাকে ভর্তি করেন। ২০১৫ সালের ২৩ জুলাই মাগুরায় দুদল সন্ত্রাসীর মধ্যে সংঘর্ষ চলাকালে নাজমা বেগম এবং তার গর্ভে থাকা শিশু সুরাইয়া গুলিবিদ্ধ হন। সে সময় মাগুরা সদর হাসপাতালের সার্জন শফিউর রহমান জটিল অস্ত্রপচারের মাধ্যমে সুরাইয়াকে পৃথিবীর আলো দেখান। ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকা সেই ছোট্ট সুরাইয়া স্কুলে যাচ্ছে। এদিকে স্কুলে ভর্তি হয়ে সুরাইয়াকে উৎফুল্ল দেখা গেলেও তার মায়ের সঙ্গে কথা বলে জানা যায় সে খুব বেশি ভালো নেই।

প্রায়ই নানা জটিলতায় তাকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যেতে হয়, ব্যয় হয় প্রচুর অর্থ। সুরাইয়া জন্মের পর অনেকেই অনেক অশ্বাস দিলেও এখন কেউই খোঁজ নেয় না আর। নাজমা বেগম বলেন, সুরাইয়ার ডান চোখটি একেবারেই নষ্ট হয়ে গেছে। বাম চোখটির অবস্থাও ভালো না। চিকিৎসক বলেছেন, ডান চোখে আর দেখতে পাবে না সে। ডান চোখ তুলে না ফেললে বাম চোখও নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তার সমবয়সীরা এখন দৌঁড়ে বেড়ালেও সুরাইয়া এখনও দাঁড়াতেও পারে না। কেউ দুহাতে ধরে দাঁড় করিয়ে দিলেও ছেড়ে দিলেই সে পড়ে যায়। তারপরও অনেক স্বপ্ন নিয়ে ওকে ভর্তি করে দিয়েছি।

মাগুরা পলিশ লাইনস প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক জন্নাতুল ফেরদৌস জানান, গত রোববার সকালে সুরাইযার মা তাকে স্কুলে নিয়ে আসেন ভর্তির জন্য। ছয় বছর বয়সী সুরাইয়াকে শিশু শ্রেণিতে ভর্তি করা হয়। স্কুলে ভর্তি হয়ে আননিদত সুরাইয়া। মাগুরা পলিশ লাইনস প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক জন্নাতুল ফেরদৌস জানান, গত রোববার সকালে সুরাইযার মা সুরাইয়াকে স্কুলে নিয়ে আসেন ভর্তিও জন্য। ছয় বছর বয়সী সুরাইয়কে শিশু শ্রেণিতে ভর্তি করা হয়। স্কুলে ভর্তি হয়ে সুরাইয়া খুবই খুশি। এদিকে সুরাইয়ার মামলার বিচার নিয়ে হতাশ তার পরিবার।

আসামিদের সবাই এখন জামিনে মুক্ত। এখনো মামলা বিচারাধীন। সুরাইয়ার বাবা বাচ্চু ভুইঞা বলেন, ১৪ জন আসামির সবাই জামিনে আছে। প্রধান আসামি সুমন সেনসহ বাকিরা সবাই জামিনে মুক্তি পেয়ে গেছে। মামলার ভবিষ্যৎ নিয়ে আমি শংকিত। আমাকে অনেকভাবে চাপ দেওয়া হয়েছে মীমাংসার জন্য, কিন্তু আমি তাতে রাজি হইনি। মাগুরার অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট আশরাফ হোসেন লিটন বলেন, আসামিরা সবাই এখন জামিনে আছে। মামলাটি এখনও বিচারাধীন।

পাঠকদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন