শাহজাহান শাজু, নিয়ামতপুর : নিয়ামতপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী লক্ষীপুর-পাঁচড়াই সড়কের খালের উপর নির্মিত ক্রসডাম ব্রীজটিতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পার হচ্ছে যানবাহন। এই ক্রসডামের উপর দিয়ে কয়েক হাজার মানুষের চলাফেরা ও ছোট ছোট যান চলাচলের এক মাত্র রাস্তা। এ কারনে যেকোন সময় ঘটে যেতে পারে ভয়াবহ দূর্ঘটনা ও প্রানহানী। সোরু আর লোকাল জায়গায় হওয়ায় ভ্যান ও মটোর বাইক নিয়ে কয়েকবার দূর্ঘটনাও ঘটেছে।
সরেজমিন দেখা যায়, নিয়ামতপুর উপজেলার হাজিনগর ইউনিয়নের পাঁচড়াই-লক্ষীপুর সড়কের পাঁচড়াই খালের উপর প্রায় ১৬ বছর পূর্বে বিএমডিএ সংষিøষ্ট এলাকায় সেচ সুবিধা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে “ক্রসডাম” নির্মাণ করে। মানুষের যাতায়াত ও ছোট ছোট গাড়ি চলার জন্য ক্রসডামটির দুপাশে গার্ডার দেওয়া ছিলো। রাতের অন্ধকারে কো বা কাহারা ক্রসডামের উপর গার্ডারের রড বের করে নিয়ে যাওয়ার জন ভেঙে নিয়ে যায়। ফলে ব্রীজটি চলাচল ঝুঁকিপূর্ন হয়ে পড়ে এবং গার্ডার ভেঙে ফেলায় ক্রসডাম ব্রীজটি এখন মরন ফাঁদে পরিনত হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা ও অটোরিকশা চালক জামাল বলেন, আনি নিয়মিত এই ক্রসডাম ব্রিজের উপর দিয়ে যাত্রী নিয়ে যাই।
অনেক দিন আগে ক্রসডাম ব্রীজটির গার্ডারের রড চুরি হলেও দেখার কেউ নাই। ক্রসডামটি বিপদজনক হয়ে পড়ায় আমাদের সন্ধ্যার আগেই বাড়ি ফিরে আসতে হয়। রাত হয়ে গেলে ব্রীজটির ওপর দিয়ে পারাপার কষ্টকর হয়ে দাঁড়ায়। একটু অন্যমনস্ক হলেই ঘটে যেতে পারে ভয়ানক দূর্ঘটনা। এখনই ঠিক না করলে বড় ধরনের দূর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে। ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ক্রসডাম ব্রিজের গার্ডরের রড চুরি বিষয়টি শুনেছি এবং দেখেছি। ব্রীজটিতে মানুষ ও গাড়ি পারা পারের জন্য ঝুঁকিপূর্ন হয়ে পড়েছে।
দ্রুত মেরামত করে মানুষ ও গাড়ি যাওয়ার উপযোগী করা প্রয়োজন। বিএমডিএ এর সহকারী প্রকৌশলী মতিউর রহমান জানান, ২০০৫ সালের ক্রসডামটি নির্মাণে ব্যয় হয় প্রায় ৮ লক্ষ টাকা। মূলত চাষাবাদের সুবিধার জন্য এ ক্রসডাম ব্রীজটি নির্মান করা হয়। ব্রীজটি নির্মান করা হয় লোকজনের চলাচল সুবিধার জন্য। ফলে এই ব্রিজটিতে গার্ডার ব্যবহার করা হয়েছিলো। ব্রিজজের গার্ডার সংস্কারের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।