এফএনএস : মহামারি করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) সংক্রমণ ও মৃত্যুর মিছিল ক্রমেই দীর্ঘ হচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে সারাদেশে আরও ২৩৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে ভাইরাসটিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ২১ হাজার ৩৯৭ জনে। ২৪ ঘণ্টায় মৃত ২৩৫ জনের মধ্যে পুরুষ ১৪০ ও নারী ৯৫ জন। এদের মধ্যে সরকারি হাসপাতালে ১৭৩ জন, বেসরকারি হাসপাতালে ৪৬ জন ও বাড়িতে ১৫ জন মারা যান। এ ছাড়া একজনকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যুহার ১ দশমিক ৬৫ শতাংশ।
এই সময়ে করোনায় আক্রান্ত হিসেবে নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছেন আরও ১৫ হাজার ৭৭৬ জন। এ নিয়ে দেশে মোট শনাক্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১২ লাখ ৯৬ হাজার ৯৩ জনে। গতকাল মঙ্গলবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে সরকারি ও বেসরকারি ৬৩৯টি ল্যাবরেটরিতে ৫৭ হাজার ২৯৭টি নমুনা সংগ্রহ ও ৫৫ হাজার ২৮৪টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়।
এ নিয়ে মোট নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা দাঁড়াল ৭৮ লাখ ৯৯ হাজার ১৬৯টি। গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষায় শনাক্তের হার ২৮ দশমিক ৫৪ শতাংশ। গত বছরের ৮ মার্চ প্রথম রোগী শনাক্ত হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত শনাক্তের মোট হার ১৬ দশমিক শূন্য ৪১ শতাংশ। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১৬ হাজার ২৯৭ জন।
এ নিয়ে দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পর চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে ওঠা রোগীর সংখ্যা ১১ লাখ ২৫ হাজার ৪৫ জন। ২৪ ঘণ্টায় সুস্থতার হার ৮৬ দশমিক ৮০ শতাংশ। ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত ২৩৫ জনের মধ্যে দশোর্ধ্ব একজন, বিশোর্ধ্ব চারজন, ত্রিশোর্ধ্ব ১৫ জন, চল্লিশোর্ধ্ব ২৫ জন, পঞ্চাশোর্ধ্ব ৫৪ জন, ষাটোর্ধ্ব ৮০ জন, সত্তরোর্ধ্ব ৪১ জন, আশি-উর্ধ্ব ১১ জন ও নব্বই বছরের বেশি বয়সী চারজন রয়েছেন।
বিভাগওয়ারী হিসাবে দেখা গেছে, ঢাকা বিভাগে ৭৩ জন, চট্টগ্রামে ৬৫ জন, রাজশাহীতে ২১ জন, খুলনায় ৩২ জন, বরিশালে আটজন, সিলেটে ১২ জন, রংপুরে ১২ জন ও ময়মনসিংহ বিভাগে ১২ জন রয়েছেন। বাংলাদেশে করোনা প্রথম শনাক্ত হয় গত বছরের ৮ মার্চ। এর ১০ দিন পর ভাইরাসটিতে একজনের মৃত্যুর তথ্য জানায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।