১৬ আগস্ট ২০২৬
বিজ্ঞাপন
Amader Rajshahi

ভয়ংকর ডেল্টার প্রভাবে বিশ্বে চার সপ্তাহে সংক্রমণ বেড়েছে ৮০ ভাগ

প্রকাশিত: ১ আগস্ট ২০২১, ২:০৩ পূর্বাহ্ণ | বিভাগ: lead
ভয়ংকর ডেল্টার প্রভাবে বিশ্বে চার সপ্তাহে সংক্রমণ বেড়েছে ৮০ ভাগ
বিজ্ঞাপন

এফএনএস : অনেক চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে আসার পর আবারো করোনার হুমকিতে পুরো বিশ্ব। ডেল্টার কারণে বিশ্বজুড়ে সংক্রমণ ও মৃত্যু বাড়ার পর শুক্রবার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এই আশঙ্কার কথা জানায়। সংস্থাটি জানায়, বিশ্বের বেশিরভাগ অঞ্চলে ডেল্টার প্রভাবে চার সপ্তাহে সংক্রমণ বেড়েছে ৮০ শতাংশ। রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এমনটি বলা হয়। এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্র জানিয়েছে করোনার ডেল্টা ধরন জলবসন্ত, মার্স, সার্স, ইবোলার মতো রোগের জন্য দায়ী ভাইরাসের চেয়েও বেশি সংক্রামক।

এমনকি এই ধরনটি টিকার সুরক্ষা ভেদ করতেও সক্ষম। ডেল্টায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের নাকে ও গলায় ভাইরাসটির ব্যাপক উপস্থিতি থাকে। তাই ভাইরাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ পরিবর্তন হয়ে গেছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। ফ্লোরিডায় এক সপ্তাহে সংক্রমণ বেড়েছে ৫০ শতাংশ। এদিকে ডেল্টার কারণে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগির সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় টিকা নেয়া ব্যক্তিদের ইনডোর যেকোন কার্যক্রমেও মাস্ক পড়ার পরামর্শ দিয়েছে ক্যালিফোর্নিয়ার জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। এদিকে, সত্যি হলেও করোনা নিয়ে জনমনে আতঙ্ক তৈরী করে এমন কোন তথ্য প্রকাশ না করতে গণমাধ্যমগুলোকে নির্দেশনা দিয়েছে থাইল্যান্ড সরকার।

এদিকে করোনার ডেল্টা ধরন জলবসন্তের চেয়ে বেশি সংক্রামক বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্র। এর ফলে মারত্মক অসুস্থতা দেখা দিতে পারে বলেও সতর্ক করা হয়েছে। সংস্থাটির অভ্যন্তরীন এক নথির বরাত দিয়ে নিউইয়র্ক টাইমস, ওয়াশিংটন পোস্টের মতো গণমাধ্যমগুলো শুক্রবার এ তথ্য জানায়। রিপোর্ট বলা হয়, এই ধরনটি টিকার সুরক্ষা ভেদ করতেও সক্ষম।

তবে গুরুতর অসুস্থতা, হাসপাতালে ভর্তিসহ করোনায় মৃত্যু ঠেকাতে টিকার কার্যকারিতা রয়েছে বলেও নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে। নতুন এক গবেষণায় দেখা গেছে, ডেল্টায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের নাক ও গলায় ভাইরাসের ব্যাপক উপস্থিতি থাকে। মার্স, সার্স, ইবোলার মতো রোগের জন্য দায়ী ভাইরাসের চেয়েও ডেল্টা আরও বেশি সংক্রামক। তাই ভাইরাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ পরিবর্তন হয়ে গেছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহানে প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। এরপর গত বছরের ১১শে মার্চ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) করোনাকে ‘বৈশ্বিক মহামারি’ হিসেবে ঘোষণা করে। এর আগে একই বছরের ২০শে জানুয়ারি বিশ্বজুড়ে জরুরি পরিস্থিতি ঘোষণা করে সংস্থাটি। এখন পর্যন্ত বিশ্বের ২১৮টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯)।

পাঠকদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন