৮ নভেম্বর ২০২৬
বিজ্ঞাপন
Amader Rajshahi

পুঠিয়ায় বিএনপি নেতা নিখোঁজের ২ দিন পর উদ্ধার

প্রকাশিত: ২৪ জুন ২০২১, ১১:৪৬ অপরাহ্ণ | বিভাগ: রাজশাহী
পুঠিয়ায় বিএনপি নেতা নিখোঁজের ২ দিন পর উদ্ধার
বিজ্ঞাপন

পুঠিয়া সংবাদদাতা : রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলা বিএনপি নেতা তৌহিদুল ইসলাম (৪৫) নিখোঁজের দুইদিন পর উদ্ধার হয়েছেন। তিনি ভালুকগাছি ইউনিয়নের দমদমা গ্রামের আব্দুল আলিম এর ছেলে ও সৈয়দপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক। তিনি উপজেলা যুবদলের সাবেক সহসভাপতি ও বিএনপির সদস্য। তিনি ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। গত মঙ্গলবার (২২ জুন) দুপুরে তিনি বাড়ি থেকে পুঠিয়া সদর এলাকায় আসার পথে নিখোঁজ হন বলে পরিবারের পক্ষ থেকে দাবী করা হয়। এ ঘটনায় তার ভাই থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করেন।

সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান বিএনপি নেতা আনারুল ইসলাম জুম্মা বলেন, তৌহিদ মাষ্টারের নিখোঁজের বিষয়টি রহস্যজনক মনে হচ্ছে। ঘটনার দিন দুপুরে আমার ছোট ভাইকে সাথে নিয়ে ব্যাক্তিগত কাজে পুঠিয়া সদরের দিকে যাওয়ার কথা। কিন্তু তিনি আমার ভাইকে সাথে না নিয়ে একাই চলে গেছেন। এরপর সন্ধ্যার দিকে লোকমুখে শুনেছি তিনি নিখোঁজ আছেন। তার মুঠোফোনও বন্ধ রয়েছে। এ ঘটনায় তার ভাই শহিদুল ইসলাম বুধবার (২৩ জুন) থানায় একটি জিডি করেন।

ওই রাতেই তার বাড়ির নিকট রাস্তার পাশে তাকে পাওয়া যায়। এ বিষয়ে তৌহিদুল ইসলামের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তার স্ত্রী নাদিরা বেগমের সাথে কথা হয়। তিনি বলেন, মঙ্গলবার দুপরের পর থেকে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। কোথাও তার সন্ধান না পেয়ে ঘটনার পরের দিন বুধবার থানায় জিডি করা হয়। এরপর বুধবার রাতে একটি মোটসাইকেল বাড়ির কাছাকাছি এসে কে বা কারা তৌহিদুল ইসলামকে রাস্তার মোড়ে ফেলে রেখে চলে যায়।

সেখান থেকে তিনি তার ভাইয়ের নম্বরে ফোন দেন। তিনি বলেন, ওই মুহুর্তে তার একা বাড়ি আসার মত অবস্থা ছিল না। তিনি হাঁটতে পারছিলেন না। পরে আমাদের বাড়ির লোকজন গিয়ে তাকে নিয়ে আসি। সে সময় তার পরনের কাপড় ময়লা মাটিযুক্ত ছিল। বর্তমানে তিনি কারো সাথে কথা বলার মত পরিস্থিতিতে নেই। কি ভাবে তাকে তুলে নিয়ে গেছেন বা ফেরৎ দিয়ে গেছেন এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা এ বিষয়ে কিছুই বলতে চাই না।

থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সোহরাওয়ার্দী হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, তৌহিদুল ইসলাম নিখোঁজ বলে তার ছোট ভাই থানায় জিডি করেছেন। বর্তমানে তিনি বাড়িতে আছেন। পুলিশ প্রযুক্তির মাধ্যমে নওগাঁ জেলার মান্দা উপজেলার গোবিন্দগঞ্জ ইউনিয়ন এলাকায় তার ফোন নম্বর সনাক্ত করেন। তবে কি কারণে বা কিভাবে তিনি সেখানে গিয়েছেন তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

পাঠকদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন