শনিবার

২০শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

৬ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ সংবাদ
রুয়েটের ছাত্র হল-২ এ চোর সন্দেহে যুবক আটক সাপাহারে আম মৌসুমের নিরাপত্তায় বিশেষ নজরদারি রাজশাহীতে যুবকের মৃত্যুর ঘটনায় নার্সিং কলেজের ৩ শিক্ষার্থী গ্রেপ্তার পারমাণবিক ইস্যুতে মার্কিন সব শর্ত মানবে না ইরান : মোজতবা খামেনি বাংলাদেশ সীমান্তে ভারতকে পুশ-ইন বন্ধের আহ্বান জানাল হিউম্যান রাইটস ওয়াচ লালপুরে একটু বৃষ্টিতেই স্কুলের পাঠদান কক্ষে হাটু পানি শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ বাগমারায় স্থানীয়ভাবে উদ্ভাবিত প্রযুক্তির প্রয়োগ ও সম্প্রসারণ বিষয়ে সেমিনার ও প্রদর্শনী নিরাপত্তার ঘেরাটোপ যেন জনগণ থেকে দূরে না ঠেলে : প্রধানমন্ত্রী অটোরিকশার অতিরিক্ত ভাড়া আদায় ঠেকাতে মাঠে রাসিকের রাজস্ব বিভাগ স্বাস্থ্য ঝুঁকি কমাতে সাশ্রয়ী প্যাকেজিংয়ে নিরাপদ ভোজ্যতেল নিশ্চিতের আহ্বান

রামেক হাসপাতালে ভর্তি করোনা রোগীর ৬০ ভাগই গ্রামাঞ্চলের

Paris
Update : মঙ্গলবার, ২২ জুন, ২০২১

স্টাফ রিপোর্টার : সম্প্রতি রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ভর্তি হওয়া রোগীর প্রায় ৬০ ভাগই গ্রাম থেকে আসা। আর রেকর্ড সংখ্যক রোগী ভর্তি হওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন রামেক হাসপাতাল পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম ইয়াজদানী। তিনি বলেন, নতুন ভর্তি রোগীর প্রায় ৬০ শতাংশই গ্রাম থেকে এসেছেন। বর্তমানে গ্রামের পরিস্থিতি ভয়াবহ উয়ে উঠেছে। শামীম ইয়াজদানী বলেন, সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে না পারায় থামানো যাচ্ছে না করোনার সংক্রমণ।

তাই এখন রোগীর সংখ্যা প্রতিদিনই রেকর্ড ভাংছে। তবে এখনো সময় ফুরিয়ে যায়নি জানিয়ে, সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টাই এই মহারারি মোকাবেলা সম্ভব বলে জানান তিনি। গতকাল সোমবার রামেক হাসপাতালে করোনার চিকিৎসা ও সংক্রমণের সর্বশেষ পরিস্থিতি নিয়ে ব্রিফিং-এ এসব কথা জানান হাসপাতাল পরিচালক। হাসপাতালের তথ্য বলছে, করোনা ইউনিটে গত ২৪ ঘন্টায় আরও ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে ৪ জন পুরুষ ও ৯ জন নারী।

যাদের ৬ জনের করোনা পজেটিভ ছিল। বাকিরা উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। আর গত ২৪ ঘন্টায় রামেক হাসপাতালে করোনা ও উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হয়েছেন ৬২ জন। এমন পরিস্থিতিতে হাসপাতালের ৩০৯ বেডের বিপরীতে মোট ভর্তি রোগী আছেন ৪০২ জন। হাসপাতালে নতুন ভর্তি ৬২ রোগীর মধ্যে গ্রাম থেকে আসা ৩৬ জন আর শহরের ২৬ জন।

এছাড়া সোমবার সকাল পর্যন্ত ৩০৯ বেডের বিপরীতে মোট ভর্তি রোগী আছেন ৪০২ জন। এরমধ্যে রাজশাহীতে ২৬৪ জন, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ৭০ জন, নাটোরের ৩০ জন, নওগাঁর ২৯ জন, পাবনার ৫ জন, কুষ্টিয়ার ২ জন এবং চুয়াডাঙ্গার ২ জন রয়েছেন। আইউসিইউতে ভর্তি আছেন ১৯ জন।

এদিকে, ধীরে ধীরে গ্রামে সংক্রমন বৃদ্ধি পাওয়ায় গ্রামাঞ্চলে স্থানীয় প্রশাসন, আইশৃঙ্খলাবাহিনী, বিভিন্ন সেচ্ছাসেবকসহ দায়িত্বরত সকলকে স্বাস্থ্যবিধির বিষয়ে নিশ্চিত করার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। হাসপাতাল পরিচালক আরো জানান, গত রোববার সকাল ৬টা থেকে গতকাল সোমবার সকাল ৬টার মধ্যে বিভিন্ন সময় তারা মারা যান।

মৃতদের মধ্যে রাজশাহীর ৩ জন, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ৬ জন, নাটোরের ৩ জন এবং নওগাঁর ১ জন। এ নিয়ে চলতি মাসের গত ২১ দিনে (১ জুন সকাল ৬টা থেকে ২১ জুন সকাল ৬টা পর্যন্ত) এ হাসপাতালের করোনা ইউনিটে মারা গেলেন ২১৬ জন। এদিকে, সীমান্তবর্তী জেলা রাজশাহীতে গত ১১ জুন থেকে চলছে ‘বিশেষ লকডাউন’। এরপরও রামেক হাসপাতালের করোনা ইউনিটে মৃত্যুর সংখ্যা কমছে না।

সেই সঙ্গে রোগীর সংখ্যাও বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে করোনা রোগীদের জায়গা দেওয়া সম্ভব না হওয়ায় হাসপাতালের আরো একটি সাধারণ ওয়ার্ডকে করোনা ওয়ার্ডে রূপান্তর করার কাজ চলছে। করোনা রোগীদের জন্য হাসপাতালের ১৭ নম্বর ওয়ার্ডে এখন অক্সিজেন সরবরাহ লাইনের কাজ চলছে বলে জানান পরিচালক শামীম ইয়াজদানী।


আরোও অন্যান্য খবর
Paris