শনিবার

২০শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

৬ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ সংবাদ
রুয়েটের ছাত্র হল-২ এ চোর সন্দেহে যুবক আটক সাপাহারে আম মৌসুমের নিরাপত্তায় বিশেষ নজরদারি রাজশাহীতে যুবকের মৃত্যুর ঘটনায় নার্সিং কলেজের ৩ শিক্ষার্থী গ্রেপ্তার পারমাণবিক ইস্যুতে মার্কিন সব শর্ত মানবে না ইরান : মোজতবা খামেনি বাংলাদেশ সীমান্তে ভারতকে পুশ-ইন বন্ধের আহ্বান জানাল হিউম্যান রাইটস ওয়াচ লালপুরে একটু বৃষ্টিতেই স্কুলের পাঠদান কক্ষে হাটু পানি শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ বাগমারায় স্থানীয়ভাবে উদ্ভাবিত প্রযুক্তির প্রয়োগ ও সম্প্রসারণ বিষয়ে সেমিনার ও প্রদর্শনী নিরাপত্তার ঘেরাটোপ যেন জনগণ থেকে দূরে না ঠেলে : প্রধানমন্ত্রী অটোরিকশার অতিরিক্ত ভাড়া আদায় ঠেকাতে মাঠে রাসিকের রাজস্ব বিভাগ স্বাস্থ্য ঝুঁকি কমাতে সাশ্রয়ী প্যাকেজিংয়ে নিরাপদ ভোজ্যতেল নিশ্চিতের আহ্বান

রাজশাহীতে মাথা গোঁজার ঠাঁই পেলেন ৮৫৪ গৃহহীন

Paris
Update : সোমবার, ২১ জুন, ২০২১

স্টাফ রিপোর্টার : জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী-মুজিববর্ষ উপলক্ষে দ্বিতীয় ধাপে রাজশাহীতে এবার মাথা গোাঁজার ঠাঁই পেলেন ৮৫৪ জন গৃহহীন পরিবার। আশ্রয়ন-২ প্রকল্পের আওতায় দ্বিতীয় পর্যায়ে তারা সরকারের পক্ষ থেকে পাকাবাড়ি পেলেন। গতকাল রোববার গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে এসব পরিবারকে মুজিববর্ষের উপহার হিসেবে বিনামূল্যে দুই শতক জমিসহ সেমিপাকা ঘর দেওয়া কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রাজশাহী জেলা প্রশাসক আবদুল জলিল জানান, ১৬ কোটি ২২ লাখ ৬০ হাজার টাকা ব্যয়ে রাজশাহীর ৯ উপজেলায় ৮৫৪টি পরিবারের উপজেলায় ঘর নির্মাণ করা হয়েছে।

গতকাল রোববার ভার্চ্যুয়াল অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এসব বাড়ি হস্তান্তর কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপরই সারদেশের মতো রাজশাহীতেও ঘর হস্তান্তর কার্যক্রম শুরু হয়। এর আওতায় রাজশাহীর পবা উপজেলায় ৫০টি, গোদাগাড়ীতে ৪০৩টি, তানোরে ১০৫টি, মোহনপুরে ৫০টি, বাগমারায় ৭৭টি, দুর্গাপুরে ১৪টি, পুঠিয়ায় ১১০টি, চারঘাটে ১০টি এবং বাঘায় ৩৫টি পরিবার নিজের জমিসহ ঘর পান। স্বামী-স্ত্রী দুইজনের যৌথ নামে এ বাড়ির দলিল করে দেওয়া হয়েছে।

তাদের নামে স্থায়ী দলিল করে দেওয়ার পাশাপাশি নামজারি করে খাজনা দাখিলাও দেওয়া হয়েছে। দ্বিতীয় পর্যায়ে গৃহহীন পরিবারবে দুই শতক জমির মালিকানাসহ সেমিপাকা ঘর উপহার পান। সেমিপাকা এসব বাড়িতে আছে দু’টি রুম, একটি বড় বরান্দা, রান্না ঘর ও টয়লেট। পাশাপাশি সুপেয় পানি ও বিদ্যুৎ ব্যবস্থা। এছাড়া আত্মনির্ভরশীল করতে ওইসব পরিবারের সদস্যদের কর্মসংস্থানের জন্য নানা ধরনের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা রয়েছে বলেও জানান জেলা প্রশাসক।

তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার কয়েক হাজার কোটি টাকা ব্যয় করে এসব প্রকল্প কোনো টেন্ডার ছাড়াই বাস্তবায়ন করছে। এসব কাজ উপজেলা কমিটি বাস্তবায়ন করছে। তবে গতবারের চেয়ে এবার কিছুটা খরচ বেড়েছে। এবার প্রতিটি বাড়ি নির্মাণ করতে খরচ পড়েছে এক লাখ ৯০ হাজার টাকা। আগামীতে আরও ঘর দেওয়া হবে। যেসব উপজেলার থেকে যত আবেদন পড়ছে সেই উপজেলায় ওই পারিমাণেই ঘর দেওয়া হচ্ছে। যতদিন পর্যন্ত জেলায় গৃহহীন থাকবে, ততদিন পর্যন্ত এসব প্রকল্প চলবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।


আরোও অন্যান্য খবর
Paris