বাগমারায় বাড়িতে যওয়ার রাস্তায় বাঁশের বেড়া, অবরুদ্ধ এক পরিবার!
হাটগাঙ্গোপাড়া সংবাদদাতা : রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার নরদাশ ইউনিয়নের মাদিলা গ্রামে বসত বাড়িতে যাবার রাস্তায় বাঁশের বেড়া দিয়ে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েঝে এক পরিবারকে। ভুক্তভোগী ব্যক্তির নাম মো: লিয়াকত আলী। তিনি মাদিলা গ্রামের মৃত বানী প্রামানিকের ছেলে।
সরেজমিনে দেখা গেছে লিয়াকত আলী, তার স্ত্রী-পুত্র পরিবার নিয়ে দীর্ঘ ২৫ বছর যাবৎ তার বসতবাড়ি মাদিলায় বসবাস করে আসছেন। সম্প্রতি একই গ্রামের তার প্রতিপক্ষ মৃত সাবু প্রাং এর দুই ছেলে খয়বর আলী ও আমিনুল ইসলাম পাড়ার কিছু সাঙ্গ-পাঙ্গ নিয়ে লিায়কত আলীর বাড়িতে যাবার রাস্তায় বাঁশের বেড়া দিয়ে তাদেরকে অবরুদ্ধ করে। উপায় অন্তর না দেখে লিয়াকত আলী স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের নিকট অভিযোগ দাখিল করেন।
এদিকে লিয়াকত আলীর ছেলে মাহাবুর রশিদ বলেন, অভিযোগের তিন মাস অতিবাহিত হলেও চেয়ারম্যান সাহেব আমাদের ফায়সালা দিতে পারেননি। তিনি পর পর দুই দিন দিন আসামি পক্ষকে লিখিত নোটিশের মাধ্যমে মাধ্যমে তার দফতরে ডেকেছেন কিন্তু তারা উপস্থিত হননি। চেয়ারম্যান সাহেব আমাদের লিখিত প্রত্যায়ন দিয়ে ঊর্ধতন প্রশাসন কর্তৃপক্ষের শরনাপন্ন হবার পরামর্শ দিয়েছেন।
এ থেকে এটাই প্রতিয়মান হয় যে, তারা দেশের প্রচলিত কোন আইন মানেন না। তারা এই বিষয়কে কেন্দ্র করে বড় ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকান্ড ঘটানোর অপচেষ্টা করছে। আমি আপনাদের মাধ্যমে প্রশাসনের সদয় দৃষ্টি কামনা করছি। প্রতিবেশীদের অনেকেই বলেছেন এ ভাবে বেড়া দিয়ে কারো রাস্তা বন্ধ করা কোন সভ্য মানুষের কাজ নয়।
গ্রামে এই প্রথম আমরা এরকম কর্মকান্ড দেখছি। এ বিষয়ে কথা বলার জন্য মো: খয়বর আলী ও মো: আমিনুল ইসলামের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে, তারা ফোন রিডিসভ করেননি। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মতিউর রহমান (মতিন) জানান, অভিযোগ পাওয়ার পর আমি আমার ইউপি সদস্যদের দ্বারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি।
আমার জানা মতে বাদী পক্ষ বিবাদীর দ্বারা ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। বাদী যেন সুবিচার পায় সে জন্য আমি তাদের লিখিত প্রতিবেদন দিয়েছি। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত উপজেলা নির্বাহী অফিসে অভিযোগের প্রস্তুতি চলছিল।
