স্টাফ রিপোর্টার : রাজশাহী নগরীর রাজপাড়া থানাধীন ভাটাপাড়া এলাকার বারইপাড়া স্কুল সংলগ্ন স্থানে একটি বিশালাকার পুকুর কৌশল অবলম্বনে রাতের আঁধারে ভরাট করার অভিযোগে তিনটি ট্রাকসহ চালক ও দুইজন পুকুর মালিকে নগর ডিবি পুলিশ গত ৫ এপ্রিল রাতে গ্রেফতার করে রাজপাড়া থানাতে সৌপর্দ করেন। গ্রেফতারকৃতরা হলেন, হামিম ইসলাম পিতা সালাউদ্দীন আজাদ, সজিব ইসলাম পিতা আঃ আজিজ, সোহেল রানা পিতা মৃত সালেকুজ্জামান, কবির হোসাইন পিতা মৃত ফরিদ উদ্দীন, তুষার পিতা আব্দুল রাজ্জাক। বিষয়টি নিয়ে গ্রেফতারকৃতদের স্বজনদের মধ্যে অসন্তোষ বিরাজ করছে।
উপরন্তু, কোন অপরাধের কোন ধারাতে তাদের বিজ্ঞ আদালতে চালান দেওয় হবে সেটি নিয়েও বিব্রতকরবস্থায় পড়েন রাজপাড়া থানা পুলিশ। থানার দায়িত্বরত একাধিক পুলিশ কর্মকর্তা জানান, পুকুর কিংবা জলাশয় ভরাট করার দায়ে প্রশাসন কাউকে সরাসরি গ্রেফতার করে থানাতে আনতে পারেন না। কিন্তু, ঊর্দ্ধতন প্রশাসনের ঐ কর্মকর্তার নির্দেশে থানা পুলিশ এক প্রকার বাধ্য হয়েই তাদের আটক রাখে। তবে গতকাল মঙ্গলবার বিকালে আটকদের থানা হাজত থেকে ছেড়ে দেয়া হয়। রাজপাড়া থানার ওসি মাজহার গতকাল রাতে জানান, আটককৃতদের ছেড়ে দেয়া হয়েছে।
এছাড়া পুকুর ভরাটের বিষয়টি নিয়ে জেলার পরিবেশ অধিদপ্তর ও সিটি কর্পোরেশনকে অবহিত করে পত্র প্রেরণ করা হয়েছে। এ বিষয়ে রাজশাহী পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মিজানুর রহমানের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের লিখিত অনুমতি ব্যতীত যদি শহরের কোন স্থানে পুকুর কিংবা জলাশয় কেউ ভরাট করেন তবে অভিযোগের ভিত্তিতে পরিবেশ অধিদপ্তরের ম্যাজিস্ট্রেট এর সহায়তায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা সাপেক্ষে আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ করার নিয়ম রয়েছে। এছাড়াও উক্ত ভরাট কার্যক্রম বন্ধ করার জন্য প্রশাসনের সহোযোগিতাও নেয়া যায়।