রবিবার

১৪ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

৩১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ সংবাদ
যতক্ষণ প্রাণ থাকবে, দেশ ও দেশের মানুষের জন্য কাজ করে যাব: প্রধানমন্ত্রী রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঁচ দিনব্যাপী ইন-হাউস প্রশিক্ষণ কর্মশালা লন্ডনে আন্তর্জাতিক ইংরেজি ভাষায় বিতর্ক প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছেন রাজশাহীর ত্বাকি সবুজ ও সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে : এমপি মিলন রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান হিসাবে নিয়োগ পেলেন বিএনপি নেতা সুইট বৃদ্ধ খুন : নওগাঁয় মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে আসামিপক্ষের বাড়িতে ভয়াবহ হামলা-আগুন হামলা থেকে সরে এসে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষের ঘোষণা দিলেন ট্রাম্প লালপুরে প্রতিবন্ধীদের হুইল চেয়ার ও নারীদের হাতে সেলাই মেশিন তুলে দিলেন প্রতিমন্ত্রী পুতুল ভারী বর্ষণে রুয়েটের আবাসিক হলে জলাবদ্ধতা, দুর্ভোগে শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে জ্ঞানচর্চার উপযুক্ত পরিবেশ দিতে পারলে নিরাপদ বাংলাদেশ গড়া সম্ভব : এমপি মিলন

গ্রামীণফোনের বিরুদ্ধে তথ্য পাচারের মামলার প্রতিবেদন ২৯ এপ্রিল

Paris
Update : শুক্রবার, ২৬ মার্চ, ২০২১

এফএনএস : গ্রাহকদের তথ্য প্রতারক চক্রের কাছে পাচারের অভিযোগে গ্রামীণফোনের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৯ এপ্রিল দিন ধার্য করেছেন আদালত। গতকাল বৃহস্পতিবার ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শহিদুল ইসলামের আদালতে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য ছিল। কিন্তু মামলার তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদন দাখিল করতে না পারায় আদালত নতুন এ দিন ধার্য করেন। এর আগে ১৫ ডিসেম্বর রাজধানীর হাতিরঝিল থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে এ মামলা করে পুলিশ।

ডিএমপির তেজগাঁও জোনের উপকমিশনার (ডিসি) হারুন-অর-রশীদ জানান, বিটিআরসির নীতিমালা ভেঙে গ্রাহকদের তথ্য পাচার করায় গ্রামীণফোনের বিরুদ্ধে মামলাটি করা হয়। এ ঘটনায় দুজন গ্রেপ্তার রয়েছেন। তারা হলেনÑগ্রামীণফোনের কাস্টমার সার্ভিস ম্যানেজার রুবেল মাহমুদ অনিক ও প্রতারক পারভীন আক্তার। হারুন-অর-রশিদ বলেন, আমাদের কাছে চক্রটির হাতে প্রতারিত হওয়া ছয় ব্যক্তি অভিযোগ করেন। তাদের অভিযোগের ভিত্তিতে মামলাটি করা হয়।

তিনি আরও বলেন, প্রতারক চক্রটির কাছে গ্রামীণফোনের কিছু অসৎ কর্মচারী গ্রাহকদের সিম নিবন্ধনের তথ্য থেকে নানা ধরনের তথ্য দীর্ঘদিন ধরে পাচার করে আসছিল। পরে ওই চক্রটি গোপন তথ্য ফাঁস করার ভয় দেখাতো সমাজের উঠতি বয়সের ধনাঢ্য ব্যক্তিদের। চক্রটি তাদের বলতো, আপনার গোপন তথ্য আমাদের কাছে আছে। আমাদের টাকা না দিলে এ তথ্য ফাঁস করে দেবো। পরে সামাজিক হয়রানি ও মর্যাদাহানির ভয়ে অনেকে তাদের অর্থ দিতে বাধ্য হতেন। এভাবে তথ্য দিয়ে ব্ল্যাকমেইলিং করে চক্রটি লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিতো।


আরোও অন্যান্য খবর
Paris