২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বিজ্ঞাপন
Amader Rajshahi

প্রথম দিনেই নাসিরের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আসেননি পরীমনি

প্রকাশিত: ১ আগস্ট ২০২২, ৮:৪০ অপরাহ্ণ | বিভাগ: বিনোদন
প্রথম দিনেই নাসিরের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আসেননি পরীমনি
বিজ্ঞাপন

ঢাকার বোটক্লাবে পরীমনিকে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে করা মামলায় ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদ ও তুহিন সিদ্দিকী অমিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণের প্রথম দিনই সাক্ষ্য দিতে আসেননি মামলার বাদী। গতকাল সোমবার ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৯ এর বিচারক হেমায়েত উদ্দিনের আদালতে মামলার সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য দিন ধার্য ছিল। তবে মামলার বাদী পরীমনি অসুস্থ থাকায় সাক্ষ্য দিতে আদালতে উপস্থিত হতে পারেননি। এজন্য রাষ্ট্রপক্ষ সাক্ষ্য গ্রহণ পেছানোর জন্য সময়ের আবেদন করে। আদালত সময়ের আবেদন মঞ্জুর করে ২৯ নভেম্বর মামলার সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য দিন ধার্য করেন। পরীমনির আইনজীবী নীলাঞ্জনা রিফাত সুরভি বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, পরীমনি অন্তঃসত্ত্বার শেষ পর্যায়ে রয়েছে। এখন তার চলাফেরা করা নিষেধ আছে। এজন্য সাক্ষ্যগ্রহণ পেছানোর জন্য আবেদন করা হয়েছিল। আদালত তা মঞ্জুর করে আগামী ২৯ নভেম্বর সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য পরবর্তী দিন ধার্য করেছেন। এর আগে ১৮ মে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৯ এর বিচারক হেমায়েত উদ্দিন আসামি নাসিরসহ তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। একই সঙ্গে মামলার সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ১ আগস্ট দিন ধার্য করেছে। অভিযোগ গঠনের সময় নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন নাসিরসহ তিন আসামি।

নাসিরের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ১০ ধারা এবং দণ্ডবিধি আইনের ৩২৩ ও ৫০৬ ধারায় অভিযোগ গঠন করেন আদালত। অপর দুই আসামির বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ১০ এর ৩০ ধারায় অভিযোগ গঠন করেন। ২০২১ সালের ১৪ জুন ধর্ষণ-হত্যাচেষ্টার অভিযোগে নাসির উদ্দিন ও তার বন্ধু অমির নাম উল্লেখ করে এবং চারজনকে অজ্ঞাত আসামি করে পরীমনি ঢাকার সাভার থানায় মামলা করেন। এরপর বিষয়টি নিয়ে তৎপর হয় পুলিশ। মামলার এজাহারে বলা হয়, গত ৮ জুন রাত সাড়ে ১১টার দিকে তার বনানীর বাসা থেকে কস্টিউম ডিজাইনার জিমি (৩০), অমি (৪০) ও বনিসহ (২০) দুটি গাড়িতে করে তারা উত্তরার উদ্দেশ্যে রওনা হন।

পথে অমি বলে বেড়িবাঁধের ঢাকা বোটক্লাবে তার দুই মিনিটের কাজ আছে। অমির কথামতো তারা সবাই রাত আনুমানিক ১২টা ২০ মিনিটের দিকে ঢাকা বোটক্লাবের সামনে গিয়ে গাড়ি দাঁড় করায়। কিন্তু বোটক্লাব বন্ধ হয়ে যাওয়ায় অমি কোনো এক ব্যক্তির সঙ্গে ফোনে কথা বলেন। তখন ঢাকা বোট ক্লাবের সিকিউরিটি গার্ডরা গেট খুলে দেয়। অমি ক্লাবের ভেতরে গিয়ে বলে এখানকার পরিবেশ অনেক সুন্দর, তোমরা নামলে নামতে পারো। এজাহারে আরও বলা হয়, তখন আমার ছোট বোন বনি প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে বোটক্লাবে প্রবেশ করে ও বারের কাছের টয়লেট ব্যবহার করে। টয়লেট থেকে বের হতেই এক নম্বর বিবাদী নাসির উদ্দিন মাহমুদ আমাদের ডেকে বারের ভেতরে বসার অনুরোধ করেন ও কফি খাওয়ার প্রস্তাব দেন। আমরা বিষয়টি এড়িয়ে যেতে চাইলে অমিসহ এক নম্বর আসামি মদপানের জন্য জোর করেন।

পাঠকদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন