২৮ অক্টোবর ২০২৬
বিজ্ঞাপন
Amader Rajshahi

রাজশাহীতে করোনা ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে সাংবাদিকদের নিয়ে সচেতনতামূলক কর্মশালা

প্রকাশিত: ১৩ জানুয়ারি ২০২১, ৫:১১ পূর্বাহ্ণ | বিভাগ: রাজশাহী
রাজশাহীতে করোনা ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে সাংবাদিকদের নিয়ে সচেতনতামূলক কর্মশালা
বিজ্ঞাপন

স্টাফ রিপোর্টার : করোনা ও ডেঙ্গু প্রতিরোধ বিষয়ে রাজশাহীতে সাংবাদিকদের নিয়ে সচেতনতামূলক একদিনের কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবাার সকাল থেকে রাজশাহী জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সভাকক্ষে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। কর্মশালায় বিশ্ব জুড়ে আতঙ্ক সৃষ্টিকারী করোনাভাইরাস কোভিড-১৯ ও ডেঙ্গু প্রতিরোধ বিষয়ে বিভিন্ন আলোচনা হয়। করোনা ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিভিন্ন দিক তুলে ধরে বক্তব্য দেন, রাজশাহী জেলা সিভিল সার্জন ডা. কাইয়ুম তালুকদার।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সচেতনতায় মানুষকে যেসব কাজ করতে হবে তার মধ্যে রয়েছে, সাবান পানি দিয়ে কমপক্ষে ২০ সেকেন্ড হাত ধোয়া, বার বার হাত পরিষ্কার করা, প্রয়োজনে হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করা। হাত না ধুয়ে চোখ, মুখ ও নাক স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকা ও যেখানে সেখানে থুথু না ফেলা। হাঁচি-কাশির সময় একটি টিস্যু অথবা কাপড়/রুমাল দিয়ে বাহুর ভাজে নাক-মুখ ফেলা, ব্যবহৃত টিস্যু ঢাকনাযুক্ত ময়লার পাত্রে ফেলা, কাপড় অথবা রুমাল ও হাত সাবান দিয়ে ধুয়ে ফেলা।

এছাড়াও আক্রান্ত ব্যক্তি হতে তিন ফুট দূরত্ব বজায় রাখা ও নিরাপত্তার জন্য মাক্স ব্যবহার করা। ডেঙ্গুর বিষয়ে জানানো হয়, ডেঙ্গু একটি ভাইরাসজনিত জ্বর যা এডিস মাধ্যমে ছড়ায়। সাধারণ চিকিৎসাতেই ডেঙ্গু জ্বর সেরে যায। তবে ডেঙ্গু শক সিনড্রোম এবং হেমোরেজিক ডেঙ্গু জ্বর মারাত্মক হতে পারে। বর্ষার সময় এ রোগের প্রকোপ বাড়তে পারে। এডিস মশার বংশবৃদ্ধি রোধ এর মাধ্যমে ডেঙ্গু জ্বর প্রতিরোধ করা যায়। ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয়, ঘরের আশেপাশে যে কোন পাত্রে বা জায়গায় জমে থাকা পানি সপ্তাহে একবার ফেলে দিতে হবে।

ব্যবহৃত পাথরের গায়ে লেগে থাকা মশার ডিম অপসারণে পাত্রটি ঘষে ঘষে পরিষ্কার করা, ফুলের টব, প্লাস্টিকের পাত্র, পরিত্যক্ত টায়ার, প্লাস্টিকের ড্রাম, মাটির পাত্র, বালতি, টিনের কৌটা, ডাবের খোসা, নারিকেলের মালা, ফাস্ট ফুড কন্টেইনার, মটকা ও ব্যাটারিতে এসিড মশা ডিম পাড়ে। অব্যবহৃত পানির পাত্র ধ্বংস অথবা উল্টে রাখতে হবে ও দিনে অথবা রাতে ঘুমানোর সময় অবশ্যই মশারী ব্যবহার করতে হবে। কর্মশালায় আরো উপস্থিত ছিলেন, ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মো. রাজিউল হক, এমওসিএস ডা. বান্নাবাস হাসদাক ও জেলা ইপিআই সুপারিনটেনডেন্ট নূর মোহাম্মদ।

পাঠকদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন