পথশিশুদের মাঝে খাবার বিতরণ
স্টাপ রিপোর্টার : মাগরিব আজান হতে সময় আছে মাত্র পনের মিনিটের মতো। হঠাৎ করে মাঝারি আকৃতির একটি প্রাইভেটকার এসে দাড়াল রেললাইনের সম্মুখে। গাড়ির ভেতর থেকে জানাল দিয়ে বের হলো দুটো প্যাকেট। রাস্তায় দাড়িয়ে থাকা দুজন পথশিশু প্যাকেট দুটো হাতে নেয়া মাত্রই আশেপাশে অবস্থান করা আরো পনের বিশজন পথশিশুসহ মাঝবয়সী একাধিক ব্যক্তি ও মহিলা মুহুর্তের মধ্েযই ঘিরে ফেললো গাড়িটিকে।
সবার উদ্দেশ্য আর আকাঙ্খা একটাই। যেভাবেই হোক, নিতে হবে প্যাকেট। কেউ পেলো আবার কেউবা পেলনা। যার পেশিশক্তি বেশি সে পেল আর যার কম সে হলো বঞ্চিত। যেটাই হোক সর্বসাক্যুলে বিশটির মতো প্যাকেট বিতরণ হলো চোঁখের পলকের মধ্েযই। কে ছিলেন ঐব্যক্তি, কি তাঁর পরিচয়; কেনোইবা দিলেন পথশিশু আর গরিবদুখিদেরকে ঐ প্যাকেটগুলো? করোনাকালিন এই দুর্সময়ে ঐসকল প্রশ্নের উত্তর না পেলেও কোন ক্ষতি নেই।
বড়কথা হলো দেশে যখন ক্লান্তিকাল চলমান, দেশে যখন অভাব অনটনের কড়াল গ্রাসের কিছুটা হাতছানি তখন, এমনই মানবিকতা প্রয়োজন। যেখানে থাকবেনা কোন ফটোশেসন, থাকবেনা কোন রাজৈনতিক, ব্যক্তি কিংবা কর্পোরেট কোন উদ্দেশ্য। সুনির্দিষ্ট কোন উদ্দেশ্যবিহীন এমনই সহোযোগিতার হাত প্রয়োজন। সেটা হোকনা কিঞ্চিত পরিমাণ। কারণ, বিন্দু বিন্দু জলে সিন্ধুর সৃষ্টি। তাই ছোট ছোট উপকার একত্রিত করলে সেটিই একসময় বিশাল পরিসর সৃস্টি করবে।
