রবিবার

১৪ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

৩১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ সংবাদ
যতক্ষণ প্রাণ থাকবে, দেশ ও দেশের মানুষের জন্য কাজ করে যাব: প্রধানমন্ত্রী রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঁচ দিনব্যাপী ইন-হাউস প্রশিক্ষণ কর্মশালা লন্ডনে আন্তর্জাতিক ইংরেজি ভাষায় বিতর্ক প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছেন রাজশাহীর ত্বাকি সবুজ ও সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে : এমপি মিলন রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান হিসাবে নিয়োগ পেলেন বিএনপি নেতা সুইট বৃদ্ধ খুন : নওগাঁয় মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে আসামিপক্ষের বাড়িতে ভয়াবহ হামলা-আগুন হামলা থেকে সরে এসে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষের ঘোষণা দিলেন ট্রাম্প লালপুরে প্রতিবন্ধীদের হুইল চেয়ার ও নারীদের হাতে সেলাই মেশিন তুলে দিলেন প্রতিমন্ত্রী পুতুল ভারী বর্ষণে রুয়েটের আবাসিক হলে জলাবদ্ধতা, দুর্ভোগে শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে জ্ঞানচর্চার উপযুক্ত পরিবেশ দিতে পারলে নিরাপদ বাংলাদেশ গড়া সম্ভব : এমপি মিলন

নিয়ামতপুরে স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও কৃষি অফিস খোলা থাকেলেও নেই কর্মকর্তা!

Paris
Update : শুক্রবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২১

নিয়ামতপুর থেকে প্রতিনিধি : করোনাকালীন ২য় ডেউয়ে মানুষের মৃত্যুমিছিল যখন বাড়ছে, অসুস্থ্যরা ছুটছেন স্বস্থ্যকেন্দ্রের দিকে ঠিক তখনই নিয়ামতপুর উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ক’দিন ধরেই অনুপস্থিতি স্বাস্থ্য কর্মকর্তার। করোনার এ মহাদূর্যোগে খোদ স্বাস্থ্য কর্মকর্তার এমন অনুপস্থিতি সকলকে ভাবিয়ে তুলেছে। এমন পরিস্থিতিতে হাসপাতালের গুরুতর সিদ্ধান্ত নিতেও হিমসিম খাচ্ছেন অন্য চিকিৎসকরা। দেশব্যপি চলছে সরকারী নির্দেশনায় ৭দিনের বিশেষ লকডাউন। এ লকডাউনে জরুরী বিভাগ ছাড়া সকল দপ্তর বন্ধ রয়েছে। কিন্তু নিয়ামতপুরের জরুরী দু’টি বিভাগের স্বাস্থ্য বিভাগ ও কৃষি অফিস খোলা থাকেলেও অফিসে নেই কর্মকর্তা। এতে ব্যাহত হচ্ছে মানুষের কাঙ্খিত সেবা।

গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় সরেজমিনে নিয়ামতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বহিঃবিভাগে দেখা যায় রোগীর অনেক ভীড়। এদের মধ্যে বেশীর ভাগই ছিলো স্বর্দিজ্বরে আক্রান্ত রোগী। চিকিৎসক কম থাকায় হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের অপেক্ষা করতে হচ্ছে। এরপর স্বাস্থ্য কর্মকর্তার রুমে গেলে তাকে অফিসে পাওয়া যায়নি। পরে জরুরী বিভাগে কর্মরত ডাঃ ফয়সাল নাহিদ পবিত্রর সাথে কথা হলে তিনি জানান, আমাদের স্যার (স্বাস্থ্য কর্মকর্তা) ছুটিতে আছেন।

এ কারনে আমার ডিউটি না থাকা সত্বেও আমাকে রোগী দেখতে হচ্ছে। নিয়ামতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ তোফাজ্জল হোসেসের সাথে মুঠোফনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আমি ছুটিতে আছি। করোনাকালীন সময়ে স্বাস্থ্যকর্মকর্তার ছুটি নেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ছুটি নেওয়া যাবেনা এরকম কোন প্রজ্ঞাপন তো জারি হয়নি। তিনি বলেন, বুধবার বৈশাখী ছুটি ছিল, বৃহস্পতিবার সিভিল সার্জন থেকে ছুটি নিয়েছি। তাছাড়া শুক্রবার-শনিবার সরকারী ছুটি। এ করনে তিনি মঙ্গলবার বেলা ১টার দিকে নওগাঁ সিভিল সার্জন অফিসে কাজ সেরে দেশের বাড়ি গেছেন।

এ ঘটনায় জানতেচাইলে নওগাঁ জেলা সিভিল সার্জন ডাঃ এবিএম আবু হানিফ মুঠোফোনে জানান, নিয়ামতপুরের উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ তোফাজ্জল হোসেন আমার কাছে থেকে ছুটি নেননি। এমনকি তিনি এ করোনা কালীন সময়ে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বাইরে থাকতে পারেন না। আমি এ বিষয়ে খোজখবর নিচ্ছি। তিনি এমন দূর্যোগের সময়ে অফিসে না থাকলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

অপরদিকে কৃষি প্রধান দেশ হওয়ায় এবং কিছুদিনের মধ্যে বোরো ধান কৃষকের ঘরে উঠবে বলে কৃষি দপ্তর খুলে রাখার প্রজ্ঞাপনে নির্দেশ দেন সরকার। সরজমীনে উপজেলা কৃষি অফিসে উপস্থিত হলে দেখা মিলেনি কৃষি কর্মকর্তার সাথে। কৃষি সম্প্রসারন কর্মকর্তার সাথে সকাল ১১টার সময় কথা হলে তিনি বলেন স্যার এখনও আসেননি অফিসে। অনুপস্থিতি নিয়ে নিয়ামতপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আমীর আব্দুল্লাহ মোঃ ওয়াহেদুজ্জামানের সাথে মুঠো ফোনে কথা হলে তিনি জানান, আমি অফিসের কাজে নওগাঁ বিএডিসি সার গুদামে আছি।

কাজ সেরে অফিসে আসবো। নওগাাঁ জেলা কৃষি কর্মকর্তা শামশুল ওয়াদুত এর সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি বলেন, আমি জানি সে তার নিয়ামতপুর অফিসে থাকবে। আমি জেনে আপনাকে জানাচ্ছি। এরপর তিনি কলব্যাক করে জানান, নিয়ামতপুরে কোন এক মাঠ পরিদর্শনে গেছেন তিনি। এ করোনার সময়ে তার কর্ম এলাকার বাইরে যেতে পারেনা এবং জেলায় আসলে আমি তো জানবো।


আরোও অন্যান্য খবর
Paris