২৭ জুলাই ২০২৬
বিজ্ঞাপন
Amader Rajshahi
শিরোনাম
রাজশাহীতে ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধ ও জলাবদ্ধতা নিরসনে রেডার সাথে মতবিনিময় সভা১৩ দিন পর ইরানে হামলা স্থগিত করতে কেন বাধ্য হলেন ট্রাম্পসেনাবাহিনীতে পদোন্নতিতে যোগ্যতা-নেতৃত্বগুণকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীরসেমিকন্ডাক্টর খাত অর্থনীতির নতুন গন্তব্য : প্রধানমন্ত্রীরাজশাহীতে ইনডোর স্টেডিয়ামের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন আধুনিক ও সমৃদ্ধ মহানগরী গড়ার প্রত্যয় ভূমিমন্ত্রীররাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ, ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি স্পিকার হাফিজনতুন রাষ্ট্রপতি হতে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় মির্জা ফখরুলপবায় কলেজের শিক্ষকদের ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত হলেন এমপি মিলন

আজ বিশ্ব এইডস দিবস

প্রকাশিত: ৩০ নভেম্বর ২০২০, ৭:২৮ অপরাহ্ণ | বিভাগ: জাতীয়
বিজ্ঞাপন

এফএনএস : বিশ্ব এইডস দিবস আজ মঙ্গলবার। প্রতিবারের মতো এবারও বাংলাদেশ দিবসটি পালন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা স্বাস্থ্যবিধি মেনে পালন করা হবে। এ বছর দিবসের প্রতিপাদ্য নির্ধারিত হয়েছে- ‘সারা বিশ্বের ঐক্য, এইডস প্রতিরোধে সবাই নিব দায়িত্ব’। ১৯৮৮ সাল থেকে এইডসের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ও জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে বিশ্বে এ দিবসটি পালন করে থাকে।

বিশ্ব এইডস দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। বিশ্ব এইডস দিবস উপলক্ষে গতকাল সোমবার এক বাণীতে এইডস রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য সহজলভ্য ও মানসম্পন্ন চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও ‘বিশ্ব এইডস দিবস-২০২০’ উদযাপনের উদ্যোগকে রাষ্ট্রপতি স্বাগত জানান।

তিনি বলেন, এবারের বিশ্ব এইডস দিবসের প্রতিপাদ্য ‘সারা বিশ্বের ঐক্য, এইডস প্রতিরোধে সবাই নিব দায়িত্ব’ অত্যন্ত সময়োপযোগী ও যথার্থ হয়েছে। তিনি বলেন, এইডস একটি মরণঘাতী রোগ। বাংলাদেশে সাধারণ জনগোষ্ঠীর মধ্যে এইচআইভি সংক্রমণের হার কম হলেও ভৌগোলিক অবস্থান, অসচেতনতা, ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর অনিয়ন্ত্রিত আচরণ, কুসংস্কার ও ভ্রান্ত ধারণার জন্য এইডস এর ঝুঁকি যথেষ্ট প্রবল। তাই প্রতিকারের পাশাপাশি এইডস প্রতিরোধে সচেতনতা সৃষ্টি, কুসংস্কার দূরীকরণ ও আচরণ পরিবর্তনে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ আবশ্যক।

আবদুল হামিদ বলেন, এইডসের কোনো প্রতিষেধক এখনও আবিষ্কার না হলেও বর্তমানে উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা রয়েছে। এ রোগের প্রচলিত চিকিৎসা পদ্ধতি অত্যন্ত ব্যয়বহুল এবং আমৃত্যু এ চিকিৎসা চালিয়ে যেতে হয়। তাই এইডস রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির জন্য সহজলভ্য এবং মানসম্পন্ন চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল প্রতিষ্ঠান সমন্বিত প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে- এ প্রত্যাশা করি। তিনি বলেন, সরকার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মাধ্যমে ২০১২ সাল থেকে এইডস আক্রান্তদের বিনামূল্যে ওষুধ প্রদান ও এইডস প্রতিরোধে সামাজিক স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।

রাষ্ট্রপতি বলেন, জাতিসংঘের ঘোষণা অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ থেকে এইডস নির্মূল করতে হলে সমাজের সর্বস্তরের জনগণের সম্পৃক্ততা খুবই জরুরি। এ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে তিনি সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, দাতা সংস্থা এবং গণমাধ্যমসমূহকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

ফটো কার্ড ডাউনলোড