২৬ অক্টোবর ২০২৬
বিজ্ঞাপন
Amader Rajshahi
শিরোনাম
ফুটপাত দখলমুক্তর পাশাপাশি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও হকারদের পুর্নবাসনের উদ্যোগ রাসিকেরভূমিমন্ত্রী মিনুকে দেখতে হাসপাতালে রাষ্ট্রপতি২৬ অক্টোবর ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কা, বরেন্দ্র অঞ্চলে কৃষকদের পাকাধান কাটার জরুরি আহ্বানচাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে ভুক্তভোগীদের অভিযোগ ছাড়াই মামলা নেওয়ার ব্যবস্থা হচ্ছে : আইজিপিবাংলার জাতীয় খেলা হা-ডুডুকে আরও জনপ্রিয় করে তোলা হবে : এমপি মিলনপ্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে স্বাক্ষরিত হতে পারে কয়েকটি সমঝোতা স্মারকপ্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে স্বাক্ষরিত হতে পারে কয়েকটি সমঝোতা স্মারকলোকসান-সঙ্কটের অজুহাতে বেসরকারি ব্যবস্থায় দেয়া হচ্ছে আরো অর্ধডজন ট্রেন

রাজশাহীর বায়া মডেল স্কুলে চলন্ত ফ্যান পড়ে ছাত্র আহত

প্রকাশিত: ২ এপ্রিল ২০২৬, ১০:০১ অপরাহ্ণ | বিভাগ: রাজশাহী
রাজশাহীর বায়া মডেল স্কুলে চলন্ত ফ্যান পড়ে ছাত্র আহত
বিজ্ঞাপন

ইউসুফ আলী চৌধুরি : রাজশাহীর পবা উপজেলার নওহাটা পৌর এলাকার ৭নং ওয়ার্ডে বায়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ক্লাস চলাকালীন সময়ে প্রথম শ্রেণির এক ছাত্রের মাথায় চলন্ত ফ্যান খসে পড়ার ঘটনা ঘটেছে। গুরুতর আহত ও রক্তাক্ত অবস্থায় শিশুটিকে তাৎক্ষণিক হাসপাতালে না নেওয়ায় স্কুল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে চরম অবহেলার অভিযোগ তুলেছেন ক্ষুব্ধ অভিভাবকরা। গত বুধবার সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে ক্লাস চলাকালীন হঠাৎ শ্রেণিকক্ষের ফ্যানটি খুলে পড়ে। এতে প্রথম শ্রেণির ‘ক’ শাখার ছাত্র সিয়াম ইসলামের চোখের ওপর ও মুখের বিভিন্ন অংশ কেটে যায়। দুর্ঘটনার পর শ্রেণিকক্ষে থাকা অন্য শিশুদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং ছোটাছুটি শুরু হয়।
জানা গেছে, স্কুল চলাকালীন শিশুটির মা মোসা. সেলিনা আক্তার সেলি বাইরে অপেক্ষা করছিলেন। হঠাৎ চিৎকার-চেঁচামেচি শুনে ছুটে গিয়ে ছেলেকে রক্তভেজা অবস্থায় দেখে তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন। শিক্ষকরা শিশুটিকে প্রধান শিক্ষকের কক্ষে নিয়ে শুধু প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বসিয়ে রাখলে, ক্ষুব্ধ হয়ে মা নিজেই ছেলেকে দ্রুত একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। চিকিৎসক জানিয়েছেন, অল্পের জন্য শিশুটি বড় কোনো দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেলেও তার চোখের নিচে চারটি সেলাই দিতে হয়েছে। এছাড়া নাক ও গালে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। শিশুটির বাবা মো. মোকলেছুর রহমান বলেন, “ঘটনার পর স্ত্রী ফোন করলে আমি তাৎক্ষণিক হাসপাতালে ছুটে যাই এবং চিকিৎসা শেষে ছেলেকে বাসায় নিয়ে আসি। আল্লাহর অশেষ রহমতে বড় বিপদ থেকে রক্ষা পেলেও ঘটনার কারণ জানতে আমি স্কুলে দু’বার গিয়েছিলাম। কিন্তু প্রধান শিক্ষককে না পেয়ে ফিরে এসেছি।” শিশুটির মা সেলিনা আক্তার অভিযোগ করে বলেন, “সকাল ৯টায় আমি বাচ্চাকে ক্লাসে দিয়ে ছুটি পর্যন্ত বাইরে বসেছিলাম। এত বড় দুর্ঘটনার পর তারা বাচ্চাকে সঠিক চিকিৎসা না দিয়ে রুমের মধ্যে বসিয়ে রাখে। পরবর্তীতে স্কুল থেকে কেউ একবারও ফোন দিয়ে খোঁজ নেয়নি বা বাসায় এসে বাচ্চাটিকে একনজর দেখেও যায়নি।”
এদিকে, খোঁজ না নেওয়ার বিপরীতে বায়া মডেল স্কুলের প্রধান শিক্ষক খালেদা বানু ভুক্তভোগী পরিবারকে ফোন করে সাংবাদিকদের কাছে ঘটনাটি জানানোর কারণে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, “সাংবাদিকদের নিউজ করে কী লাভ হবে? কোনো লাভ নেই। এছাড়া, এক সাংবাদিক প্রধান শিক্ষককে ফোন করে বিষয়টি সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি তার অফিসে এসে কথা বলতে বলেন। তিনি জানান এর আগেও এই স্কুলে উপর থেকে ফ্যান পরে বাচ্চার হাত ভেঙে যায় আরেকবার এক শিক্ষকের রুমে ফ্যান খুলে পড়ার ঘটনা ঘটে। পবা উপজেলা শিক্ষা অফিসার জোবায়দা রওশন জাহান কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি বিষয়টি শুনেছি এবং স্কুলের প্রধান শিক্ষকের বাচ্চাটির পরিবারের খোঁজ খবর নিতে বলেছি। আমি নিজেও সেই বাচ্চাটিকে বাসাতে গিয়ে দেখা করে আসবো।

পাঠকদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন