২৬ আগস্ট ২০২৬
বিজ্ঞাপন
Amader Rajshahi

ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিরুদ্ধে পাল্টা পদক্ষেপ গ্রহন ইরানের

প্রকাশিত: ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৯:১৪ অপরাহ্ণ | বিভাগ: বিশ্ব, স্পেশাল নিউজ
ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিরুদ্ধে পাল্টা পদক্ষেপ গ্রহন ইরানের
বিজ্ঞাপন

ইইউ সেনাবাহিনীকে ‘সন্ত্রাসী গোষ্ঠী’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে। সম্প্রতি ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসকে (আইআরজিসি) সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে তালিকাভুক্ত করে ইইউ। এর পাল্টা হিসেবে এ পদক্ষেপ নিয়েছে ইরান। গতকাল রোববার আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। রোববার (০১ ফেব্রুয়ারি) ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ জানান, আইআরজিসিকে সন্ত্রাসী সংগঠন ঘোষণার বিরুদ্ধে প্রতিক্রিয়া জানাতে প্রণীত আইনের ৭ নম্বর ধারার আওতায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মইউরোপীয়রা নিজেরাই নিজেদের পায়ে গুলি করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের অন্ধ অনুসরণ করে তারা আবারও নিজেদের জনগণের স্বার্থের বিরুদ্ধে সিদ্ধান্ত নিয়েছে। গত বৃহস্পতিবার ইইউর পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক প্রধান কাজা কাল্লাস আইআরজিসিকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে ঘোষণার কথা জানান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি লেখেন, নিজের দেশের হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করা কোনো শাসনব্যবস্থার কর্মকাণ্ডের জবাব না দিয়ে থাকা যায় না। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্টস নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, গত ২৮ ডিসেম্বর শুরু হওয়া দেশব্যাপী বিক্ষোভে এখন পর্যন্ত ৬ হাজার ৭১৩ জন নিহত হয়েছেন। শুরুতে অর্থনৈতিক দাবিতে বিক্ষোভ শুরু হলেও পরে তা সরকারের বিরুদ্ধে বড় ধরনের আন্দোলনে রূপ নেয়। তবে ইরানি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এসব বিক্ষোভে অন্তত ৩ হাজার ১১৭ জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে দুহাজার ৪২৭ জনকে ‘নিরীহ বিক্ষোভকারী বা নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া সরকারিভাবে গ্রেপ্তারের কোনো নির্দিষ্ট সংখ্যা জানানো হয়নি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিক্ষোভের চরম পর্যায়ে গত ৮ জানুয়ারি রাতে ইরানজুড়ে ইন্টারনেট ও মোবাইল যোগাযোগ বন্ধ করে দেওয়া হয়। ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর প্রতিষ্ঠিত আইআরজিসি ইরানের সামরিক বাহিনীর একটি গুরুত্বপূর্ণ শাখা। এটি সরাসরি সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির অধীনে পরিচালিত হয় এবং দেশটির প্রতিরক্ষা, বিদেশি অভিযান ও আঞ্চলিক প্রভাব বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একাধিকবার সামরিক হামলার হুমকি দিয়েছেন। জবাবে ইরান জানিয়েছে, যেকোনো আক্রমণের বিরুদ্ধে তারা ‘সমন্বিত ও কঠোর’ প্রতিক্রিয়া জানাবে।এরই মধ্যে ইরান কৌশলগত হরমুজ প্রণালিতে লাইভ-ফায়ার সামরিক মহড়ার পরিকল্পনা করেছে। বিশ্বের মোট তেল বাণিজ্যের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়।-এফএনএস

পাঠকদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন