মঙ্গলবার

৯ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

২৬শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ সংবাদ
রাজশাহীতে ক্লুলেস দস্যুতা মামলার রহস্য উদ্ঘাটন, বিএনপি নেতাসহ ২ জন গ্রেপ্তার পুশইন ঠেকাতে কঠোর অবস্থানে বিজিবি বিএমডিএ’র ৮৬তম পরিচালনা বোর্ড সভা নতুন সরকারের অধিনে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম বাজেট অধিবেশন শুরু প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে সরকারদলীয় এমপিদের সভা অনুষ্ঠিত ডেঙ্গমুক্ত রাজশাহী নগরী গড়তে প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে : রিটন রাজশাহীতে বৈদ্যুতিক খুঁটিতে ঘুঘুর বাচ্চা আনতে গিয়ে প্রাণ হারালেন এক কিশোর দেশের ৬৫ শতাংশ গ্রাহক বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির বাইরে থাকছেন : তথ্যমন্ত্রী বিশ্বে প্রথম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় তৈরি হল ভ্যাকসিন, মানবদেহে সফল পরীক্ষা বাগমারার তাহেরপুর হাটে অতিরিক্ত খাজনা আদায়ের অভিযোগ

রাজশাহীতে বোতলজাত সয়াবিন উধাও

Paris
Update : শুক্রবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০২৪

স্টাফ রিপোর্টার : সারা দেশের বাজারে চলমান সংকটের মধ্যেই গত ৯ ডিসেম্বর সয়াবিন তেলের দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে সরকার। বোতলজাত ও খোলা সয়াবিন তেলের দাম প্রতি লিটার ৮ টাকা বাড়ানো হয়েছে। সরকার দাম বাড়ানোর আগ থেকেই রাজধানীর বাজার থেকো উধাও হয়ে যায় বোতলজাত সয়াবিন তেল। সেই প্রভাব পড়েছে রাজশাহীর বাজারেও। এখানেও উধাও হয়ে গেছে সয়াবিন তেল। এতে বিপাকে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। শুক্রবার ( ১৩ ডিসেম্বর) সরেজমিনে রাজশাহীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে বোতলজাত সয়াবিতন তেলের সন্ধ্যান পাওয়া যায়নি। খুচরা ও পাইকারি ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, গত এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে ভোজ্যতেল পরিশোধন কোম্পানিগুলো বোতলজাত সয়াবিন তেল সরবরাহ করছে না। দাম বাড়ার ঘোষণার পর থেকে আগে যে গুলো ছিলো সেগুলো বিক্রি হয়ে যাওয়ায় আর বিক্রি করতে পারছি বা।
রাজশাহী নগরীর মুদি ব্যবসায়ী শরীফ উদ্দিন জানান, বাজারে বোতলজাত তেল মোটেই নেই। ফলে আমরা বিক্রি করতে পারছি না। ক্রেতার হয়রানি হচ্ছেন। কারণ হিসেবে বলছেন, দাম বাড়ার সাথে সাথে তেল সরবরাহ কোম্পানি গুলো আমাদের তেল দিচ্ছে না। কোম্পানি গুলো বলছেন দাম বাড়ার পর যে তেলের কন্টেনার সেগুলো পাওয়া যায়নি তাই তেল দিতে পারছেন না। আগামী রোববার বা সোমবার হতে পাওয়া যেতে পারে।
অপরদিকে খোলা সয়াবিন সরবরাহ আছে সেগুলো ১৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ব্যবসায়ীদের কেনা পড়ে ১৬৮ টাকা লিটার। ফলে সরকার নির্ধারিত যে দাম সেই দামে বাজারে তেল পাওয়া যাচ্ছে না।
শুক্রবার (১৩ ডিসেম্বর) রাজশাহী মহানগরী কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে, রবি মৌসুমি সকল রকম সবজীর দাম কমেছে। সেই সাথে বাজারে সরবরাহ বেড়েছে অনেক বেশী। ফলে বিভিন্ন রকমের সবজি কেজিতে ১০-৩০ টাকা কমে গেছে। শিম ৫০-৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। বেগুন ৮০ টাকা থেকে কমে ৫০ টাকায়, ফুলকপি ও পাতা কপি ৩০-৪০ টাকা পিস বিক্রি হচ্ছে। নতুন আলু ১০০-১২০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। লাল ডিম ৪৪ ও সাদা ৪২ টাকা হালি দরে বিক্রি হচ্ছে। সকল ধরনের চালের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ব্রয়লার মুরগি ১৭০ টাকা কেজি, সোনালি ২৮০-৩০০ ও দেশী মুরগি ৪৮০-৪৯০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। গরুর মাংস ৭০০ টাকা এবং খাসির মাংস ১০৫০-১১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। পেঁয়াজ ৯০-১১০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। বড় ইলিশ ২২০০, মাঝাড়ি ইলিশ ১৪০০ টাকা এবং ছোট আকারের ৬০০-৮০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়াও দেশী প্রজাতি ছোট মাছ ও নদীর মাছের দাম একই রকম আছে বলে মাছ ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন।
ক্রেতারা বলছেন, বাজারে বোতলজাত তেল উধাও হয়ে যাওয়া দুঃখ জনক। শীতকালীন মৌসুমী সবজির দাম কমলেও কাঙ্খিত দামে আসেনি। এক ক্রেতা বলেন, আমি ১ কেজি পেঁপে কিনলাম ৫৫ টাকায়। আগে এমন দাম হতো না। এর দাম সর্বোচ্চ ১৫-২০ টাকা হলে ভালো হতো। ক্রেতা সাধারনের চাওয়া সরকার বাজারে সঠিক তদারকি করলে কিছু টা নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব তবে কোন কিছুই সেগুলো হচ্ছে না। ফলে জনগণকে খেতে হবে হবে তাই সবকিছু সহ্য করে বাজারপণ্য কিনে পরিবার চালাতে হচ্ছে।

 


আরোও অন্যান্য খবর
Paris