২৭ জুলাই ২০২৬
বিজ্ঞাপন
Amader Rajshahi
শিরোনাম
রাজশাহীতে নিরাপত্তা জোরদারে আরএমপিকে সিসি ক্যামেরা দিল রাসিকচুয়াত্তরেও সেই জাদু রুনা লায়লার কণ্ঠেরাজশাহীতে ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধ ও জলাবদ্ধতা নিরসনে রেডার সাথে মতবিনিময় সভা১৩ দিন পর ইরানে হামলা স্থগিত করতে কেন বাধ্য হলেন ট্রাম্পসেনাবাহিনীতে পদোন্নতিতে যোগ্যতা-নেতৃত্বগুণকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীরসেমিকন্ডাক্টর খাত অর্থনীতির নতুন গন্তব্য : প্রধানমন্ত্রীরাজশাহীতে ইনডোর স্টেডিয়ামের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন আধুনিক ও সমৃদ্ধ মহানগরী গড়ার প্রত্যয় ভূমিমন্ত্রীররাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ, ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি স্পিকার হাফিজ

বঙ্গবন্ধু রেলসেতুতে চললো পরীক্ষামূলক ট্রেন

প্রকাশিত: ২৬ নভেম্বর ২০২৪, ৬:৩০ অপরাহ্ণ | বিভাগ: lead
বঙ্গবন্ধু রেলসেতুতে চললো পরীক্ষামূলক ট্রেন
বিজ্ঞাপন

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর প্রমত্তা যমুনা নদীর ওপর দেশের মেগা প্রকল্প উত্তরাঞ্চলের মানুষের স্বপ্নের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রেলওয়ে সেতু দিয়ে প্রথম পরীক্ষামূলক (ট্রায়াল) ট্রেন চলাচল শুরু হয়েছে। তবে এটি চালু হলেও ট্রেনের পূর্ণগতি পেতে সময় লাগবে আরও দুই মাস। এদিকে, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাসে সেতুটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) দেশের দীর্ঘতম এ রেলসেতুর ওপর দিয়ে সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে ট্রেনটি ভূঞাপুর অংশের পূর্ব পাড় থেকে ছেড়ে সিরাজগঞ্জের পশ্চিম পাড়ে আসে। পরে ট্রেনটি ১০টা ৪১ মিনিটে পূর্ব পাড়ে ফিরে যায়। ট্রায়াল ট্রেন একটি ইঞ্জিন ও তিনটি বগি নিয়ে প্রথম যাত্রা শুরু করেছে। এই ট্রেনটি পূর্ব ও পশ্চিম প্রান্তে চলাচল করছে। প্রথমে ১০ কিলোমিটার বেগে চলাচল করলেও পরে ৪০ কিলোমিটার বেগে ট্রেন দুটি সেতু পারাপার করেছে। এ সময় রেলওয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রেলওয়ে সেতু প্রকল্প পরিচালক আল-ফাত্তাহ মাসউদুর রহমান বলেন, দুটি ট্রায়াল ট্রেন সেতুর পশ্চিম পাড় থেকে পূর্ব পাড়ে চলাচল করেছে। প্রথমে ১০ কিলোমিটার গতিতে পরে ৪০ কিলোমিটার বেগে চলেছে ট্রেন। ধীরে ধীরে এর গতি বাড়ানো হবে। এভাবে বেশ কয়েকবার ট্রায়াল ট্রেনটি চলাচল করবে বলে জানিয়েছেন তিনি। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রেলওয়ে সেতু প্রকল্পের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী শেখ নাইমুল বলেন, ইতোমধ্যে রেলসেতুটির নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে। আমরা পরীক্ষামূলকভাবে সেতুর ওপর দিয়ে ট্রেন চালানো শুরু করেছি। আগামী জানুয়ারিতে সেতুটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হবে। তবে এটি চালু হলেও ট্রেনের পূর্ণগতি পেতে সময় লাগবে আরও দুই মাস। প্রসঙ্গত, ১৯৯৮ সালে বঙ্গবন্ধু সেতু চালু হওয়ার পরই ঢাকার সঙ্গে উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের রেল যোগাযোগ স্থাপিত হয়। তবে ২০০৮ সালে সেতুটিতে ফাটল দেখা দেওয়ায় কমিয়ে দেওয়া হয় ট্রেনের গতিসীমা। বর্তমানে প্রতিদিন প্রায় ৩৮টি ট্রেন ঘণ্টায় ২০ কিলোমিটার গতিতে সেতু পারাপার হওয়ায় সময়ের অপচয়ের পাশাপাশি ঘটছে শিডিউল বিপর্যয়। বাড়ছে যাত্রী ভোগান্তি। এসব সমস্যা সমাধানে সরকার যমুনা নদীর ওপর আলাদা রেলসেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেয়। ২০২০ সালের আগস্ট মাসে ৯ হাজার ৭৩৪ কোটি ৭ লাখ টাকা ব্যয়ে সেতুটির নির্মাণকাজ শুরু হয়। পরে এ ব্যয় বেড়ে দাঁড়ায় ১৬ হাজার ৭৮০ কোটি ৯৬ লাখ টাকায়। এর মধ্যে ১২ হাজার ১৪৯ কোটি ২ লাখ টাকা জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা) ঋণ হিসেবে দিয়েছে। এ প্রকল্পের নির্ধারিত সময় ছিল ২০১৬ সালের জুলাই থেকে ২০২৩ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত। কিন্তু প্রথম সংশোধনে এ সময়সীমা ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে স্থানান্তরিত করা হয়। এর আগে ২০১৬ সালের ৬ ডিসেম্বর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) প্রকল্পটি অনুমোদন দেয়।-এফএনএস

পাঠকদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন