৬ নভেম্বর ২০২৬
বিজ্ঞাপন
Amader Rajshahi

রাসিকের লুট হওয়া মালামাল ফেরত দিলে ধন্যবাদ, না দিলে ব্যবস্থাগ্রহণ

প্রকাশিত: ২০ আগস্ট ২০২৪, ৯:২৭ অপরাহ্ণ | বিভাগ: রাজশাহী
রাসিকের লুট হওয়া মালামাল ফেরত দিলে ধন্যবাদ, না দিলে ব্যবস্থাগ্রহণ
বিজ্ঞাপন

স্টাফ রিপোর্টার : রাজশাহী সিটি করপোরেশন কোন দল ও ব্যক্তির সম্পদ না। এটা রাষ্ট্রের সম্পদ। যদি এখনও কারও কাছে রাসিকের কোন সম্পদ থেকে থাকে তাহলে তারা দ্রুত সময়ের মধ্যে দিয়ে দিলে আমরা তাকে ধন্যবাদ জানাব। যদি না দেয় তাদের বিরুদ্ধে আমরা আইনগত ব্যবস্থাগ্রহন করব। এছাড়া বিষয়গুলো নিয়ে থানায় একটা সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। সেটি পুলিশ তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ করবেন। মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) দুপুর ১টার দিকে নগর ভবনের কনফারেন্স রুমে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব নেওয়া রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার (অতিরিক্ত সচিব) ড. দেওয়ান মুহাম্মদ হুমায়ূন কবীর। এর আগে সোমবার (১৯ আগস্ট) তিনি প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তিনি বলেন, সিটি করপোরেশনের কতগুলো জনগুরুত্বপূর্ণ কাজ আচে। যেগুলো না করলেই নয়। সেই তালিকার মধ্যে বর্জব্যবস্থাপনা অন্যতম। যেহেতু আমাদের কোন গাড়ি (বর্জব্যবস্থাপনার যানবাহন) ক্ষতিগ্রস্থ হয়নি। তাই বর্জব্যবস্থাপনার কাজ চালু রয়েছে। জন্ম, মৃত্যু নিবন্ধন চালু আছে। কিন্তু এটি আগে ওয়ার্ডে কাউন্সিলরা অনুমোদন করতেন। তবে এখন সেটি প্রাশানসিক কর্মকর্তারা করবেন। তিনি আরও বলেন, আমাদের ৬০ থেকে ৭০টি কম্পিউটার নিয়ে গেছে। এরমধ্যে ৩০টির কাছাকাছি পাওয়া গেছে। সেগুলো যাচাই করা হচ্ছে স্বচল হচ্ছে নাকি। সকালে আমাদের সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে। যেগুলো নাগরীক সেবা কেন্দ্রীক কাজ, সেগুলো দ্রুততায় আজকের মধ্যে চালু হয়েছে। আর যেগুলো চালু হয়নি সেগুলো আজকের মধ্যে চালু হবে। সিটি করপোরেশন সকল কাজ চালু রয়েছে। নাগরীকরা সেবা পাবেন। রাসিকের প্রশাসক ড. দেওয়ান মুহাম্মদ হুমায়ূন কবীর ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে বলেন, ক্ষয়ক্ষতি কি হয়েছে সেটা যাচাই করতে হবে। এটা মেরামতের জন্য দিতে হবে। তখন তো একটা হিসেবের প্রশ্ন আসবে। এজন্য আমরা একটা কমিটি গঠন করেছি। সেখানে রাসিকের প্রধান প্রকৌশলী, নির্বাহী প্রকৌশলী, ইলেট্রিক্যাল, সিভিল ও ফায়ার সার্ভিসের লোক রয়েছে। এখানে ক্ষয়ক্ষতির পরিমান কত, টাকার অঙ্কে সম্ভব্য ক্ষতি হয়েছে কত, এছাড়া এখান থেকে উত্তোরণের বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়েছে। তারা আগামি এক সপ্তাহের মধ্যে রিপোর্ট দেবে। তিনি আরও বলেন, আমাদের কার্যক্রম চালুর জন্য জনবল লাগবে। রাসিকে স্থায়ী ও অস্থীয় জনবল আছে। এরমধ্যে স্থায়ী জনবল আছে ৩৫৩ জন। তাদরে বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ থাকলে আমরা যাচাই-বাচাই করে ব্যবস্থা নেব। আর অস্থীয় জনবল আছে ২ হাজার ৬৫৯ জন। এদের জন্য সিটি করপোরেশনের সচিবের নেতৃত্বে কমিটি গঠন করা হয়েছে। যারা তর্কিত তাদের আমরা রাখবো না। যারা সিটি করপোরেশনকে নষ্ট করেছে। ভর্বিষতে নষ্ট করতে পারে তাদের আমরা রাখবো না। প্রকল্পের বিষয়ে তিনি বলেন, রাজশাহী মহানগরীতে চারটি প্রকল্প রয়েছে। এরমধ্যে একটি শেষ হয়েছে। বাকিগুলো চলমান রয়েছে। যথেষ্ট বরাদ আছে। কাজ যাতে অসমাপ্ত না থাকে। এসময় রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. এবিএম শরীফ উদ্দিনসহ রাসিকের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

পাঠকদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন