পবায় হামলা, ভাংচুর ও লুটপাট নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের তৎপরতা অব্যাহত
পবা প্রতিনিধি : সরকারের পতনের পর পবা উপজেলার বিভিন্ন সরকারি স্থাপনাসহ সাধারণ জনগণের মার্কেটের দোকান ও বাড়িতে হামলা, ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে উপজেলা প্রশাসন ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর তৎপরতায় এই ধরনের হামলার ঘটনা অনেকটা নিয়ন্ত্রণে এসেছে। এই পরিস্থিতিতে ৮ আগস্ট সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত উপজেলার নওহাটা বাজার, বড়গাছী, হুজুরীপাড়া ও হরিপুর ইউনিয়ন পরিষদসহ বিভিন্ন স্থানে সংঘর্ষের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত সরকারি স্থাপনা পরিদর্শন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবু সালেহ মোহাম্মদ হাসনাত।
এদিন উপজেলার কোথাও কোন ধরণের হামলা ও লুটপাটের তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে হুজুরিপাড়া ইউনিয়নের ডাইংপাড়া এলাকার কালাম চৌধুরীর মোড়ে অবস্থিত আলাউদ্দিনের চায়ের দোকানে আগুন দেয়ার চেষ্টা করছিল এক ব্যক্তি। স্থানীয় জনগণ আটক করে উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে খবর দিলে- সেখানে আর্মির টহল গাড়িসহ তিনিও উপস্থিত হন। জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত ব্যক্তি দর্শনপাড়া ইউনিয়নের কবিরাজ পাড়া এলাকার মনসুরের ছেলে মোংলা অপরাধের কথা স্বীকারসহ ক্ষমা প্রার্থনা করেন। স্থানীয় ইউপি সদস্য ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের অনুরোধে তাকে ছেড়ে দেয়া হয়। পাশাপাশি হামলা ও আগুন ভাংচুর থেকে দুরে থাকতে সতর্ক করে দেয়া হয়।
এসময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবু সালেহ মোহাম্মদ হাসনাত সাধারণ জনগণের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘পবায় হামলা, ভাংচুর ও লুটপাট নিয়ন্ত্রণে উপজেলা প্রশাসন ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কঠোর নজরদারিতে রয়েছে। এই সম্পদ সাধারণ জনগণের, জনগণের ট্যাক্সের টাকা দিয়েই রাষ্ট্রের সকল ধরনের উন্নয়ন হয়। এছাড়াও যে রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি নির্বাচিত হন না কেন সবায়কেই এই কার্যালয়গুলোতে বসতে হবে। উপজেলায় সরকারি স্থাপনায় হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট বন্ধের জন্য সকলকে একসাথে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান।’ তিনি আরো বলেন, ‘কাউকে ভাড়া করা হচ্ছে আগুন দেওয়ার জন্য আবার কাউকে ভাড়া করা হচ্ছে ডাকাতি করানোর জন্য তাই সবাইকে অনুরোধ করব দল বেঁধে আপাতত নিজ নিজ এলাকায় রাত জেগে পাহাড়ায় থাকুন। কয়েক দিনের মাঝেই সব ঠিক হবে আমার বিশ্বাস’।
