৬ নভেম্বর ২০২৬
বিজ্ঞাপন
Amader Rajshahi

বাগমারায় অবসরপ্রাপ্ত স্কুল শিক্ষককে হত্যা

প্রকাশিত: ৭ আগস্ট ২০২৪, ১১:১৩ অপরাহ্ণ | বিভাগ: রাজশাহী
বাগমারায় অবসরপ্রাপ্ত স্কুল শিক্ষককে হত্যা
বিজ্ঞাপন

স্টাফ রিপোর্টার : পূর্ব শত্রুতার জের ধরে বুধবার (৭ আগস্ট) বাগমারা থানার দৌলৎপুর গ্রামের একজন প্রাক্তন স্কুল শিক্ষককে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। দুর্বৃত্তদের হামলায় মৃত্যুবরণ করা মোজাম্মেল হক ছিলেন দক্ষিণ দৌলৎপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক। তিনি চলতি বছরের ৭ জুন অবসরে যান। দেশের চলমান অস্থিতিরতার কারণে থানার কার্যক্রম স্থগিত থাকায় মামলা দায়ের করতে পারেননি তারা। তবে, থানার কার্যক্রম পূণরায় শুরু হলে যথাযথ নিয়মে আইনের আশ্রয় নেবেন মৃত্যুবরণ করা মোজাম্মেলের স্বজনরা বলে জানান তারা।
মৃত্যুবরণ করা শিক্ষক মোজাম্মেল হকের ছেলে রায়হান পারভেজ ও তার স্বজনরা জানান, সদ্য ১২তম জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দক্ষিণ দৌলৎপুর গ্রামের রহিদুল এর নেতৃত্বে ১০-১২ জনের একটি সন্ত্রসী দল শিক্ষক মোজাম্মেলের উপর হামলা চালায় এবং দেশীয় অস্ত্র ও রড দিয়ে বেধড়ক মারপিট করে গুরুত্বর আহত করে দুর্বৃত্তরা। হামলার সময় উপস্থিত ছিলেন, একই গ্রামের সৈয়দ আলী মাস্টারের ছেলে রকিবুল, আব্দুস সামাদের ছেলে মোস্তফা, মন্টুর ছেলে আক্তার, রসিদের ছেলে শরীফ, সোহরাবের ছেলে সোহাগ, শুকুর সরদারের ছেলে মোস্তফা ও জামালসহ কয়েকজন। মৃত মোজাম্মেলের ছেলে রায়হান পারভেজ ও স্বজনরা জানান, পূর্ব শত্রুতার জেরে গত মঙ্গলবার (৬ আগস্ট) রাত্রি আনুমানিক ১২:০০ টায় দুর্বৃত্তরা আমাদের বাড়িতে হামলা, ভাংচুর ও লুটপাট চালায়। বাধা দিতে গেলে আমার বাবা মোজাম্মেল হককে মারধর করে। পরেরদিন বুধবার (৭ আগস্ট) সকাল ১১ টায় দুর্বৃত্তরা আবারো হামলা চালায়। ঐদিন (৭ আগস্ট) মোজাম্মেল হক ও তার ভাই নূরুল হোদা ও আব্দুর রাজ্জাকসহ তাদের পরিবারের লোকজনকে আবারো মারধর করে বাড়ির একটি ঘরে আটকে রাখে এবং দরজায় তালা দিয়ে বাইরে থেকে আগুণ লাগিয়ে দেয় দুর্বৃত্তরা। স্থানীয় লোকজন ও শিক্ষার্থীরা আগুণে অবরুদ্ধ ব্যক্তিদের উদ্ধার করে প্রথমে বাগমারা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। মোজাম্মেল হকের অবস্থার অবনতি হলে ঐদিন বেলা ১:৩০ মিনিটে রামেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবশেষে চিকিৎসাধীনবস্থায় রামেকের ৮ নং ওয়ার্ডে শিক্ষক মোজাম্মেল হক বিকাল ৩:২৫ মিনিটে মৃত্যু বরণ করেন। দুর্বৃত্তরা শিশু রাহাত (৭ বছর) ও ৭ম শ্রেণির শিশু শিক্ষার্থী রাজকে উলঙ্গ করে বাথরুমে আটকে রাখে। রায়হান বলেন, আমার ছোট ভাইসহ আমার চাচাদের কে দুর্বৃত্তরা বেধড়ক মারধর করে খাম-জখম করে।

 

পাঠকদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন