স্টাফ রিপোর্টার : গত সোমবার (৫ আগস্ট) বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে ঘিরে রাজশাহী নগরীর বিভিন্ন স্থানে উৎসুক জনতার চালানো তান্ডবলিলায় ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে বিভিন্ন রাস্তাঘাট, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও স্থাপনা। যার কারণে নগরীর রাস্তায় রাস্তায় পরেছিল ভাঙ্গা কাঁচের টুকরা, প্লাস্টিকের বোতল, কাঠের খন্ডসহ অন্যান্য উপকরণ। যেখানে চলেছে তান্ডবলিলা, তার আশেপাশে তৈরি হয়েছে ময়লা আবর্জনার স্তুপ। সিটি করপোরেশনের কর্মরীরা সেই ময়লার স্তুপ অপসারণ করতে না আসার কারণে স্থানীয় বসবাসকারিদের বৃদ্ধি পেয়েছিল ভোগান্তি। রাস্তায় চলাচলকারি যানবাহন পড়েছিল বিপাকে। জনগণের ভোগান্তি হ্রাসে রাজশাহীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়ণরত শিক্ষার্থীরা নিজ উদ্যোগে রাস্তার যত্রতত্র পড়ে থাকা ঐসকল ময়লা আবর্জনা অপসারণে গতকাল মঙ্গলবার দলবেঁধে নেমেছিল।
তারা জানান, উৎসুক জনতার একটি অংশ এই ভাংচুরের ঘটনা ঘটায়। সিটি করপোরেশন যেহেতু বন্ধ, তাই জনগণের ভোগান্তি হ্রাসে আসরা নিজ উদ্যোগে শহরের বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে ময়লা-আবর্জনা ও অন্যান্য ভঙ্গুর উপকরণ রাস্তা থেকে অপসারণ করার কাজে নেমেছি। মঙ্গলবার সকাল ৯:৩০ মিনিটে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে আসা শিক্ষার্থীরা একত্র হয়ে সকাল ১০;০০ টা থেকে কয়েকটি ভাগে বিভক্ত হয়ে নগরীর বিভিন্ন পয়েন্টের রাস্তায় অপসারণ ও পরিচ্ছন্ন কাজ শুরু করেছি। নগরীর আলুপট্টি, জিরোপয়েন্ট, রানীবাজার, নিউমার্কেট, রেলগেট এলাকায় প্রায় চল্লিশ সদস্যের একটি গ্রুপ পরিচ্ছন্নতার কাজ করছে। এছাড়াও শহরের অন্যান্য স্থানগুলোতে আরো বেশ কয়েকটি গ্রুপ পরিচ্ছন্নতার কাজ করছে বলে জানান শিক্ষার্থীরা। নিজেদের অর্থে তারা কিনেছেন প্রায় বিশটির মতো ঝাড়ু, বেলচা, হাতের গ্লোভস, মাস্ক সহ অন্যন্যা উপকরণ। শুধু বিশ^বিদ্যালয়ই নয়, পরিচ্ছন্ন কাজে অংশগ্রহণ করেছে কলেজ ও বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও বলে জানান তারা। নগরীজুড়ে পরিচ্ছন্ন কাজই শুধু নয়, ট্রাফিক মোড়ে তারা ট্রাফিক পুলিশের দায়িত্বও পালন করেছে দিনভর। নগররী বেশ কয়েকটি মোড়ে দেখাগেছে একাধিক শিক্ষার্থী রাস্তার মধ্যভাগে দাড়িয়ে ট্রাফিক পুলিশের আদোলে রাস্তার যানচলাচল নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে।