৫ আগস্ট ২০২৬
বিজ্ঞাপন
Amader Rajshahi

এনবিআর থেকে সরানো হলো ছাগলকাণ্ডে আলোচিত মতিউরকে

প্রকাশিত: ২৩ জুন ২০২৪, ৭:৫০ অপরাহ্ণ | বিভাগ: lead, অপরাধ
এনবিআর থেকে সরানো হলো ছাগলকাণ্ডে আলোচিত মতিউরকে
বিজ্ঞাপন

ছাগলকাণ্ডে আলোচিত জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কর্মকর্তা মো. মতিউর রহমানকে বর্তমান দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগে সংযুক্ত করা হয়েছে তাকে। রোববার(২৩ জুন) অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এসব তথ্য জানানো হয়। মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মকিমা বেগম সই করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট আপিলাত ট্রাইব্যুনালের প্রেসিডেন্ট মো. মতিউর রহমানকে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগে সংযুক্ত করা হয়েছে। এদিকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদস্য (শুল্ক ও আবগারি) ও ভ্যাট আপিল ট্রাইব্যুনালের প্রেসিডেন্ট ড. মতিউর রহমানকে সোনালী ব্যাংককের পরিচালক পদ থেকেও সরানো হচ্ছে। গতকাল রোববার সোনালী ব্যাংকের পর্ষদ চেয়ারম্যান জিয়াউল হাসান সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে পরিচালনা পর্ষদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। তবে এই বৈঠকে মতিউর রহমান উপস্থিত থাকছেন না। চলতি সপ্তাহের মধ্যে তাকে পরিচালক পদ থেকে অপসারণও করা হতে পারে। এ বিষয়ে মতিউর রহমানের বক্তব্য জানতে তার মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। সম্প্রতি কোরবানির জন্য রাজধানীর মোহাম্মদপুরের সাদেক অ্যাগ্রো থেকে ১৫ লাখ টাকায় একটি ছাগল কিনতে গিয়ে আলোচনার জন্ম দেন মতিউর রহমানের ছেলে ইফাত। তবে শুরুতে ইফাতকে ছেলে হিসেবে পরিচয় দেননি মতিউর রহমান। তবে ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য নিজাম উদ্দিন হাজারী জানান, ইফাত তার মামাতো বোনের সন্তান। আর মতিউর রহমানই তার বাবা। নিজাম উদ্দিন হাজারী বলেছেন, ইফাত এনবিআর সদস্য মতিউর রহমানের দ্বিতীয় পক্ষের ছেলে। এবারের কোরবানির ঈদে সাদিক অ্যাগ্রো থেকে মতিউর ইফাত ১৫ লাখ টাকায় একটি ছাগল ছাড়াও ঢাকার বিভিন্ন খামার থেকে ৭০ লাখ টাকার গরু কিনেছেন বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে উঠে আসে। এরপর থেকে তার দামি ব্র্যান্ডের ঘড়ি, গাড়ি, আলিশান জীবনযাপন; মতিউর রহমান ও পরিবারের সদস্যদের নামে রিসোর্ট, শুটিং স্পট, বাংলো বাড়ি, জমিসহ নামে-বেনামে সম্পত্তি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। মতিউর রহমান কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট অ্যাপিলেট ট্রাইব্যুনালের সভাপতি। পাশাপাশি সোনালী ব্যাংকের পরিচালক। ২০২২ সালের ১ ফেব্রুয়ারি তিন বছরের জন্য তাকে সোনালী ব্যাংকের পরিচালক নিয়োগ দেওয়ার সুপারিশ করে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ। তখন আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব ছিলেন শেখ মোহাম্মদ সলীম উল্লাহ। পুনর্নিয়োগ না পাওয়ায় গত মাসে অবসরে গেছেন তিনি।-এফএনএস

 

পাঠকদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন