৬ নভেম্বর ২০২৬
বিজ্ঞাপন
Amader Rajshahi

ড্রেনের কর্দমাক্ত ময়লা আবর্জনা রাস্তায় পড়ে থাকে অর্ধমাস ধরে!

প্রকাশিত: ২৭ মে ২০২৪, ৭:৪৯ অপরাহ্ণ | বিভাগ: রাজশাহী
ড্রেনের কর্দমাক্ত ময়লা আবর্জনা রাস্তায় পড়ে থাকে অর্ধমাস ধরে!
বিজ্ঞাপন

স্টাফ রিপোর্টার : রাজশাহী সিটি করপোরেশনের ১৭ নং ওয়ার্ড অন্তর্গত মহলদারপাড়া মসজিদ সংলগ্ন রাস্তা ঘেষে দিনের পর দিন পরে থাকে ড্রেনের উত্তোলিত ময়লা-আবর্জনা। বর্ষা মৌসুমে সেগুলোর কিছু অংশ পূণরায় গিয়ে পড়ে ড্রেনে; আর কিছু অংশ পানির সাথে মিশে গিয়ে রাস্তাকে করে কর্দমাক্ত। আর খড়া মৌসুমে সেগুলো কয়েক সপ্তাহ ধরে রাস্তার ধারে পড়ে থাকতে দেখা যায়। দায়িত্বরতদের কাজে অবহেলা আর পরিদর্শনের অভাবেই এমন ধরনের ভোগান্তি বৃদ্ধি পথচারি আর মসজিদের মুসল্লিদের বলে জানান স্থানীয়রা। মগলদারপাড়া নিবাসী ও মসজিদের নিয়মিত মুসল্লী শাহিন, আলমগীর ও সাব্বির জানান, এই ওয়ার্ডে এটি একটি নিয়মতি ঘটনা। ড্রেন থেকে কর্দমাক্ত ময়লা আবর্জনা তোলার পর সাত থেকে দশদিন পর্যন্ত সেগুলো রাস্তা ধারেই পড়ে থাকে। পরিচ্ছন্নকর্মীরা দুই ধাঁপে ড্রেনের ময়লা তোলার পর প্রায় পনেরদিন ধরে সেগুলো রাস্তার ধারেই পড়ে আছে। স্থানীয়রা আরো জানান, মহলদারপাড়া এলাকা থেকে শুরু করে ছায়ানীড় আবাসিক এলাকা হয়ে জিয়া শিশু পার্কের উত্তর দিকের ভাড়ালীপাড়া ও রায়পাড়া সংলগ্ন ড্রেনগুলোর একই অবস্থা। পরিচ্ছন্নকর্মীরা ড্রেনের কর্দমাক্ত ময়লা আবর্জনা তোলার পর সেগুলো ড্রেন সংলগ্ন রাস্তার একপাশে ফেঁলে রাখেন সপ্তাহখানেক ধরে। এবারতো পনেরদিনের বেশি সম অতিক্রম হলেও তারা সেগুলো তুলে নিয়ে যায়নি বলে জানান ভুক্তভোগী পথচারিরা। স্থানীয়দের দেয়া তথ্যমতে, বছরে কোন সময়েই সুপারভাইজারকে দেখা যায়না কাজ তদারকি করতে। সেই সুযোগে পরিচ্ছন্নকর্মীরা ড্রেনের ময়লা আবর্জনা উত্তোলন করে নিজেদের মন মতো। বাসাবাড়ির সংযোগ ড্রেনগুলো পরিচ্ছন্নকর্র্মীরা পরিষ্কার করতে চান না। তিন থেকে চারশ টাকা না দিলে তারা সেই ড্রেনগুলোর ধাঁরের কাছেও আসেন না বলে অভিযোগ বাসিন্দাদের। টাকা দিলে পরিষ্কার করে। আর না দিলে, সেগুলো মাসের পর মাস ময়লা আবর্জনায় পরিপূর্ণ থাকে। ড্রেন ও রাস্তার আশেপাশের ছোট ও মাঝারি আকৃতির ঝোপঝাড় কাঁটতেও খুব একটা দেখা যায়না। যার কারণে এই এলাকায় মশার উৎপাতও অনেক বেশি বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। সুপারভাইজারের তদারকির অভাব আর পরিচ্ছন্নকর্মীদের অবহেলায় এরজন্য দায়ি বলে মন্তব্য স্থানীয়দের। নামপ্রকাশ না করার শর্তে ১৭নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর কার্যালয়ে কর্মরত একজন জানান, পরিবহন ও পরিচ্ছন্নকর্মীদের বেশ স্বল্পতা থাকায় নির্দিষ্ট সময়ে কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হয়না।

পাঠকদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন