৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বিজ্ঞাপন
Amader Rajshahi

নিয়ামতপুরে উদ্বোধনের অপেক্ষায় ১২৮ শহীদ মিনার

প্রকাশিত: ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ২:৫২ পূর্বাহ্ণ | বিভাগ: আঞ্চলিক
নিয়ামতপুরে উদ্বোধনের অপেক্ষায় ১২৮ শহীদ মিনার
বিজ্ঞাপন

শাহজাহান শাজু, নিয়ামতপুর
নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার ১২৮টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শহীদ মিনার নির্মানের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। এখন উদ্বোধনের প্রহর গনছে শিক্ষক ও শিক্ষার্থী। ২১ ফেব্রুয়ারী আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের নিয়ে শহীদ বেদীতে পুষ্পস্তবক অর্পণের স্বপ্ন পূরন হতে যাওয়ায় বেশ উচ্ছ্বসিত শিক্ষার্থী ও অভিভাবক মহল। উপজেলা শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, বর্তমান খাদ্য মন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা সাধন চন্দ্র মজুমদার এমপি ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ফরিদ আহম্মেদের ব্যক্তিগত সহযোগিতায় এবং স্কুল সমূহের রুটিন মেইনটেইনেনেন্স ও উন্নয়ন খাত থেকে অর্থ দিয়ে উপজেলার ১২৭ টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নির্মিত হয়েছে এই শহীদ মিনার। সরোজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার বেশিরভাগ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শহীদ মিনার তৈরির কাজ প্রায় শেষর দিকে। উপজেলা সদরের মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা গেছে, শহীদ মিনারে বসে গল্পে মত্ত ছিলেন কয়েকজন শিক্ষার্থী। কথা হয় ৫ম শ্রনিতে পড়া রাব্বি ইসলামের সাথে, আগে হাইস্কুল মাঠে গিয়ে ফুল দিয়ে আসতাম। এখন আমাদের স্কুলেই শহীদ মিনার হয়েছে। এখন ফুল দিতে আর কোথাও যেতে হবে না। অভিভাবক মরিয়ম বিবি জানান, ভাষা শহীদের রক্তের মাধ্যমেই আমরা বাংলা ভাষা পেয়েছি। তাদের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য স্কুলে শহীদ মিনার নির্মিত হওয়ায় বেশ ভালো লাগছে। নিয়ামতপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আনোয়ার হোসেন বলেন, স্কুল প্রাঙ্গনে শহীদ মিনার নির্মাণে সিদ্ধান্ত নেওয়ায় কর্তৃ পক্ষকে সাদুবাদ জানাই। এতে করে শিক্ষার্থীদের মাঝে ভাষা শহীদদের সম্পর্কে জানা ও শেখার আগ্রহ যেমন বাড়বে তেমনি দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হবে। উপজেলা শিক্ষা অফিসার শহীদুল আলম বলেন, শহীদ মিনার নির্মাণের ফলে ভাষা শহীদদের সঠিক ইতিহাস ও তথ্য ছাত্র ছাত্রীরা জানতে পারবে। তাছাড়া ভাষা শহীদের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য ছাত্র ছাত্রীরা সুযোগ পাবে। তিনি আরও বলেন, খাদ্যমন্ত্রীর আগমনের সম্ভাব্য সূচি আগামী ২০ ফেব্রুয়ারী থাকায় একযোগে ১২৭ টি শহীদ মিনার প্রস্তুত করা হচ্ছে। উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ফরিদ আহম্মেদ বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয় গুলোতে শহীদ মিনার না থাকায় মন্ত্রীর দিকনির্দেশনা নিয়েই এ শহীদ মিনার নির্মাণ কাজ গত বছর শুরু করা হয়েছিল। যাতে করে শিশু কোমলমতি শিক্ষার্থীরা মাতৃভাষা সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান এবং মুক্তি যোদ্ধের চেতনা এখন থেকেই ধারন করতে পারে।

পাঠকদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন