২১ অক্টোবর ২০২৬
বিজ্ঞাপন
Amader Rajshahi

লালপুরে বাড়ি-ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা বৃদ্ধাকে কুপিয়ে টাকা লুটের অভিযোগ

প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৮:২২ অপরাহ্ণ | বিভাগ: আঞ্চলিক
লালপুরে বাড়ি-ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা বৃদ্ধাকে কুপিয়ে টাকা লুটের অভিযোগ
বিজ্ঞাপন

স্টাফ রিপোর্টার, লালপুর : নাটোরের লালপুরে দীর্ঘদিনের পারিবারিক জমির বিরোধের জেরে বাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে পূর্বপরিকল্পিত হামলা, ভাঙচুর ও প্রায় ১৭ লাখ টাকা লুটের অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। হামলায় বাধা দেওয়ায় মোছাঃ রেহানা খাতুন (৫৫) নামের এক বৃদ্ধাকে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়েছে। বুধবার (২১ অক্টোবর) দুপুরে বেরিলাবাড়ি ব্যাবসায়ী শাহীনের ব্যাবসা প্রতিষ্ঠানে এক সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী মোঃ শাহীন আলম। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে শাহীন আলম জানান, উপজেলার বেরিলাবাড়ী গ্রামের চাচা মোঃ ফারুক হোসেনের সঙ্গে তাদের দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। এর জের ধরে গত ৪ অক্টোবর চাচা ফারুকসহ মহিবুর প্রাননাশের হুমকির দিলে লালপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন শাহীন। এতে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে গত ৮ অক্টোবর সকালে একটি মামলায় শাহীন আলম ও তার পরিবার আদালতে হাজিরা দিতে যায় এই সুযোগে, প্রতিপক্ষ ফারুক হোসেন ও মহিবুর আলীর নেতৃত্বে বেরিলাবাড়ী জামতলা মোড়ের “মেসার্স জামতলা স্টোর” ও বাড়িতে হামলা চালায়। তারা দোকান ও বাড়ি ভাঙচুর করে প্রায় ৩ লক্ষ টাকার ক্ষতি করে। এছাড়াও ঘরের বাক্স ও ক্যাশ থেকে নগদ ১৬ লাখ ৭০ হাজার টাকা এবং ৭০ হাজার টাকা মূল্যের দুটি স্মার্টফোন লুট করে নিয়ে যায়। এ সময় শাহীন আলমের মা বাধা দিলে প্রতিপক্ষরা তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে মাথায় হাসুয়া ও লোহার শাবল দিয়ে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে বাঘা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। শাহীন আলম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “ঘটনার ১৭ দিন পেরিয়ে গেলেও আসামিরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে এবং মামলা তুলে নিতে আমাদের ও সাক্ষীদের প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে। এ বিষয়ে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করে অবিলম্বে আসামিদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তিনি। সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী মোছাঃ রেহেনা খাতুন অশ্রু ভেজা চোখে বলেন, মহিবুর আলী দেশীয়অস্ত্র সহ লোকজন নিয়ে বাড়ী হামলা করে এবং আমার মাথা হাসুয়া দিয়ে কুপিয়ে জখম করে। আমাকে রক্তাক্ত অবস্থায় স্থানীরা উদ্ধার করে বাঘা হাসপাতালে নিয়ে যায়। আমি দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও বিচারের জন্য পুলিশ ও প্রশাসনের নিকট দাবী জানাচ্ছি।

পাঠকদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন