সর্বশেষ সংবাদ
ক্রমাগত কৃষিণ্যের দরপতনে বিপাকে কৃষক অভিযোগ তদন্তে আমিরপুর ফেরিঘাটে রাসিক প্রতিনিধি দল সাপাহার সীমান্তে ৯ জনকে পুশইনের চেষ্টা, শূন্য লাইনে রুখে দিলো বিজিবি বেইজিংয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কর্মব্যস্ত সময় আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে রাজশাহীতে বিএনপির অবস্থান কর্মসূচি জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় সমন্বিত উদ্যোগ নেয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর রাজশাহীতে কুপিয়ে জখম, হত্যার হুমকি, মামলা না নেয়ায় আতঙ্কে পরিবার মালয়েশিয়া থেকে চীনে প্রধানমন্ত্রী, সফর ঘিরে বড় প্রত্যাশায় বেইজিং রামেবি আয়োজিত সেমিনারে ডেঙ্গু মোকাবিলায় সমন্বিত প্রস্তুতি ও সচেতনতা বৃদ্ধির তাগিদ তানোরের কাশিমবাজার-বায়া রাস্তা সংস্কার মান নিয়ে সন্তুষ্ট স্থানীয়রা

আগামীর দুনিয়া কাঁপাতে আসছে মেটাভার্স

Paris
Update : শনিবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২১

এফএনএস : মেটাভার্স এমন একটি ধারণা, যা প্রযুক্তি কম্পানি, বিপণনকারী এবং বিশ্লেষকরা পরবর্তী বড় বিষয় হিসেবে মনে করছেন। এই মেটাভার্স প্রযুক্তি জগতের অন্যতম প্রতিষ্ঠান, যেমন ফেসবুকের মার্ক জাকারবার্গ এবং এপিক গেমসের টিম সুইনির মতো ব্যক্তিদের মনোযোগ আকর্ষণ করছে এবং তাদের পকেটের অর্থ ব্যয় করাচ্ছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। সাধারণ জনগণের কাছে এটি ভার্চুয়াল রিয়ালিটির (ভিআর) একটি সংস্করণের মতো মনে হতে পারে। কিন্তু কিছু মানুষ মনে করছেন, এই মেটাভার্স হলো ইন্টারনেটের ভবিষ্যৎ অবস্থা।

শিগগিরই ইন্টারনেট মেটাভার্স যুগে প্রবেশ করতে যাচ্ছে। কম্পিউটারে থাকার পরিবর্তে, মেটাভার্সে আপনি একটি হেডসেট ব্যবহার করে ভার্চুয়াল জগতে প্রবেশ করতে পারেন যা সব ধরণের ডিজিটাল পরিবেশকে সংযুক্ত করে। মেটাভার্স যুগে প্রবেশ করার পর কম্পিউটার ব্যবহার না করেই একটি হেডসেটের মাধ্যমে প্রযুক্তির দুনিয়ায় প্রবেশ করা যাবে। আর সেখানে ডিজিটাল সব ধরনের সুবিধা পাওয়া যাবে। মেটাভার্স আসলে বর্তমান সময়ের ভার্চুয়াল রিয়েলিটির মতো নয়। ভিআর বেশিরভাগই গেমিংয়ের জন্য ব্যবহৃত হয়।

মেটাভার্স নামক ভার্চুয়াল জগতটি কার্যত যে কোনো কিছুর জন্যই ব্যবহার করা যেতে পারে; যেমন – কাজ, খেলা, কনসার্ট, সিনেমা দেখা, ভ্রমণ অথবা শুধু আড্ডা দেওয়ার জন্যও উপযুক্ত থাকবে। আসলে মেটাভার্স হলো এমন অনলাইন জগৎ, যেখানে মানুষ ভার্চুয়াল পরিবেশে খেলা, কাজ এবং যোগাযোগ করতে পারবে ভিআর হেডসেট ব্যবহার করে। মেটাভার্স উন্নয়নের জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোতে অন্তত ১০ হাজার লোক নিয়োগ দেওয়ার পরিকল্পনা করছে ফেসবুক। মেটাভার্স ধারণাটি বাস্তবায়নের জন্য জোর প্রচেষ্টা করছেন ফেসবুকের প্রধান নির্বাহী মার্ক জুকারবার্গ।

আগামী পাঁচ বছরে যে নতুন কর্মসংস্থান তৈরি হচ্ছে, তাতে ‘অত্যন্ত বিশেষায়িত প্রকৌশলী’ অন্তর্ভুক্ত থাকবে। জানা গেছে, ফেসবুক মেটাভার্স জগৎ নির্মাণকে সবচেয়ে অগ্রাধিকার দিচ্ছে। তবে ফেসবুক বলছে যে, মেটাভার্স একক কোনো কম্পানি রাতারাতি তৈরি করতে পারবে না। সে ক্ষেত্রে ফেসবুক সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। সম্প্রতি এই খাতে ৫০ মিলিয়ন ডলার লগ্নি করেছে ফেসবুক। তবে সত্যিকারের মেটাভার্স ধারণা বাস্তবায়নে ১০ থেকে ১৫ বছর সময় লাগতে পারে। সূত্র: বিবিসি।


আরোও অন্যান্য খবর
Paris