পাগলা গারদে এক পাগল একটা মগের ভেতরে চামচ ঢুকাচ্ছে আর বের করছে। পাশ দিয়ে সেখানকার ডাক্তার যাচ্ছিল। দেখে জিজ্ঞেস করলেন, ‘কী করছো?’ : ডাক্তার সাহেব, মাছ ধরছি চামচ দিয়ে। ‘ভালো আরো দেখুন
দুই বন্ধু তাদের বাবাদের কাজ-কর্ম নিয়ে তর্ক-বিতর্ক করছেন—প্রথম বন্ধু: তুমি কখনো সুয়েজ খালের নাম শুনেছ?দ্বিতীয় বন্ধু: শুনব না কেন? এটা তো ছোট্ট বাচ্চাও জানে।প্রথম বন্ধু: এই খাল পুরোটাই আমার বাবা
এক লোক এক মেয়েকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছেন। প্রস্তাব শুনে মেয়েটি বলল, ‘দেখো, আমার কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু আমি যে তোমার চেয়ে এক বছরের বড়।’লোকটি তখন খুশিতে আটখানা হয়ে বললেন, ‘ওটা
দুই বন্ধু তাদের বাবাদের কাজ-কর্ম নিয়ে তর্ক-বিতর্ক করছেন—প্রথম বন্ধু: তুমি কখনো সুয়েজ খালের নাম শুনেছ?দ্বিতীয় বন্ধু: শুনব না কেন? এটা তো ছোট্ট বাচ্চাও জানে।প্রথম বন্ধু: এই খাল পুরোটাই আমার বাবা
একদিন সফর খান এক ডাক্তারের কাছে গেছেন—সফর: আমি প্রতি রাতে ঘুমের মধ্যে স্বপ্নে ইঁদুরের ফুটবল খেলা দেখি।ডাক্তার: এই ওষুধটা নিন। ঠিক হয়ে যাবে।সফর: কালকে নিতে পারি?ডাক্তার: কেন? আজ নিলে সমস্যা
বাসে তুমুল ঝগড়া হচ্ছে- প্রথম যাত্রী: মুখ সামলে কথা বলুন। না হলে ৩২ পাটি দাঁত এক চড়ে খুলে ফেলবো।দ্বিতীয় যাত্রী: এক চড়ে আপনার ৬৪ পাটি দাঁত উধাও করে দেবো।এক তরুন:
সকালবেলা রনির দুইশ টাকার ফ্লেক্সিলোড ভুল নাম্বারে চলে গেল। ফোনের অবশিষ্ট আট টাকা ২০ পয়সা দিয়ে কল দিলো টাকাটা ফেরত পাওয়ার জন্য। ফোন রিসিভ করল একজন সুকণ্ঠী নারী। রনির মনে
জামিল প্রায়ই তার ল্যাপটপের পাসওয়ার্ড ভুলে যান। তাই বস বললেন, ‘পাসওয়ার্ড মনে রাখতে পারেন না, তাহলে দেওয়ার দরকার কী?’ তবু তিনি পাসওয়ার্ড দেবেনই। তারপর বস তাকে বললেন, ‘একটা ছোট ডায়েরিতে
ছোটবেলায় মায়ের কাছে টাকা চাইলে বলতেন, ‘তোর বাবার কি টাকার গাছ আছে যে চাইলেই পাবি? অফিস থেকে ফিরলে বাবার কাছে টাকা চাস।’ তখন মনে হতো, আমাদের একটা টাকার গাছ থাকলে