মঙ্গলবার

২৬শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

১২ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ সংবাদ
৬-৮ ঘন্টার মধ্যে কোরবানির বর্জ্য অপসারণ করা হবে: রাসিক প্রশাসক চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন মান্দার ৯ যুবক, শোকে স্তব্ধ তিন গ্রাম প্রবাসীর রেমিট্যান্স দেশের অন্যতম আয় হলেও জনশক্তি রপ্তানিতে ধস রাজশাহী থেকে ঢাকা-চট্টগ্রামে পশু নিতে পথে পথে দিতে হচ্ছে চাঁদা ভুয়া দলিলে অতিরিক্ত সম্পত্তি নামজারী মামলায় দলিল লেখক-শিক্ষক কারাগারে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার পেলেন রাসিকের ১২৩৭ পরিচ্ছন্নতাকর্মী টাঙ্গাইলে রডবোঝাই ট্রাক উল্টে নিহতদের ১০ জন মান্দার, পরিবারে শোকের মাতম রাসিকের পরিচ্ছন্নকর্মীদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহারের চেক হিসাব বিভাগে হস্তান্তর রাজশাহী বিসিক-১ বিসিক-২ এর অচলবস্থা কাটিয়ে উঠতে উদ্যোগ রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে আত্মশুদ্ধির নতুন অধ্যায়

নওগাঁয় শীতজনিত নানা রোগে আক্রান্ত বাড়ছে

Paris
Update : বৃহস্পতিবার, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২১

নওগাঁ প্রতিনিধি : নওগাঁয় শীতজনিত কারণে বাড়ছে বিভিন্ন রোগ। বিশেষ করে শিশু-বৃদ্ধরা ডায়রিয়া, নিয়উমোনিয়া, জ্বর-সর্দিতে আক্রান্ত হচ্ছে। হাসপাতালগুলোতে বেড়েছে রোগীর সংখ্যা। গত কয়েকদিন থেকে সন্ধ্যার পর উত্তরের হিমেল হাওয়ায় শীতের তীব্রতা বেড়েছে। হাড় কাপানো শীতের কারণে জবুথবু হয়ে পড়েছে মানুষ। কর্মজীবী মানুষরা পড়েছেন বিপাকে। বেলা ১১টার পর সূর্যের দেখা মিললেও তীব্রতা নেই। বুধবার (৩ জানুয়ারী) সকালে ৮ দশমিক ৯ ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করেছে নওগাঁর বদলগাছী আবহাওয়া অফিস।

শিকারপুর ইউনিয়নের কলকালিদাস গ্রামের রুমা খাতুন বলেন, তার এক বছরের মেয়ে জান্নাতুল মাওয়া গত ৩১ জানুয়ারী সন্ধ্যার পর হঠাৎ করে পাতলা পায়খানা শুরু হয়। এরপর কয়েকবার বমিও করে। পল্লী চিকিৎসককে দেখানো হলে তিনি হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পরামর্শ দেন। রাতেই সদর হাসপাতালে ভর্তি হন। এখন অনেকটাই সুস্থ। গত কয়েকদিন থেকে বাতাস ও কুয়াশার কারণে শীত বেড়েছে। এ কারণে বাচ্চার ঠান্ডা লেগেছে। সদর হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডের ইনচার্জ মৌসুমি বলেন, শীতের কারণে হঠাৎ করেই শিশু আক্রান্তের পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে ডায়রিয়ায় আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। জনবল সংকটের কারণে সেবা দিতে গিয়ে আমাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। তবে পর্যান্ত পরিমাণ স্যালাইন ও ঔষধ সরবরাহ আছে।

নওগাঁ সদর হাসপাতাল ও জেলা সিভিল সার্জন অফিসের তথ্যানুসারে, গত এক সপ্তাহে নওগাঁ সদর হাসপাতালে শিশু ওয়ার্ডে ডায়রিয়া রোগী ভর্তি হয়েছে ৮৬ জন, নিউমোনিয়ায় ৮ জন এবং জ্বর-সর্দি-কার্শি ২৫ জন। এছাড়া বয়স্ক ডায়রিয়া রোগী ভর্তি ১৭জন ও শ্বাসকষ্ট জনিতে কারণে ভর্তি হয়েছে ৩ জন। এছাড়া জেলার ১০টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গত এক সপ্তাহে ডায়রিয়া রোগী ভর্তি হয়েছে ২৩৫ জন, নিউমোনিয়ায় ২৫ জন এবং অন্যান্য রোগী ভর্তি হয়েছে ৭০ জন।

নওগাঁ জেলা ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মঞ্জুর-এ-মোর্শেদ বলেন, শীত জনিতে রোগে আক্রান্ত হওয়ার যে প্রবণতা আতঙ্কিত হওয়ার মতো এখনো কিছু হয়নি। সংখ্যা যদিও বেড়েছে তবে এখন পর্যন্ত আমাদের নিয়ন্ত্রনে আছে। যথেষ্ট জনবল ও পর্যাপ্ত ঔষধ মুজদ আছে। বয়স্ক ও শিশুদের যেন কোন ভাবে ঠান্ডা না লাগে সে ব্যাপারে স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।


আরোও অন্যান্য খবর
Paris