রবিবার

২৪শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

১০ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ সংবাদ
চামড়া সিন্ডিকেট-কোরবানীর পশু নিয়ে চাঁদাবাজি দেখতে চাই না : এমপি মিলন রামিসা হত্যার বিচার হবে এক মাসের মধ্যে, সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিতের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর শেরে বাংলা ছিলেন বাঙালি মুসলমানদের শিক্ষা-সামাজিক মুক্তির অগ্রদূত : তথ্যমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর নিকট থেকে পরিচ্ছন্নকর্মীদের জন্য ঈদ উপহারের চেক গ্রহণ করলেন রাসিক প্রশাসক দুই পা নেই, শুধু হাতের ওপর ভর করেই মাউন্ট এভারেস্ট জয় গাজায় ইঁদুরবাহী রোগে আক্রান্ত ১ লাখ ২৫ হাজারের বেশি মানুষ রাজশাহী নগরীতে ত্রাস সৃষ্টির দায়ে কিশোর গ্যাং এর ২ সদস্য গ্রেফতার রাজশাহী মহানগরী জামায়াতের উদ্যোগে শিক্ষা শিবির অনুষ্ঠিত নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলা, ডিম নিক্ষেপ রাজশাহীতে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের আঞ্চলিক পর্যায়ের সমাপনী অনুষ্ঠান

আল্লাহ ও রাসুলের নামে মিথ্যা বলা কবিরা গুনাহ

Paris
Update : শুক্রবার, ৮ অক্টোবর, ২০২১

এফএনএস : মিথ্যা সব পাপের জননী। এটি হারাম ও কবিরা গুনাহ হলেও আল্লাহ এবং তাঁর রাসুলের নামে বানিয়ে মিথ্যা বলা সবচেয়ে মারাত্মক কবিরা গুনাহসমূহের মধ্যে একটি। কিন্তু আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের নামে মিথ্যা বলার শাস্তিও মারাত্মক। এ সম্পর্কে ইসলামের দিকনির্দেশনা কী? মিথ্যা বলা গুনাহের কাজ। কিন্তু আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের নামে মিথ্যা বলা সবচেয়ে বড় কবিরা গুনাহ সমূহের মধ্যে অন্যতম। এর শাস্তিও ভয়াবহ। আল্লাহ তাআলাকে মিথ্যা আরোপকারীরা সবচেয়ে বড় জালেম বা অত্যাচারী। আল্লাহ তাআলা বলেন-

‘আর তার চেয়ে বড় জালিম আর কে যে আল্লাহর উপর মিথ্যা রটনা করে। (সুরা আনআম : আয়াত ২১)
যারা আল্লাহর প্রতি মিথ্যা আরোপ করে তাদের পরিণতি কেমন হবে। তাদের ব্যাপারে কোরআনে পাকে আল্লাহ তাআলা ঘোষণা করেন-
‘আর যারা আল্লাহর প্রতি মিথ্যারোপ করে কেয়ামতের দিন তুমি তাদের চেহারাগুলো কালো দেখতে পাবে। অহঙ্কারীদের বাসস্থান জাহান্নামের মধ্যে নয় কি?’ (সুরা যুমার : আয়াত ৬০)
এসব মিথ্যা আরোপকারীদের পরিণাম হবে খুবই ভয়াবহ। তারা শুধু আল্লাহর আজাবের ভয়াবহতা দেখে এবং তাদের প্রতি আল্লাহর রাগ দেখেই তাদের চেহারা কালো হয়ে যাবে।

রাসুলের প্রতি মিথ্যা আরোপ
আর যারা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কথাকে বানিয়ে মিথ্যা বলে তাদের পরিণতিও খুবই ভয়াবহ। তারা সুস্পষ্ট জাহান্নামি। হাদিসে পাকে এসেছে-
হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে যুবাইর রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, আমি আমার পিতা যুবাইরকে বললাম, আমি তো আপনাকে অমুক অমুকের মত আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের হাদিস বর্ণনা করতে শুনি না। তিনি বললেন- ‘জেনে রাখ! আমি তাঁর থেকে দূরে থাকিনি, কিন্তু আমি তাঁকে বলতে শুনেছি, যে আমার উপর মিথ্যারোপ করবে; সে যেন জাহান্নামে তার ঠিকানা বানিয়ে নেবে (এজন্য হাদিস বর্ণনা করি না)।’ (মুসলিম মুকাদ্দামা, বুখারি)

মনে রাখতে হবে
যে ব্যক্তি আল্লাহ ও তাঁর রাসুল যা হারাম করেননি তা হারাম করলো। আর যা হালাল করেননি তা হালাল বললো; সে আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের প্রতি মিথ্যা আরোপ করলো এবং কুফরি করলো।’ কুরআনুল কারিমে এটি না করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এভাবে-
‘আল্লাহর উপর মিথ্যা রটানোর জন্য তোমাদের জিহ্বা দ্বারা বানানো মিথ্যার উপর নির্ভর করে (কথা) বলো না যে- এটা হালাল এবং এটা হারাম; নিশ্চয় যারা আল্লাহর উপর মিথ্যা রটায়, তারা সফল হবে না।’ (সুরা আন-নাহল : আয়াত ১১৬)

তাইতো রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর হাদিস বর্ণনার ক্ষেত্রে সতর্কতাঅবলম্বন করতে বলেছেন। না জেনে তাঁর নামে হাদিস বর্ণনা করাও মিথ্যাচারের সমতুল্য। আর এর পরিণাম জাহান্নাম। সুতরাং মুমিন মুসলমানের উচিত, আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের প্রতি মিথ্যা আরোপ না করা। না জেনে হালালকে হারাম না বলা এবং হারামকে হালাল না বলা। কেননা এসবই আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের নামে মিথ্যাচার। আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের উপর মিথ্যা আরোপ করার মতো ভয়াবহ গুনাহ ও জাহান্নামের যাওয়ার অন্যতম কারণ থেকে বেঁচে থাকার তাওফিক দান করুন। সব কবিরা গুনাহ থেকে বেঁচে থাকার তাওফিক দান করুন। আমিন।


আরোও অন্যান্য খবর
Paris