তানোরে গবাদিপশুর লাপি স্কিন রোগের প্রার্দুভাব
তানোর প্রতিনিধি
রাজশাহীর তানোরে গবাদিপশুর লামি স্কিন রোগের প্রার্দুভাব ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। কিন্তু সময় মতো প্রতিষেধক না পাওয়ায় গবাদিপশু মালিকেরা চরম বিপাকে পড়েছেন।
জানা গেছে, লাম্পি স্কিন রোগে আক্রান্ত গরুর শরীরের চামড়ায় গুটি গুটি দানা, গলা ও পা ফুলে জমছে পানি। শরীরে বইছে জ্বর আর প্রচণ্ড ব্যথায় শরীর বেঁকে যাচ্ছে। নাক-মুখ দিয়ে ঝরছে লালা। ঠিকমতো খেতে পারছে না। শরীর দুর্বল হয়ে অনেক গরু মারাও যাচ্ছে। এটি একটি ভাইরাস জনিত রোগ। উপজেলায় ব্যাপকভাবে গরুর লাম্পি স্কিন রোগ (এলএসডি) দেখা দিয়েছে। এই রোগে আক্রান্ত গরুর সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলছে। ইতমধ্যে বিভিন্ন এলাকায় অনেক গরু মারা গেছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলার কামারগাঁ ইউনিয়নের (ইউপি) ছাঐড়, মোহাম্মদ আলীপুর, শ্রীখন্ডা, কলমা ইউপির চৌরখৈর, চৈতপুর, দিব্যস্থল। এছাড়াও চাঁন্দুড়িয়া, বাধাইড়, সরনজাই, তারন্দ, পাঁচন্দর ইউনিয়ন (ইউপি) এলাকায় লাপি স্কিন রোগের প্রার্দুভাব ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে কামারগাঁ ইউনিয়নে
(ইউপি) কৃষক আফজাল হোসেন, রিপন আলী, সাহিন হোসেন, সাজ্জাদ আলী, কালাম, জাহাঙ্গীর ও এমদার লাপি স্কিন রোগে একটি করে গরু মারা গেছে। এবিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা সুমন মিয়া বলেন, লাম্পি স্কিন রোগে বাছুর গরু বেশি আক্রান্ত হচ্ছে। বড় গরুর রোগ প্রতিরোধ করার ক্ষমতা বেশি। এজন্য বড় গরুর লাপি স্কিন ভাইরাস কম হচ্ছে। অনেক গরু এই রোগে আক্রান্ত, কিন্তু আমরা সেভাবে জানতে পারছি না। গরু পালনকারীরা জানাচ্ছে না। আক্রান্তের দীর্ঘ সময় হলে চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসছেন। তাছাড়া এই রোগে আক্রান্তের লক্ষণ পাওয়ার পর আমাদের অবগত করলে বা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ে আনলে আমরা চিকিৎসা দিচ্ছি। তিনি বলেন, গবাদিপগু মালিকদের সচেতন হতে হবে, রোগের লক্ষন দেখামাত্র প্রাণী সম্পদ কার্যালয়ে নিয়ে চিকিৎসা করাতে হবে।
