বুধবার

১০ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

২৭শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ সংবাদ
বারবার প্রকল্পের মেয়াদ ও ব্যয় বৃদ্ধিতে বিরক্ত প্রধানমন্ত্রী লিবিয়ায় অপহৃত মান্দার আলমগীরের মৃত্যু, আড়াই মাস পর মরদেহ শনাক্ত রাজশাহীতে ক্লুলেস দস্যুতা মামলার রহস্য উদ্ঘাটন, বিএনপি নেতাসহ ২ জন গ্রেপ্তার পুশইন ঠেকাতে কঠোর অবস্থানে বিজিবি বিএমডিএ’র ৮৬তম পরিচালনা বোর্ড সভা নতুন সরকারের অধিনে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম বাজেট অধিবেশন শুরু প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে সরকারদলীয় এমপিদের সভা অনুষ্ঠিত ডেঙ্গমুক্ত রাজশাহী নগরী গড়তে প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে : রিটন রাজশাহীতে বৈদ্যুতিক খুঁটিতে ঘুঘুর বাচ্চা আনতে গিয়ে প্রাণ হারালেন এক কিশোর দেশের ৬৫ শতাংশ গ্রাহক বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির বাইরে থাকছেন : তথ্যমন্ত্রী

‘নকল আইপিএল’ করে ধোঁকা

Paris
Update : মঙ্গলবার, ১২ জুলাই, ২০২২

প্রায় হুবহু আইপিএলের মতোই চললো একটি টুর্নামেন্ট। যার মূল উদ্দেশ্য ছিল রাশিয়ান জুয়াড়িদের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নেওয়া। ‘নকল আইপিএল’ করা এই চক্রকে গ্রেফতার করেছে ভারতের পুলিশ। পুলিশের কাছে ধরা পড়ার আগে কোয়ার্টার ফাইনাল পর্যন্ত চলেছে এই ‘নকল আইপিএল’। মে মাসে আইপিএল শেষ হওয়ার তিন সপ্তাহ পর নকল টুর্নামেন্টটি শুরু হয়েছিল। পুলিশ জানিয়েছে, গুজরাটের একটি দূরবর্তী খামারে চলে এই নকল আয়োজন।

খামারের শ্রমিক- বেকার যুবকদের আইপিএল দলগুলোর হুবহু জার্সি পরিয়ে এই নাটকে অংশ নিতে বলা হয়। ব্যবহার করা হয় ক্রিকেট পিচ, বাউন্ডারি লাইনসহ হ্যালোজেন ল্যাম্প। পুলিশ কর্মকর্তা ভবেশ রাঠোর বলেছেন, ‘ওরা মাঠে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন ক্যামেরা ব্যবহার করেছিল। পাশাপাশি লাইভ স্ট্রিমের জন্য কম্পিউটারের মাধ্যমে ব্যবহার করে নানা গ্রাফিকস।’ ওই পুলিশ আরও জানান, এসব কাজের জন্য বেকার যুবক ও শ্রমিকদের প্রতিটি ম্যাচের জন্য দেওয়া হত ৪০০ রুপি।

আর ম্যাচগুলোও সম্প্রচার করা হতো ইউটিউবের মাধ্যমে। যে চ্যানেলটির নাম ছিল আইপিএল। পুলিশ জানিয়েছে, ওরা কাজ করতো রাশিয়া ভিত্তিক একজন মাস্টার মাইন্ডের দেওয়া নির্দেশনা অনুসারে। ওই সময় ইন্টারনেট থেকে ডাউনলোড করা মাঠের দর্শকদের উচ্চশব্দ ব্যবহার করা হতো ধোঁকা দেওয়ার জন্য। আর কৌশলে দেখানো হতো শুধু খেলোয়াড়দের ক্লোজ আপ। আয়োজনে ছিল হুবহু আইপিএল ধারাভাষ্যকারদের কণ্ঠ নকল করার লোকও। এই প্রতারকদের ফাঁদেই পা দেন রাশিয়ান জুয়াড়িরা। ওই প্রতারকরা টেলিগ্রাম চ্যানেলের মাধ্যমে তাদের এই কাজটি পরিচালনা করেছেন। এসব তথ্য আবার মাঠে দাঁড়ানো নকল আম্পায়াররা পেয়ে যেতেন ওয়াকিটকির মাধ্যমে। তখন ওই আম্পায়াররা চার, ছয় বা উইকেটের জন্য বোলার বা ব্যাটারকে ইশারায় সেটি জানিয়ে দিতেন। ভবেশ রাঠোর জানিয়েছেন, ওই চক্রটি নকল আইপিএল করে প্রথম কিস্তিতে ৩ লাখ রুপির বেশি হাতিয়ে নিতে সক্ষম হয়েছে।-এফএনএস

 


আরোও অন্যান্য খবর
Paris