বুধবার

২২শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

৯ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ সংবাদ
গোদাগাড়ীতে নাবিল গ্রুপের বর্জ্যে দূষণের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা করার নির্দেশ অটোরিক্সা চালকদের সাথে রাসিক প্রশাসকের মতবিনিময় অস্বচ্ছতার অভিযোগে রাজশাহী চেম্বারের নির্বাচনী ফলাফলর বিরুদ্ধে আপিল অফিস পেয়ে গাড়িও চাইলেন হাসনাত আবদুল্লাহ পরীক্ষাকেন্দ্রে ফেসবুক লাইভে এমপি বগুড়া সিটি করপোরেশনের যাত্রা শুরু, উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী স্কুলে নেই বসার বেঞ্চ সপ্তাহজুড়ে ক্লাস বন্ধ! আইনের সুশাসন প্রতিষ্ঠায় রাজশাহী রেঞ্জ ডিআইজি ড. মোঃ শাহজাহানের সাফল্য রাজশাহী মহানগরীর সবুজায়ন ও সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে রাসিক প্রশাসকের নতুন উদ্যোগ গুলশান কার্যালয়ে রাত ৩টা পর্যন্ত ব্যস্ত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী

বাগমারায় সাজাপ্রাপ্ত দুই আসামি গ্রেপ্তার

Paris
Update : শুক্রবার, ২০ আগস্ট, ২০২১

মচমইল থেকে সংবাদদাতা : রাজশাহীর বাগমারা থানার পুলিশ সাজাপ্রাপ্ত দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে। ঢাকার মোহাম্মদপুর থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। দীর্ঘ পাঁচ বছর ধরে তারা পলাতক ছিল। গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা হলো উপজেলার মির্জাপুর গ্রামের মৃত আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে সুলতান আহম্মেদ (৩৩) ও তাহেরপুরের এমদাদুল হকের ছেলে সানাউল হক (৩০)। এর মধ্যে সুলতান আহম্মেদের দুইটি মামলায় ছয় মাস করে এবং আরেকটি মামলায় দুই বছরের সাজা হয়। এছাড়াও আরেকটি মামলায় গ্রেপ্তারী পরোয়ানা রয়েছে। অপর দিকে সানাউল হকের বিরুদ্ধে এক বছরের কারাদণ্ডের রায় হয়।

গত ২০১৭ সাল থেকে তাঁরা পলাতক ছিল। বাগমারা থানার ওসি মোস্তাক আহম্মেদ জানান, আসামি সুলতান আহম্মেদ ও সানাউল হকের বিরুদ্ধে পৃথক পৃথক প্রতারণা মামলায় সাজা হয়। এর পর থেকে তারা পলাতক ছিল। পুলিশ ধরার জন্য বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালালেও ধরতে পারেনি। তাদের অবস্থান নিশ্চিত হওয়ার পর পুলিশ সুপারের নির্দেশে বুধবার থানা পুলিশের একটি দল তাহেরপুর পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের ইনচার্জ আব্দুর রাজ্জাকের নেতৃত্বে ঢাকায় যায়।

চৌকশ পুলিশের দলটি মোহাম্মদপুরে তাঁদের অবস্থান নিশ্চিত হয়ে সেখান থেকে কৌশলে গ্রেপ্তার করে। বৃহস্পতিবার দুপুরে তাঁদের নিয়ে পুলিশের দলটি থানায় পৌঁছে। পরে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।স্থানীয়রা জানান, সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা প্রতারণার মাধ্যমে লোকজনের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নেন। টাকা পরিশোধ না করে সটকে পড়েন। প্রতারিত ব্যক্তিরা আদালতে মামলা করলে সাক্ষ্য প্রমাণ পাওয়ার পর সাজা দেওয়া হয়।


আরোও অন্যান্য খবর
Paris