২০ অক্টোবর ২০২৬
বিজ্ঞাপন
Amader Rajshahi
শিরোনাম
প্রধানমন্ত্রীর রাজশাহী সফর : সুপ্ত আশা-প্রত্যাশা দানা বেঁধেছে মানুষের মাঝেশিবগঞ্জে মাদকবিরোধী অভিযানে হামলা চালালেও ৩ কারবারি গ্রেপ্তারঅবহেলা আর অযত্নে পড়ে আছে ঈশ্বরদী বিমান বন্দরবরেন্দ্র অঞ্চলের মানুষের আশানুরূপ খাদ্যের যোগান দিচ্ছে বিএমডিএশেষ মুহূর্তের প্রস্তুতির মধ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে বরণে প্রস্তুত রাজশাহীপ্রধানমন্ত্রীর নিকট রাজশাহীতে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির বিষয়ে উপস্থাপন করা হবে : রাসিক প্রশাসকরাজশাহীর ঐতিহ্য-গৌরবের ধারক বরেন্দ্র কলেজ জাতীয়করণ দাবিকৃষ্ণ-হরিদ্রা রঙের ছোঁয়া ভিআইপি সড়কে ধর্মসভার মন্ডপ হপিংয়ে আসছেন প্রধানমন্ত্রী

কদর বেড়েছে সিমেন্টের চাড়ির

প্রকাশিত: ১ আগস্ট ২০২১, ৩:৪০ পূর্বাহ্ণ | বিভাগ: আপনার মতামত
কদর বেড়েছে সিমেন্টের চাড়ির
বিজ্ঞাপন

শামীম রেজা, মচমইল : রাজশাহীর বাগমারায় রয়েছে হাজারো দীঘি আর পুকুর। সেই সকল দীঘি আর পুকুরে চাষ করা হচ্ছে মাছ। মাছ চাষ করায় প্রতিনিয়ত দীঘি ও পুকুরে দিতে হচ্ছে খাদ্য। মূলত পানিতে নেমে মাছের খাদ্য দেয়া সম্ভব হয় না। সে জন্য দরকার হয় নৌকার। দিন দিন বাড়ছে কাঠের দাম। সেই সাথে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে শ্রমিকের মজুরী। অনেক টাকা খরচ করে কাঠের নৌকা তৈরি করলেও বেশি দিন টিকেনা। অনেক দিন পানিতে থাকার কারনে পচে নষ্ট হয়ে যায়।

বর্তমানে নৌকার পরিবর্তে শুরু হয়েছে সিমেন্টের চাড়ি বা নৌকা ব্যবহারের প্রচলন। দাম কম আর দীর্ঘস্থায়ী হওয়ায় দিন দিন কদর বাড়ছে সিমেন্টের এ সকল চাড়ি আর নৌকার। মাছ চাষিরা এখন নৌকার পরিবর্তে দীঘি ও পুকুরে ব্যবহার করছেন সিমেন্টের চাড়ি। প্রতিটি চারির মূল্য আকার ভেদে দুই থেকে তিন হাজার টাকা। ছোট আকারের একটি চাড়িতে ৫০ কেজির ৩/৪ টি বস্তা সহ ২ জন মানুষ এক সঙ্গে চড়ে পুকুরে মাছের খাদ্য ছিটিয়ে দিতে পারে।

একেকটি চাড়ি পুকুরে ৬-৭ বছর ব্যবহার করতে পারবেন। গত ১ বছর থেকে সিমেন্টের চাড়ি এবং ডুঙ্গা তৈরি কারাখানা করছেন উপজেলার গোপালপুর গ্রামের আশরাফুল ইসলাম। তার নিজ গ্রামে এই চারি তৈরির কারখানা গড়ে তুলেছে। সেখান থেকে গত ১ বছরে শতাধিক চাড়ি বিক্রি করেছেন তিনি। চাড়ি তৈরিতে প্রয়োজন হয় সিমিন্টে, বালি, ভালো মানের ইটের গুড়িখোয়া এবং জিআই তার। তার এই কারখানায় তিনজন কারিগর এগুলো তৈরির কাজ করেন।

একান্ত ব্যক্তিগত কাজে এ চাড়ি ব্যবহার করা হচ্ছে। বিশেষ করে মাছ চাষ পুকুরে এর জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমান সময়ে ছোট একটি নৌকার দাম দিয়ে দুই থেকে তিনটি চাড়ি কেনা যাবে। বালানগর গ্রামের শাহাদত হোসেন, ওমর আলী, হেলাল উদ্দীন, গোপালপুর গ্রামের আবু বাক্কার সহ অনেকে মাছের খাদ্য দিতে এই চাড়ি স্বাচ্ছন্দে ব্যবহার করছেন। আশরাফুল ইসলাম জানান, অর্ডার পেলে চাহিদা মত সরবরাহ করতে পারবেন সিমেন্টের চাড়ি।

পাঠকদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন