২৬ অক্টোবর ২০২৬
বিজ্ঞাপন
Amader Rajshahi
শিরোনাম
ফুটপাত দখলমুক্তর পাশাপাশি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও হকারদের পুর্নবাসনের উদ্যোগ রাসিকেরভূমিমন্ত্রী মিনুকে দেখতে হাসপাতালে রাষ্ট্রপতি২৬ অক্টোবর ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কা, বরেন্দ্র অঞ্চলে কৃষকদের পাকাধান কাটার জরুরি আহ্বানচাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে ভুক্তভোগীদের অভিযোগ ছাড়াই মামলা নেওয়ার ব্যবস্থা হচ্ছে : আইজিপিবাংলার জাতীয় খেলা হা-ডুডুকে আরও জনপ্রিয় করে তোলা হবে : এমপি মিলনপ্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে স্বাক্ষরিত হতে পারে কয়েকটি সমঝোতা স্মারকপ্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে স্বাক্ষরিত হতে পারে কয়েকটি সমঝোতা স্মারকলোকসান-সঙ্কটের অজুহাতে বেসরকারি ব্যবস্থায় দেয়া হচ্ছে আরো অর্ধডজন ট্রেন

বিচারক স্বল্পতায় আদালতে কমছে না মামলা জট

প্রকাশিত: ১৯ মার্চ ২০২১, ১০:৩৯ পূর্বাহ্ণ | বিভাগ: আইন-আদালত
বিচারক স্বল্পতায় আদালতে কমছে না মামলা জট
বিজ্ঞাপন

এফএনএস : দেশের আদালতগুলোয় ৩৮ লাখেরও বেশি মামলা ঝুলে আছে। আদালতগুলোয় মামলাজটের অন্যতম কারণ হচ্ছে বিচারক স্বল্পতার পাশাপাশি আইনের ত্রুটি এবং সাক্ষী হাজির না হওয়া। বিশাল এই মামলাজট কমাতে হলে আইনি কাঠামোর আওতায় আদালতের মধ্যস্থতায় বাদী-বিবাদী ও সংশ্লিষ্ট পক্ষের আইনজীবীদের নিয়ে ছোটখাটো মামলাগুলো দ্রুত বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির (এডিআর) দিকে মনোযোগী হওয়া জরুরি। একই সঙ্গে পুরনো আইনগুলো যুগোপযোগী করা প্রয়োজন।

সুপ্রিম কোর্ট থেকে সর্বশেষ পাওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী (২০১৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত) মোট বিচারাধীন মামলা ৩৬ লাখ ৮৪ হাজার ৭২৮টি। ধারণা করা হচ্ছে, তার সঙ্গে গত বছর জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত আরো ১ লাখেরও বেশি মামলা যুক্ত হয়েছে। তবে করোনা পরিস্থিতির কারণে সুপ্রিম কোর্টের বিবরণী শাখার কার্যক্রমে জটিলতা তৈরি হওয়ায় কেউ চূড়ান্ত হিসাব দিতে পারেননি। আদালত সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, মামলার পরিসংখ্যান তৈরি করা সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ। সুটিওম কোর্ট টওশাসনের বিবরণী শাখা ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে বছরে চারটি বিবরণীর পাশাপাশি একটি বার্ষিক বিবরণীও প্রকাশ করে। তবে চলতি বছরের প্রায় তিন মাস পেরিয়ে গেলেও ২০২০ সালের বার্ষিক পরিসংখ্যান এখনো প্রকাশ করতে পারেনি সুপ্রিম কোর্ট। একই সঙ্গে কবে ওই পরিসংখ্যান আসবে তাও সঠিকভাবে কেউ বলতে পারেননি।

সূত্র জানায়, আদালতে বিচার কাজ বিলম্বিত হলে বিচারপ্রার্থীরা হতাশায় ভোগে। তাছাড়া বিরোধের নিষ্পত্তি দীর্ঘায়িত হলে আরো বিরোধ সৃষ্টিরও আশঙ্কা থাকে। সেজন্য যেসব মামলা বাদী-বিবাদীদের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে (মীমাংসাযোগ্য) নিষ্পত্তি করা যায়, সেগুলো এডিআরের আওতায় নিষ্পত্তি করা প্রয়োজন। তাছাড়া এখনো শত বছরের পুরনো আইন দিয়ে বিচার কাজ পরিচালনা করায় নানা অসুবিধা হচ্ছে। সেজন্য পুরনো আইনগুলো দ্রুত সংশোধন হওয়াও জরুরি।

সূত্র আরো জানায়, আদালতে মামলা জট নিরসনে বিচারকদের ওপর চাপ কমানো প্রয়োজন। এদেশে একজন বিচারকের ওপর যে চাপ থাকে তা বিশ্বের কোথাও নেই। হাইকোর্টের বিচারপতিরা প্রতিদিন দেড়শ থেকে দু’শ মামলার শুনানি গ্রহণ করেন। আবার যেসব মামলার রায় দেন ওই রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপিও লিখতে হয়। ড্ অস্বাভাবিক। তাছাড়া নিম্ন আদালতের বিচারকরাও ওভার লোড নিয়ে কাজ করেন। প্রতিদিন তাদেরও শত শত মামলার শুনানি গ্রহণ করতে হয়।

এমন অবস্থায় মামলা জট কমাতে হলে অধিকসংখ্যক বিচারক নিয়োগ দিয়ে বিচারকদের ওপর চাপ কমানো জরুরি। এদিকে চলতি বছরের শুরুতে আইনমন্ত্রীও বিচারাধীন মামলা ৩৮ লাখ বলে জানিয়েছিলেন। আইনমন্ত্রী আরো জানান, চলতি বছর জটের তালিকা থেকে অন্তত ৬ লাখ মামলা কমিয়ে আনার পরিকল্পনা রয়েছে। ওই লক্ষ্যে ইতিমধ্যে একটি পরিকল্পনা তৈরি করা হয়েছে এবং কাজও শুরু হয়েছে। অন্যদিকে মামলাজট প্রসঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মো. আলী আকবর জানান, করোনা পরিস্থিতির কারণে পরিসংখ্যান কার্যক্রমে কিছুটা সমস্যা তৈরি হয়েছে।

পাঠকদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন