মঙ্গলবার

২৫শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

১১ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ডাক্তার পরিচয়দানকারি এক প্রতারক নারী

Paris
Update : শনিবার, ২৫ মে, ২০২৪

রবিউল ইসলাম, পত্নীতলা : নওগাঁর পত্নীতলায় মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে সোমাইয়া তাবাসসুম সাবা (২৪) নামের এক নারীকে ৩ মাসের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। সেই সাথে ৫০ হাজার টাকা অর্থদন্ড করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ মে) দিবাগত রাতে উপজেলা সদরে অভিযান পরিচালনা করেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার পপি খাতুন। ডাক্তার না হয়েও চিকিৎসা দেওয়ার অপরাধে তাকে উভয় দন্ডে দন্ডিত করা হয়। পরে মোবাইল কোর্টের বিচারকের নির্দেশে সোমাইয়াকে নওগাঁ কারাগারে প্রেরণ করা হয়। দন্ডপ্রাপ্ত সোমাইয়া তাবাসসুম সাবা পার্শ্ববর্তী মহাদেবপুর উপজেলার আতুরা গ্রামের আবু সাঈদ খানের মেয়ে।
এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছা: পপি খাতুন বলেন, ‘ডাক্তার পরিচয়ে এক নারী নজিপুর সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে রোগী দেখতো এবং ব্যবস্থাপত্র প্রদান ও নিজেই বিভিন্ন টেস্ট করছিলেন। মেয়েটি একটি কোর্স করে রোগী দেখত। এটা ঠিক না। আইন অনুযায়ী রোগী দেখতে পারেন না। ডাক্তারকে সহযোগীতা করতে পারবে। এছাড়া সে নির্দিষ্ট একটা আয়ুর্বেদিক কোম্পানিকে প্রমোট করতো। সেই মেডিসিন প্রমোট করতে গিয়ে রোগী দেখে, প্রেসক্রিপশন করে। শুধু তাই নয়, বলে দেয় এই মেডিসিন ৬-৭ মাস খেতে হবে। যা একটা সাধারণ রোগীর জন্য ব্যয়বহুল। এছাড়া রোগীর কাছ থেকে ফি নেওয়া হয় ৬শত টাকা। আর মেয়েটি পড়াশোনা করছে সবেমাত্র ডিগ্রি দ্বিতীয় বর্ষে। সে কিভাবে মানুষের শরীরের রোগ নির্ণয় করতে পারবে। তিনি বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে কোনো সদুত্তর দিতে পারেনি, ডাক্তারি সনদপত্রের সঠিক প্রমানাদি দেখাতে পারেনি। সেই কারণে তাকে ৩ মাসের কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান এই কর্মকর্তা।’


আরোও অন্যান্য খবর
Paris