প্রেস বিজ্ঞপ্তি
গতকাল বুধবার বেলা ১টায় নগরীর একটি রেস্টুরেন্টে রাজশাহী জেলা পরিষদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের জাতীয় পরিষদের সদস্য ও রাজশাহী মহানগরের সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর ইকবাল জেলার গোদাগাড়ী, তানোর, মোহনপুর ও দুর্গাপুর উপজেলার অন্তর্গত ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানবৃন্দের সাথে মতবিনিময় করেন। মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, রাজশাহী জেলার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অনিল কুমার সরকার। সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, রাজশাহী জেলার সাংগঠনিক সম্পাদক প্রভাষক এ কে এম আসাদুজ্জামান।

সভায় বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, রাজশাহী মহানগরের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী কামাল, সাধারণ সম্পাদক মোঃ ডাবলু সরকার, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান মাঞ্জাল, মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক আহ্সানুল হক পিন্টু, জেলা যুবলীগ সভাপতি আবু সালেহ, গোগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান, বাধাইর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আতাউর রহমান, কামারগাঁ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলে রাব্বি মিয়া, চড় আষাড়িয়াদহ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আসরাফুল ইসলাম, গোদাগাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসিদুল গনি, মাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর হোসেন, দেলুবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রিয়াজুল ইসলাম, জাহানাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হযরত আলী।

বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর ইকবাল বলেন, আওয়ামী লীগের সাথে আমার দীর্ঘদিনের প্রেম, সেই প্রেমের স্বীকৃতি স্বরূপ বঙ্গবন্ধুকন্যা আমাকে জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আমাকে মনোনয়ন দিয়েছেন। তাই আমি তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি এবং আমি যেন তার সম্মান অক্ষুন্ন রাখতে পারি সেজন্য সমর্থন ও সার্বিক সহযোগিতা আমার একান্ত প্রয়োজন। আপনাদের ভোটে নির্বাচিত হলে আমার দুয়ার সবসময় আপনাদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। আমি আমৃত্যু আপনাদের পাশে থেকে অতীতের ন্যায় কাজ করে যেতে চাই। অতীতের যে কোন সময়ের থেকে জেলা পরিষদকে কার্যকরি করে গড়ে তুলবো ও রাজশাহীর সার্বিক উন্নয়নে জেলা পরিষদ যেন কার্যকরি ভূমিকা রাখতে পারে সেজন্য কাজ করে যাবো।

সভায় সভাপতির বক্তব্যে অনিল কুমার সরকার বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর ইকবালকে জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন প্রদান করেছেন। সুতরাং সেই প্রার্থীর বিজয় নিশ্চিত করাই আমাদের প্রধান কর্তব্য। জননেত্রী শেখ হাসিনা ও দলের মনোনীত প্রার্থীর বিরুদ্ধাচরণ করা মানে শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধাচরণ করা। কাজেই যারা দলের প্রার্থীর বিরুদ্ধে অবস্থান নিবে অচিরেই তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। সভায় বক্তারা বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনা দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত নিবেদিত তৃণমূল থেকে উঠে আসা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর ইকবালকে জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন দিয়ে আমাদের রাজশাহীবাসীকে সম্মানিত করেছেন। আগামী ১৭ অক্টোবর জননেত্রী শেখ হাসিনা মনোনিত প্রার্থী মীর ইকবালকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা’র সম্মান আমরা ধরে রাখবো।