রাজশাহীর তানোর উপজেলার তানোর ঠাকুরপুকুর গ্রামের আজাহারের পুত্র রিকন(৪৩) আব্দুল মান্নানও তার স্ত্রীসহ সাংবাদিক পারভেজের বাড়িতে মা এবং আমি না থাকায় বাড়ির গেট তালামারা ছিল। এসুযোগে বাড়িতে কেউ না থাকা অবস্থায় পরিকল্পিতভাবে তানোর ঠাকুর পুকুর গ্রামের আজাহারের ছেলে রিকন মান্নান ও তার স্ত্রীসহ তাদের লোকজন নিয়ে আমার বাড়ির অনেক ক্ষতি সাধন করেছেন। আমি বাড়িতে না থাকা অবস্থায় আমার মা রাজশাহী থেকে বাড়িতে আসলে দেখে যে আমার ঘরে বালি ধুলাসহ পাথর খুয়া ফেলে এবং কম্পিউটার মনিটরসহ অনেক কিছুই ভেঙ্গে ফেলেন। অনেক ক্ষতি সাধন করেছেন এবং ছাদের পাইব ভেঙ্গে ফেলেন।

 

এগুলো নিয়ে পাশের বাড়ির লোকজনকে দেখানো হয়েছে। তারপরে রিকন মান্নানসহ তার লোকজনরা অকথ্য ভাষায় আমার মাকে গালিগালাজ করেন এবং আমার মাকে মারধর করেন এবং প্রাণনাশের হুমকি দেন। পরবর্তীতে আমি বাড়িতে আসলে দেখি আমার মা মাথা ধরে কান্নাকাটি করছেন। এবিষয়ে রিকনকে জিজ্ঞাসা করলে সে আমাকে বলে যে তোকে যেকোন মুহূর্তে যেকোনো জায়গায় জানে মেরে ফেলবো বলে হুমকি প্রদান করেন।

 

আমি বলতে চাই তার সাথে আমার কোন দন্দ নেই কিন্তু এর আগেও আমার মাকে মারধর করেছেন। কিন্তু এর রহস্যকি তবে তার মহাপরিকল্পনা কি সে আমাকে মেরে ফেলবে, তার জন্য টাকা নিয়েছেন এটা জানার বিষয়,তার কোন সমশ্যা থাকলে আইন আদালত আছে কিন্তু প্রকাশ্য দিবালোকে একজন সাংবাদিকের বাড়িতে অতর্কিত হামলা করার সাহস সে কিভাবে পায় এর গডফাদারকে তদন্ত সাপেক্ষ দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবী জানাচ্ছি। আমার কিছু হলে ঠাকুরপুকুরের আজাহারের ছেলে রিকন (৪৩)দায়ী তদন্ত সাপেক্ষ দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির ব্যবস্থা নেয়া হোক।

এনিয়ে তানোর থানার সুযোগ্য ওসি কামরুজ্জামান মিয়া বলেন, অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। এ বিষয়ে আমি তানোর উপজেলার সুযোগ্য নির্বাহি অফিসার পঙ্কজ চন্দ্র দেবনাথ স্যারের দৃষ্টি কামনা করছি এসব রিকনসহ তার ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানাচ্ছি।
সোহানুল হক পারভেজ
সাংবাদিক
তানোর, রাজশাহী।