চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় সচিব ড. মুহাম্মদ ইয়ামিন চৌধুরী বলেছেন, কৃষি ঋণের একটি হল মৎস্য ঋণ। দেশের বানিজ্যিক ও বিশেষায়িত ব্যাংকগুলো তাদের ব্যবসার স্বার্থে মৎস্য চাষীদের সহজ শর্তে ব্যাংক ঋণ প্রদান না করে নানারকম অনিয়ম-দূর্নীতি করেন। ভবিষ্যতে আর এমন অনিয়ম থাকবে না। এলক্ষ্যে সরকার ব্যাংকগুলোর সাথে আলোচনা করেছে। ব্যাংকগুলো এখন এবিষয়ে সর্তক অবস্থানে রয়েছে। প্রযুক্তিভিক্তিক মৎস্য চাষে ব্যাংক ঋণ প্রদানে আরও সহজ করা হয়েছে। ভবিষ্যতে মৎস্য চাষে আর কোন অন্তরায় থাকবে না। চাঁপাইনবাবগঞ্জে ইন-পন্ড রেসওয়ে সিস্টেম বা আইপিআরএস পদ্ধতিতে দেশের প্রথম মাছ চাষের ‘নবাব হাইটেক মৎস্য খামার’ পরিদর্শন শেষে তিনি এসব কথা বলেন। শনিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকালে তিনি সদর উপজেলার ঝিলিম ইউনিয়নের আতাহার এলাকার নবাব হাইটেক মৎস্য খামার পরিদর্শন করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় সচিব ড. মুহাম্মদ ইয়ামিন চৌধুরী।

 

পরে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় সচিব ড. মুহাম্মদ ইয়ামিন চৌধুরী শিবগঞ্জে মৎস্য অধিদপ্তরের ন্যাশনাল এগ্রিকালচারাল টেকনোলজি প্রোগ্রাম প্রজেক্টের আওতায় মৎস্যচাষীদের মাঝে পিকআপ ভ্যান হস্তান্তর করেন। শেষে শিবগঞ্জের পাগলা নদীতে মৎস্য অভয়ারণ্য পরিদর্শন করেন সচিব।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক খন্দকার মাহবুবুল হক, রাজশাহী বিভাগীয় মৎস্য অধিদপ্তর কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. আব্দুর রউফ, জেলা প্রশাসক একেএম গালিভ খাঁন, মৎস্য অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক (অর্থ ও পরিকল্পনা) মো. সাহেদ আলী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) আহমেদ মাহবুব-উল-ইসলাম, মৎস্য অধিদপ্তরের ন্যাশনাল এগ্রিকালচারাল টেকনোলজি প্রোগ্রাম প্রজেক্টের পরিচালক মো. মনিরুজ্জামান, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমানসহ নবাব হাইটেক মৎস্য খামারের বিভিন্ন স্তরের