শাহ্ আলম সেলিম, লালপুর : নাটোরের লালপুরে পাটের আঁশ বিক্রি নিয়ে লোকসানের আশংকা করছেন চাষীরা। বৃষ্টি কম হওয়ার কারণে খাল ও বিলের অল্প পানিতে পাট গাছ জাগের মাধ্যমে পঁচাতে হচ্ছে চাষীদের। ফলে পাটের গুণগতমান নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশংকা দেখা দিয়েছে। পাটের ফলন ভালো হলেও সময়মত বৃষ্টির পানি না হওয়ায় খাল ও বিলের অল্প পানিতে পাট পঁচানোর কারণে পাটের আঁশ কালচে রঙের হচ্ছে। এতে পাটের আঁশের গুনগত মান নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। গত কয়েক বছর পাট চাষে লাভের মুখ দেখলেও এবার লোকসানে আশংকা করছেন চাষীরা। এই মৌসুমে উপজেলায় ৫ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে পাট চাষের লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও চাষ হয়েছে ৭ হাজার ৪২০ হেক্টর জমিতে। যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১ হাজার ৯শ ২০ হেক্টর বেশি। এ বছর হেক্টর প্রতি ২.৪ মেক্ট্রিক টন হারে ১৭ হাজার ৮শ ৮ মেক্ট্রিক টন পাটের আঁশ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে বলে উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে। এবিষয়ে উপজেলার নান্দ গ্রামের আতিয়ার রহমান বলেন, পানির অভাবে সময়মতো পাট জাগ (পঁচাতে) না পেরে পাট শুকিয়ে গেছে। আর শুকনা পাট জাগ দেওয়ার কারণে পাটের আঁশ কালচে রঙের হয়েছে। এতে দাম কম হওয়ায় লোকসান হচ্ছে আমাদের। এবিষয়ে উপজেলার বওড়া পূর্বপাড়া গ্রামের জামাল হোসেন বলেন, ভাই পাট চাষ করে এবার অনেক টাকা লোকসান হবে। এবিষয়ে লালপুর সদর ইউনিয়নের রামকৃষ্ণপুর গ্রামের ফিরোজ হোসেন বলেন, পানির অভাবে দুই বিঘা জমির পাট গাছ এখনো জমিতেই আছে। এতে পাট গাছ শুকিয়ে গেছে। অনেক টাকা লোকসান হবে বলে জানান তিনি। এবিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রফিকুল ইসলামের মুঠো ফোনে যোগাযোগ করে তার ফোনের সংযোগ বন্ধ পাওয়া গেছে।এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শামীমা সুলতানা বলেন, বিষয়টি কৃষি কর্মকর্তার নিকট থেকে জেনে যানাবো।