এফএনএস : পরিবার প্রেমের সম্পর্ক না মেনে নেওয়ায় একসঙ্গে আত্মহত্যা করার সিদ্ধান্ত নেয় প্রেমিক-প্রেমিকা। জোগাড় করে আগাছা নাশক বিষ। পরীক্ষা না দিয়ে কীটনাশক নিয়ে স্কুলের পেছনে যায় দু’জন। সেখানে যাওয়ার পর প্রেমিক কীটনাশক তুলে দেয় প্রেমিকার হাতে। কিন্তু প্রেমিকা ওই কীটনাশক পান করার পরপরই পালিয়ে যায় প্রেমিক। গত বুধবার সকাল ১০টার দিকে যশোরের চৌগাছা উপজেলার জগদীশপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। অসুস্থ প্রেমিকা স্থানীয় একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণির ছাত্রী। তাকে যশোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। কীটনাশক পানে অসুস্থ মেয়েটির মা জানিয়েছেন, তার স্কুলপড়ুয়া মেয়ের সঙ্গে জগদীশপুর গ্রামের টগর নামে এক যুবকের প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হয়। সম্প্রতি তারা বাড়িতে বিয়ের প্রস্তাব দেয়। কিন্তু কোনো পক্ষই তাদের বিয়ে মেনে নিতে রাজি হয়নি। গত বুধবার সকাল ১০টায় টগর তার মেয়েকে স্কুলের পেছনের মাঠে ডেকে নিয়ে জানায় তারা দু’জন একসঙ্গে কীটনাশক পান করে আত্মহত্যা করবে।

সে নিজে কীটনাশক কিনে আনে। টগর তার মেয়ের হাতে কীটনাশক তুলে দিলে সে তা পান করে অসুস্থ হয়ে পড়ে। ওই সময় টগর পালিয়ে যায়। পরে স্কুলের শিক্ষকরা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে চৌগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে মেয়েটিকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. লুৎফুন্নাহার বলেন, মেয়েটিকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে যশোরে স্থানান্তর করা হয়েছে। চৌগাছা থানার ওসি সাইফুল ইসলাম সবুজ জানান, বিষয়টি জানা নেই। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এর আগে ভারতের উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজেও একই রকম ঘটনা ঘটে। পরকীয়া সম্পর্কে জড়িয়ে গিয়েছিলেন দুজন। কিন্তু সেই সম্পর্ক সমাজ মেনে নেবে না ভেবে তারা সিদ্ধান্ত নেন, যমুনায় ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করবেন। সে অনুযায়ী নির্দিষ্ট দিন যমুনার তীরে হাজিরও হন দুজন। কিন্তু প্রেমিকা ঝাঁপ দিলেও দেননি প্রেমিক। পরে সাঁতরে ফিরে এসে প্রেমিকের বিরুদ্ধে বিশ্বাসঘাতকতার অভিযোগ আনেন ওই নারী।