স্টাফ রিপোর্টার : রাজশাহী মহানগর তাঁতী লীগের সুনাম ক্ষুন্ন হওয়ায় সংবাদ সম্মেলন করেছে তাঁতী লীগের প্রতিষ্ঠা সাবেক সভাপিত ইঞ্জি: রাশিদুল হাসান রুপম। গতকাল রবিবার দুপর ১২টায় সাংবাদিক ইউনিয়ন কার্যলয়ে এ সংবাদ সম্মেলন করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন তাঁতী লীগের সমর্থক মো: জসিম, মো: আলী, শাখাওয়াত হোসেন। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে পাঠ করেন ইঞ্জি: রাশিদুল হাসান রুপম। তিনি বলেন, ২০১৬ সালে বাংলাদেশ তাঁতী লীগ রাজশাহী মহানগরের পুনাঙ্গ কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করি। আমার জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্নিত হয়ে আমার প্রতিপক্ষ আমার রাজনৈতিক কেরিয়ার নষ্ট করার চেষ্টা করে যাচ্ছে।

২০১৯ সালে আমাকে অবগত না করে আনার ও সুমন সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটি নিয়ে আসে। যাহা ৯০ দিনের জন্য কার্যকর। কিন্তু তারা সম্মেলন করতে না পারায় রাজশাহী মহানগর তাঁতী লীগে কমিটিতে বিভাজনের সৃষ্টি হয়। উক্ত আনার বাংলাদেশ তাঁতী লীগের রাজশাহী জেলার সাধারন সম্পাদাক দায়িত্ব পালন করতেন। কেন্দ্রের নির্দেশনায় পুর্নরায় আমি দলীয় কার্যক্রম অব্যাহত রাখি যা এখন ও চলমান রয়েছে।

২০২২ সালে ১১ মার্চ কাটাখালী মাসকাটা দিঘী স্কুলে তাঁতী লীগের ত্রি-বাষির্ক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তাঁতী লীগের কেন্দ্রের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ও অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। এই অনুষ্ঠানে জেলার কমিটি ঘোষিত হলেও মাননীয় মেয়র এ.এইচ.এম খায়রুজ্জামান লিটন ঢাকায় থাকায় মহানগর কমেটি ঘোষণা না দিয়ে শুধু নাম প্রস্তাবনা করা হয়। উক্ত প্রস্তাবনায় আমি রাশিদুল হাসান রুপম সভাপতি পদে নাম প্রস্তাব করি। এ সম্মেলনে পর থেকে প্রতিপক্ষ ধারণা করে কমিটিতে আসতে পারবে না। তারপর থেকে শুরু হয় আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র-অপ্রচার।

গত ১৫ মার্চ ২০২২ তারিখে “কেমন দিলাম” সামাজিক যোগাগোগ ফেসবুক পেজ থেকে রানা শেখ জানতে পারে তার ও সংগঠনে নামে বিভ্রান্তি মুলক তথ্য ছড়াছে। তার পেক্ষপটে সে গত ২০ মার্চ বোয়ালিয়া থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। গত ২১ মার্চ আমি বাড়িতে অবস্থান কালীন সময় রাতে গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে জানতে পারি রাজশাহী নিউর্মাকেট ফুতপাতে রিয়াজুল নামে একজন ব্যবসায়ী খুন হয়েছে। এমামলার প্রধান আসামী করা হয় রানা শেখকে তিনি রাজশাহী মহানগর তাঁতী লীগের সাবেক প্রতিষ্ঠাতা সাংগঠনিক সম্পদাক ছিলেন এবং ১১ মার্চ তাঁতী লীগের সম্মেলনে সংগঠনের নেতাকর্মীরা রানা শেখের নাম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে প্রস্তাব করেন। কিছু স্বার্থানেশী মহল জামাত বিএনপি এবং হাইব্রিড আওয়ামী লীগের নেতারা নিহত রিয়াজুলের পরিবাবরকে ভুল বুঝিয়ে নিরঅপরাধ ব্যাক্তিদের নামে অপপ্রচার চালাছে এবং মিথ্যা মামলায় জড়ানোর ষড়যন্ত্র করছে।

উল্লেখিত গণমাধ্যমে প্রকাশিত যে রনি ও নাইমসহ অন্যান্যরা তাঁতী লীগের কমী হিসাবে প্রচার করা হয়েছে। তারা তাঁতী লীগের সাথে কেউ জড়িত না। বরং তার ছাত্র দলের পোষ্ট পদবী ধারি নেতা। বিগত বিএনপির প্রোগ্রাম গুলো পর্যবেক্ষণ করলে তা পাওয়া যাবে। রনি ও নাইমকে তাঁতী লীগে কর্মী বলে গণমাধ্যমে প্রকাশ করায় তাঁতী লীগের সুনাম ক্ষুন্ন হয়েছে। গণমাধ্যম ও আইন শৃংঙ্খা রক্ষা বাহিনীর প্রতি অনুরোধ করছি উক্ত ঘটনা স্থলে বেশ কিছু সিসি ক্যামেরা আছে যাহা গভীর ভাবে পর্যবেক্ষণ করলে প্রকৃত হত্যাকারীদের চিহ্নিত করা সম্ভব।