এফএনএস : মুজিববর্ষে এমপিওভুক্ত শিক্ষাকে জাতীয়করণের দাবি জানিয়েছে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারী জাতীয়করণ প্রত্যাশী মহাজোট। গতকাল মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত মানববন্ধনে বক্তারা এ দাবি জানান। বক্তারা বলেন, বর্তমানে দেশে সবকিছুর দাম বেড়েছে। সব ধরনের চাকরিতে বেতন বেড়েছে। সব সেক্টরেই নানা ধরনের সুযোগ-সুবিধা বেড়েছে। কিন্তু এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের যেন ভোগান্তি কমেনি। একেবারে না হলেই নয় এমন হিসাব করে জীবন চালাতে হচ্ছে। কোনোরকম ডাল-ভাত খেয়ে দিন পার করছেন এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা।

তারা বলেন, বর্তমান সরকার এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের ২০১৮ সালের জুলাই থেকে বার্ষিক পাঁচ শতাংশ প্রবৃদ্ধি ও ২০ শতাংশ বৈশাখী ভাতা দিয়ে আসছে। এমপিওভুক্ত শিক্ষাকে বর্তমানে জাতীয়করণ করতে হলে সরকারকে ২৫ শতাংশ উৎসব ভাতা শতভাগে উন্নীতকরণ করতে হবে। জাতীয় বেতন স্কেল-ভিত্তিক ৪৫-৫০ শতাংশ বাড়িভাড়া প্রদান ও ৫০০ টাকার মাসিক চিকিৎসা ভাতাকে দেড় হাজার টাকায় উন্নীতকরণ করতে হবে। এসব করতে সরকারের বার্ষিক টাকা লাগবে দেড় হাজার থেকে দুই হাজার কোটি টাকা।

আর যদি এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আয় সরকারি কোষাগারে জমা নেওয়া হয়, তাহলে সেখান থেকে বছরে সরকারের আয় হবে ২৬ হাজার কোটি টাকা। এর ফলে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জাতীয়করণ করা হলে বছরে বেতন বাবদ শিক্ষকদের পেছনে কোনো বাড়তি অর্থ সরকারকে ব্যয় করতে হবে না। বক্তারা বলেন, এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জাতীয়করণ করতে শুধুমাত্র প্রয়োজন একটি রাজনীতিক সিদ্ধান্ত। বঙ্গবন্ধু এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জাতীয়করণ করার কথা বলেছিলেন। কিন্তু ১৯৭৫ সালের পর তা আর সম্ভব হয়নি। যেহেতু বঙ্গবন্ধুকন্যা এখন সরকারে আছেন, তিনি চাইলেই এটা সম্ভব বলে মন্তব্য করেন তারা।