মঙ্গলবার

২১শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ধনী দেশগুলো বেশি ভ্যাকসিন কিনছে, কম পাচ্ছে তৃতীয় বিশ্ব

Paris
Update : রবিবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০২০

এফএনএস : করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন মহামারি মোকাবিলায় নতুন আশার সঞ্চার করেছে। তবে উদ্বেগও বাড়ছে। এমনই এক উদ্বেগের কথা উঠে এসেছে যুক্তরাষ্ট্রের ডিউক ইউনিভার্সিটির একটি জরিপে। এতে দাবি করা হয়েছে, ধনী দেশ ও গরিব দেশের ভ্যাকসিন কেনার মধ্যে একটা বড় বৈষম্য থেকে যাচ্ছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এখবর জানিয়েছে। বিশ্বে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে ভ্যাকসিন কেনার আগাম ব্যবস্থা করেছে ভারতই। সংখ্যাটা কম করে ১৬০ কোটি। কিন্তু এসে দেশের মোট জনসংখ্যার মাত্র ৫৯ শতাংশ মানুষ টিকা পেতে পারবেন। জরিপে উঠে ফলাফলে দেখা গেছে, ধনী দেশগুলো এমনভাবে ভ্যাকসিন কিনেছে, যাতে তাদের দেশের প্রায় সব মানুষ একাধিক বার সেই টিকা পেতে পারে।

কিন্তু গরিব দেশগুলোর পক্ষে সেটা সম্ভব হয়নি। তথ্য বলছে, কোভিডের ভ্যাকসিন একবার নিশ্চিতভাবে বাজারে চলে এলে, তার বেশিরভাগটাই চলে যাবে ধনী দেশের কাছে। অন্য দেশগুলো তেমন গুরুত্ব পাবে না। কয়েক দিন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পক্ষ থেকে একই কথা বলেছিল। তারা সতর্ক করে বলেছিল, এমনটি যাতে না হয় তা আমাদের দেখতে হবে। এই মুহূর্তে যে সব দেশ আগাম ভ্যাকসিনের ডোজ কেনার ব্যবস্থা করে রেখেছে, তাদের মধ্যে ভারত রয়েছে শীর্ষে। ভাররে ১৬০ কোটি ডোজ অর্ডারের পরেই আছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)।

এই ব্লকটি ৬টি কোম্পানির কাছ থেকে ১৩৬ কোটি টিকা কিনবে বলে অর্ডার দিয়েছে। তৃতীয় স্থানে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।যাদের আগাম অর্ডার করা টিকার সংখ্যা ১১০ কোটি। তালিকায় পরে আছে কানাডা ও ইংল্যান্ড। কিন্তু জনসংখ্যার নিরিখে বিচার করা হয়, তাহলে দেখা গেছে, কানাডা প্রয়োজনের তুলনায় ৫ গুণ বেশি অর্ডার করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যও যে টিকা কিনছে, তাতে তাদের জনসংখ্যার ৪০০ শতাংশেরও বেশি। অর্থাৎ প্রয়োজনের তুলনায় চার গুণ।

অস্ট্রেলিয়া ও ইইউ’র এটি আড়াই গুণের বেশি। অথচ ভারতের ক্ষেত্রে টিকা পাবে দেশটির মোট জনসংখ্যার ৫৯ শতাংশ, মেক্সিকোয় ৮৪ শতাংশ, ব্রাজিলে ৪৬ শতাংশ এবং কাজাখাস্তানে মাত্র ১৫ শতাংশ। এই তালিকায় সবচেয়ে তলানিতে আছে ফিলিপাইন, যেখানে মোট জনসংখ্যার মাত্র ১ শতাংশ মানুষ টিকা পাবেন।


আরোও অন্যান্য খবর
Paris