বৃহস্পতিবার

১৮ই এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

৫ই বৈশাখ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

রাজশাহীর বাজারে শীতের সবজিতে স্বস্তি

Paris
Update : শনিবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০২০

স্টাফ রিপোর্টার : রাজশাহীর বাজারে প্রচুর পরিমাণে শীতের সবজির আমদানি বাড়ায় ক্রেতাদের মাঝে স্বস্তি ফিরেছে। কেজিতে সকল সবজি এখন ৫ থেকে ৩০ টাকার মধ্যেই মিলছে। তবে দাম বেড়েছে চাল ও সয়াবিন তেলের। আর নতুন আলু উঠায় কমেছে পুরোতন আলুর দামও। নতুন পেয়াঁজের আমদানি বেশি হওয়ায় কমে গেছে দাম। স্থিতিশীল রয়েছে মাছ, মাংস ও মুদিখানা সামগ্রীর দাম। সবজির বাজারে বেগুন, লাউ, মুলা, বাঁধাকপি ও ফুলকপি ও শীমের সরবরাহ বেশি।

এ কারণে সবজির বাজার বেশ সস্তা। গতকাল শুক্রবার রাজশাহীর সাহেব বাজারের মাস্টাপাড়া কাঁচাবাজারে গিয়ে দেখা যায় এই চিত্র। সাহেব বাজারের সবজী ব্যবসায়ীরা জানান, বেগুন ১০-১৫ টাকা, মুলা ৫ থেকে ১০ টাকা জেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। বাঁধাকপি ফুলকপি ১৫ থেকে ২০ টাকা, পেঁপে ২০ টাকা, শিম ২৫ টাকা, পটল ৩০ টাকা, ঢেঁড়স ২৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

করলা বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকায়, মিষ্টি কুমড়া ৩০ টাকা, টমেটো ৪০ থেকে ৫০ টাকা, শসা বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা, লাল ও সকুজ শাক ১৫ টাকা, পালন শাক ১৫, শিম ২৫ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। গাজর ৫০ টাকা, কচুর লতি ৪০ টাকা, কাঁচাকলা প্রতি হালি ২০ টাকা, বরবটি ৩০ টাকা, লাউ ২০ থেকে ৪০ টাকা, জলপাই ৪০ টাকা, ধনেপাতা ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া ঝিঙা ৪০ টাকায়, ধুন্দল ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে বেশকিছু দিন ধরে নতুন আলু আসায় ৩৫ থেকে ৪০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে আলু। সাহেববাজার মাষ্টারপাড়া এলাকার ব্যবসায়ীরা জানান, নতুন আলুর সরবরাহ অনেক বেড়েছে তাই এখন আলুর দাম আরো কমবে। আলুর সাথে নতুন পেঁয়াজ আসায় দাম কমেছে প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৪৫ টাকা দরে। মসলার বাজারে প্রতি কেজি রসুন ৫০ থেকে ৬০ টাকা, আদা ৫৫ থেকে ৬০ টাকা, কাঁচা মরিচ ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। প্রতি কেজি অ্যাংকর ডাল বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা, মসুর ডাল বিক্রি মোটা ৭০ দেশি ১১০ টাকা, চিনি বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৬৪ টাকা কেজি দরে।

অন্যদিকে মুরগির ও ডিমের দামও কমেছে। মুরগি খুচরা বাজারে কেজিপ্রতি ১০ টাকা ও ডিম হালি প্রতি চার টাকা কমেছে। সাদা ডিম ২৭ এবং লাল ৩৩ থেকে ৩৪ টাকা হালিতে বিক্রি হচ্ছে। স্থিতিশীল রয়েছে মাংস ও মুদি সামগ্রীর দাম। অন্যদিকে মুদি বাজারে শুধু খোলা তেলের দাম বেড়েছে কেজি প্রতি পাঁচ-ছয় টাকা। আর অপরিবর্তিত রয়েছে, ডাল ও মাংসের বাজার। সয়াবিন তেল খোলা ও লিটারে দাম বেড়েছে।

প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন বিক্রি হচ্ছে ৯০ থেকে ১০০ টাকা। আর প্যাকেট ও বোতলজাত তেল ১০৫ থেকে ১১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। চালের দাম বেড়েছে কেজিতে তিন থেকে চার টাকা। আটাশ চাল বিক্রি হচ্ছে ৫২ থেকে ৫৫ টাকা, পায়জাম ৬০-৬৩ টাকা, মিনিকেট ৫৫ থেকে ৫৮ টাকা, নাজির ৬০ টাকা। জিরাসাল ৫৪, কাটারিভোগ সিদ্ধ ৭৫ টাকা, কাজল লতা ৬০ টাকা, মোটা আতপ ৫৫-৫৮ পোলা-আতপ ও কালোজিরা চাল বিক্রি হচ্ছে ৯০ থেকে ১০০ টাকা কেজিতে।

কেজি প্রতি গরুর মাংস ৫৪০ টাকা, খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭৫০ টাকা, ছাগলের মাংস ৬০০ টাকা, বয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকায়, সোনালী মুরগি ১৭০ টাকায় ও দেশি মুরগি ৩৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মাছের বাজারে কিছু কার্প ও দেশি জাতের মাছের দাম কমেছে। সাহেববাজারে ব্যবসায়ীরা জানান, গত সপ্তাহের মতই আছে মাছের বাজার।

রুই ১৫০ থেকে ২৫০ টাকা কেজি, কাতল ২২০ থেকে ৩০০ টাকা, বোয়াল ৪৫০ থেকে ৯০০ টাকা, চিতল ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা, সিলভার ৮০ থেকে ২১০ টাকা, তেলাপিয়া ১০০ টাকা, চাষের পাঙ্গাশ ১২০ টাকা, নদীর পাঙ্গাশ এক হাজার টাকা, শোল ২৫০ টাকা, বাঘাইড় ৭৫০ থেকে ৯৬০ টাকা, ইলিশ ৬০০ থেকে এক হাজার টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। মলা ৩০০ খেকে ৩৮০, পুঁটি ১৮০ থেকে ২০০, শিং ৪০০ টাকি ২৬০, টেংরা ৪০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।


আরোও অন্যান্য খবর
Paris