রবিবার

৩রা মার্চ, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

১৯শে ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

খালিদীর জামিন কেন বাতিল করা হবে না হাইকোর্টের রুল

Paris
Update : বুধবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২০

এফএনএস : দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের প্রধান সম্পাদক তৌফিক ইমরোজ খালিদীকে বিচারিক (নিম্ন) আদালতের দেয়া জামিন কেন বাতিল করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। দশ দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্টদেরকে ওই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুদকের আইনজীবী মো. খুরশীদ আলম খান ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক। দুদকের আবেদনের শুনানি নিয়ে গতকাল মঙ্গলবার হাইকোর্টের বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি আহমেদ সোহেলের সমন্বয়ে গঠিত ভার্চুয়াল বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো. খুরশীদ আলম খান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক। আমিন উদ্দিন মানিক জানান, গত ২০ অক্টোবর ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালত তাকে জামিন দেন। এর বিরুদ্ধে দুদক আবেদন করে। গতকাল মঙ্গলবার আদালত জামিন বাতিলে ১০ দিনের রুল জারি করেন। গত ৩০ জুলাই দুদকের উপ-পরিচালক গুলশান আনোয়ার প্রধান বাদী হয়ে দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১-এ ওই মামলা দায়ের করেন। মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, তৌফিক ইমরোজ খালিদী এইচএসবিসি, ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেড, সাউথ ইস্ট ব্যাংক লিমিটেড এবং মিউচ্যুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেডের বিভিন্ন হিসাবে ৪২ কোটি টাকা জমা রেখেছেন, যার বৈধ কোনো উৎস নেই।

ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে অবৈধ প্রক্রিয়ায় প্রতারণার মাধ্যমে তিনি ওই টাকা অর্জন করেছেন বলে প্রাথমিক তথ্য-উপাত্তে প্রমাণিত। তৌফিক ইমরোজ খালিদী ওই অস্থাবর সম্পদ অসাধু উপায়ে অর্জন করেছেন, যা তার জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ বলে এজাহারে অভিযোগ আনা হয়েছে। গত ২৬ আগস্ট হাইকোর্ট তাকে আট সপ্তাহের আগাম জামিন দেন। এর বিরুদ্ধে দুদক আপিল বিভাগে আবেদন করেন। পরে ২১ সেপ্টেম্বর আপিল বিভাগ তা বহাল রাখেন। এরপর ২০ অক্টোবর তিনি মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ কে এম ইমরুল কায়েশের আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন চান। শুনানি শেষে সেদিন আদালত ২৫ নভেম্বর পর্যন্ত অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দেন। এরপর ২৫ নভেম্বর তাকে স্থায়ী জামিন দেন। পরে ওই জামিন স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সেটির শুনানি শেষে রুল জারি করেন উচ্চ আদালত।


আরোও অন্যান্য খবর
Paris