স্টাফ রিপোর্টার : জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য ভেঙ্গে ফেলা এবং মুক্তিযুদ্ধ, সংবিধান ও দেশের সার্বভৌমত্ব নিয়ে স্বাধীনতাবিরোধী হীন ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে গতকাল রবিবার বিকেলে কুমারপাড়াস্থ দলীয় কার্যালয়ে প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে সভাপতির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, রাজশাহী মহানগরের সভাপতি ও রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মেয়র খায়রুজ্জামান লিটন।

সভাপতির বক্তব্যে লিটন বলেন, ভাস্কর্য ভেঙ্গে বাঙ্গালীর হৃদয় থেকে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের নাম মুছে ফেলা যাবে না। তিনি আরও বলেন, বিষয়টি বঙ্গবন্ধুর অপমান নয়, বিষয়টি একটি আদর্শ ও চেতনাকে লাঞ্চিত করা। স্বাধীনতাবিরোধীরা বঙ্গবন্ধু, মুক্তিযুদ্ধ ও আওয়ামী লীগের নাম শুনলে তাদের গাত্রদাহ হয়। মূর্খের দল জানে না কোটি কোটি মানুষের হৃদয়ে বঙ্গবন্ধু আছে, তা ভাঙ্গবি কি করে? তিনি আরও বলেন, বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাঙ্গা কোন বিষয় নয়, তারা আমাদের প্রিয় মাতৃভূমিকে টুকরো টুকরো করতে চায়। তারা লাল-সুবজের পতাকা ও দেশের মানচিত্রকে খুবলে খেতে চায়।

তিনি হুশিয়ারি করে বলেন, তারা ভিমরুলের চাকে ঢিল মেরেছেন, সহ্য করতে পারবেন না। মুজিব আদর্শের একটি কর্মী বেঁচে থাকতে আপনাদের এহেন হীন উদ্দেশ্য বাংলার মাটিতে বাস্তবায়ন হবে না। ডাবলু সরকার বলেন, তারেক রহমান ও জামায়াত-বিএনপি’র মদদে মৌলবাদী জঙ্গিগোষ্ঠি দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করতে চায়। বাংলার মাটিতে তাদের এই অপতৎতরতা কোনদিন বাস্তবায়ন হবে না। তিনি বলেন, আমাদের অহংকার, আমাদের স্বাধীনতা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, আমাদের অহংকার, আমাদের সংবিধান, আমাদের অহংকার, আমাদের লাল-সবুজের পতাকা, আমাদের অহংকার, আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি সঙ্গিত।

এখানে যারা আঘাত করতে চাইবে তারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বে আঘাত করতে চায়। তিনি সরকারের প্রতি জোর দাবী জানান বাংলাদেশের ৬৪টি জেলায় বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নির্মাণ করার জন্য। আরো বক্তব্য রাখেন রাজশাহী মহানগরের সহ-সভাপতি শাহীন আকতার রেনী, যুগ্ম সম্পাদক আহ্সানুল হক পিন্টু। প্রতিবাদ সমাবেশটি সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, রাজশাহী মহানগরের সাংগঠনিক সম্পাদক মীর ইসতিয়াক আহম্মেদ লিমন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, রাজশাহী মহানগরের সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী কামাল, ডাঃ তবিবুর রহমান শেখ, রেজাউল ইসলাম বাবুল, যুগ্ম সম্পাদক মোস্তাক হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক সম্পাদক আজিজুল আলম বেন্টু, দপ্তর সম্পাদক মাহাবুব উল আলম বুলবুল, কৃষি সম্পাদক মীর তৌফিক আলী ভাদু, যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক মকিদুজ্জামান জুরাত, আইন সম্পাদক অ্যাড. মুসাব্বিরুল ইসলাম, সাংস্কৃতিক সম্পাদক কামারউল্লাহ সরকার কামাল, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক জিয়া হাসান আজাদ হিমেল, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক শ্যাম দত্ত, ধর্ম সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম জাহিদ, শিল্প ও বানিজ্য সম্পাদক ওমর শরীফ রাজিব, শ্রম সম্পাদক আব্দুস সোহেল, উপ-দপ্তর সম্পাদক পংকজ কুমার দে, উপ-প্রচার সম্পাদক সিদ্দিক আলম, সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা ডাঃ আব্দুল মান্নান, আব্দুস সালাম, আতিকুর রহমান কালু, আলহাজ্ব সৈয়দ হাফিজুর রহমান বাবু, এনামুল হক কলিন্স, আশরাফ উদ্দিন খান, মজিবুর রহমান, ইসমাইল হোসেন, ইউনুস আলী, অ্যাড. শামীমা আক্তার খাতুন, মোখলেশুর রহমান কচি, সৈয়দ মন্তাজ আহমেদ, মাসুদ আহম্মেদ, আশীষ তরু দে সরকার অর্পণ, বোয়ালিয়া (পূর্ব) থানা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক শ্যামল কুমার ঘোষ, রাজপাড়া থানা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক শেখ আনসারুল হক খিচ্চু, বোয়ালিয়া (পশ্চিম) থানা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জামান রতন, মতিহার থানা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন, নগর শ্রমিক লীগের সহ-সভাপতি মোতাহার হোসেন, যুগ্ম সম্পাদক শরীফ আলী মুনমুন, নগর যুবলীগ সভাপতি রমজান আলী, সাধারণ সম্পাদক মোশারফ হোসেন বাচ্চু, বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগের সদস্য মালিহা জামান মালা, নগর মহিলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ইপফাত আরা কামাল, নগর স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি আব্দুল মোমিন, সাধারণ সম্পাদক জেডু সরকার, নগর কৃষক লীগ সভাপতি রহমতউল্লাহ্ সেলিম, সাধারণ সম্পাদক সাকির হোসেন বাবু, নগর যুব মহিলা লীগ সভাপতি অ্যাড. ইসমত আরা, নগর ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক মাহমুদ হাসান রাজিব সহ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।